( এপস্টিন ফাইলস-এর প্রথম পর্বটা না পড়ে থাকলে, আগে পড়ে নিন।
এরপর এই আর্টিকেলটা পড়লে বুঝতে আরও সহজ হবে।
পড়ুন– Click: এপস্টিন ফাইল রহস্য: ক্যারিবিয়ানের নির্জন দ্বীপে অন্ধকার সাম্রাজ্য! )
এক ব্যক্তির অপরাধ,
নাকি গোটা ব্যবস্থার ছায়া?
এপস্টিন ফাইলস: জেফ্রি এপস্টিনের নাম আজ শুধু একটা অপরাধের সঙ্গে জড়ানো নয়—
এটা হয়ে উঠেছে ক্ষমতা, অর্থ আর গোপন সম্পর্কের এক জটিল প্রতীক।
এই কেসকে অনেকেই সাধারণ অপরাধের ফাইল হিসেবে দেখেন না।
বরং এটাকে বলা হয় এমন এক অন্ধকার নথি,
যার ছায়ায় ঘুরে বেড়ায় বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মানুষের নাম।

এপস্টিন ফাইলস কেসে ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে
বহু শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের কথা।
রাজনীতি, ব্যবসা, বিনোদন—
সব ক্ষেত্রের মানুষই কোনও না কোনোভাবে এই বিতর্কের ভেতরে এসে পড়েছেন।
ফলে প্রশ্নটা এখন আর একজন ব্যক্তিকে ঘিরে নেই, বরং পুরো ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে।
এপস্টিন মারা গেছেন বলে দাবি করা হলেও,
তাঁর রেখে যাওয়ার রহস্যের কালো ধোঁয়া আজও বিশ্ব রাজনীতি ও
অভিজাত সমাজকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।
সম্প্রতি সরকারি নথি থেকে পাওয়া কিছু ইমেইল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের
নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এই রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে।
উধাও হয়ে যাওয়া
ফাইলের রহস্য:
ঘটনার নাটকীয়তা আরো বেড়ে যায় যখন খবর আসে—
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়,
মার্কিন বিচার দফতরের এপস্টিন-সংক্রান্ত পাবলিক ওয়েবপেজ থেকে
কমপক্ষে ১৬টা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অল্প সময়ের মধ্যেই উধাও হয়ে যায়—
যার মধ্যে ছিল একাধিক বিতর্কিত ছবিও।
এই ফাইলগুলোর মধ্যে ছিল একটা ছবি,
যেখানে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প, মেলানিয়া ট্রাম্প,
জেফ্রি এপস্টিন এবং ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েলকে।

অদ্ভুতভাবে অন্য কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছবি নথিতে থেকে গেলেও
এই ছবিটা আর পাওয়া যায়নি।
ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—
এটা কি নিছক কাকতালীয় ঘটনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে?
এই ধরনের ঘটনাই পুরো কেসটাকে আরও রহস্যময় করে তোলে।
কারণ তথ্য গায়েব হয়ে যাওয়া মানেই মানুষের মনে সন্দেহের জন্ম।
জনতার ক্ষোভ ও
রাস্তায় প্রতিবাদ:
এপস্টিন ফাইলস: এইসব খবর সামনে আসার পর অনেক মানুষ আর চুপ করে থাকেনি।
আমেরিকার বিভিন্ন জায়গায় তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়।
ট্রাম্প টাওয়ারের সামনে নামে বিক্ষুব্ধ জনতার ঢল,
যেখানে মানুষ সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করে।
অনেকের মুখে তখন একটাই কথা—
‘সত্য যদি চাপা পড়ে থাকে, তবে তা একদিন না একদিন বেরিয়েই আসবে।’
এপস্টিন কেসকে ঘিরে মানুষের এই প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে দেয়,
এটা কেবল আইনি মামলা নয়।
এটা মানুষের বিশ্বাস, অবিশ্বাস আর ক্ষমতার প্রতি সন্দেহের এক বিস্ফোরণ।
রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং
অ্যাড্রিনোক্রোম কনস্পিরেসি:
রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অ্যাড্রিনোক্রম কনস্পিরেসি:
এই কেসকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত একটা হল ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামক এই টার্মটা।
সাধারণত এই শব্দটা আমরা মহাকাশ বিজ্ঞান বা উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শুনে থাকি।
যেমন বিখ্যাত ইউএফও (UFO) গবেষক ও বিজ্ঞানী Bob Lazar,
যিনি (পড়ুন) এরিয়া ৫১ (Area 51)-এর দক্ষিণে অবস্থিত অত্যন্ত গোপনীয় স্থান
‘S-4’-এ কাজ করতেন।
তিনি দাবি করেছিলেন যে S-4 পাহাড়ের ভেতরে নির্মিত একটা গোপন আস্তানা,
যেখানে রাখা আছে ৯টা ভিনগ্রহী মহাকাশযান এবং তাঁর কাজ ছিল
একটা অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি প্রপালশন সিস্টেমকে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করা।
অর্থাৎ ভিনগ্রহী উন্নত প্রযুক্তি কিভাবে কাজ করে,
তা বোঝার জন্য সেটাকে উল্টোভাবে বিশ্লেষণ করা।
আমার ব্যক্তিগত অভিমত অনুযায়ী—
আশ্চর্যের বিষয় হল, এই একই ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ টেকনিকের কথা এখন
এপস্টিন ফাইলসের সাথে জড়িয়ে ‘অ্যাড্রিনোক্রোম থিওরি’-তে উঠে আসছে।
যেভাবে S-4 সাইটে ভিনগ্রহী প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চলত,
ঠিক সেভাবেই কোনও এক অদৃশ্য ল্যাবে মানুষের শরীর এবং জৈব-রাসয়নিক প্রক্রিয়া
নিয়ে চালানো হত ভয়ংকর সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
বিজ্ঞানের ভাষায় ‘অ্যাড্রিনোক্রোম’ হল এমন একটা রাসায়নিক যৌগ,
যা মানবদেহে অ্যাড্রেনালিন অক্সিডাইজড হলে উৎপন্ন হয়।
যখন কোনো মানুষ প্রচন্ড ভয় পায় বা আতঙ্কে থাকে,
তখন তাঁর শরীর থেকে অ্যাড্রিনালিন নিঃসরণ ঘটে।

ষড়যন্ত্র তত্ত্ববাদীদের দাবি,
হলিউডের কিছু প্রভাবশালী তারকা এবং বিশ্বের ক্ষমতাশালী এলিটরা
শিশুদের রক্ত থেকে এই কেমিক্যাল সংগ্রহ করে তা নিজেদের যৌবন
ধরে রাখতে ব্যবহার করেন।
তাঁদের দাবি অনুযায়ী, শিশুদের ভয়ের প্রতিক্রিয়া বড়দের চেয়ে বেশি হওয়ায়
তাঁদের রক্তে এই কেমিক্যাল এর ঘনত্বও বেশি থাকে।
যদিও বিজ্ঞানে এর কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই।
অনেক বিশেষজ্ঞ একে নিছক কল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
তবুও ‘ফাউন্টেন অব ইউথ’ বা অমরত্বের সন্ধানে মত্ত একদল প্রভাবশালী মানুষের
এই ভয়ংকর শখের গল্প ইন্টারনেটে বছরের পর বছর ধরে ঘুরছে।
তবে এই তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে বিতর্ক আজও থামেনি।
এটা কি বাস্তব, নাকি মানুষের ভয় আর ক্ষমতার প্রতি অবিশ্বাসের ফল,
নাকি পর্দার আড়ালে চলা কোনও রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্টের অংশ—
সেই প্রশ্নই আজ বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মৃত্যুর পরও রহস্যে ঢাকা দ্বীপ:
এপস্টিন ফাইলস: জেফ্রি এপস্টিনের মৃত্যুর পর অনেকেই ভেবেছিল—
তাঁর সাধের বা স্বপ্নের (দেখুন) অপরাধপুরীর দ্বীপও শেষ হয়ে যাবে।
কিন্তু বাস্তবে ঘটনা যেন উল্টোদিকে এগোতে থাকে।
বলা হয়েছিল দ্বীপটা এখন খালি।
কিন্তু বিভিন্ন সূত্রে নানা দাবি সামনে আসতে থাকে—
গুগল ম্যাপে অস্পষ্টতা:
কিছু জায়গায় এখনো গুগল ম্যাপে ঝাপসা বা ব্লার করা,
যা অনেকের সন্দেহ বাড়িয়ে দেয়।
তথ্য লোপাটের অভিযোগ:
স্থানীয়দের দাবি, এফবিআই (FBI) অভিযান চালানোর আগেই রাতের অন্ধকারে
বড় বড় ট্রাকে করে কম্পিউটার সার্ভার এবং হার্ড ড্রাইভ সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
রেনোভেশন ও টানেল ভরাট:
এপস্টিনের মৃত্যুর ঠিক পরেই দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হয়।
ভূগর্ভস্থ টানেলগুলো সিমেন্ট দিয়ে ভরাট করে দেওয়া হয়।
প্রশ্ন উঠতে শুরু করে মাটির ৫০ ফুট নিচে এমন কি ছিল,
যা তড়িঘড়ি করে চিরতরে ধামাচাপা দেবার চেষ্টা চলছে?
এপস্টিন ফাইলস:
স্বল্প মূল্যে বিক্রিত দ্বীপ
২০২৩ সালে বিলিয়নিয়ার স্টিফেন ডেকফ এপস্টিনের ‘লিটল ও গ্রেট সেন্ট জেমস
দ্বীপদুটো প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেন,
যা আগের তালিকাভিত্তিক মূল্যের তুলনায় অনেকটাই কম।
সেখানে বিলাসবহুল রিসোর্ট তৈরির পরিকল্পনা থাকলেও মানুষ ভাবছে—
যে মাটিতে এত আর্তনাদ মিশে আছে, অপরাধে মাটি কালো হয়ে গেছে,
সেই স্থানে ভবিষ্যতে কি কেউ সত্যিই ছুটি কাটাতে যাবে?
আমোদ-প্রমোদ করতে যাবে?
নাকি এটাও অপরাধের প্রমাণ ঢেকে ফেলার কোনো ব্যবসায়িক চাল?
মৃত্যুর পর দ্বীপের সেই রহস্যময় টেম্পলের ওপরের সেই সোনালি মূর্তিটাও সরিয়ে ফেলা হয়।
তবুও স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন আছে—
রাতে নাকি এখনও সেখানে অদ্ভুত আলো দেখা যায়।
হানি ট্র্যাপ এবং
স্পাই নেটওয়ার্ক:
আসল নিয়ন্ত্রক কে?
এপস্টিন আইল্যান্ড কি শুধু ব্যক্তিগত আনন্দের জায়গা ছিল,
নাকি এটা ছিল পৃথিবীর অন্যতম ভয়ংকর ‘স্পাই ট্র্যাপ’ বা গোয়েন্দা ফাঁদ?
এই তত্ত্বের একেবারে কেন্দ্রে আছেন মেয়ে ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল আর তাঁর বাবা রবার্ট ম্যাক্সওয়েল।
এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল ছিলেন এই কেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র,
যিনি পরে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন।
তাঁর বাবা রবার্ট ম্যাক্সওয়েল ছিলেন একজন প্রভাবশালী ব্রিটিশ মিডিয়া ব্যবসায়ী,
যার গোয়েন্দা সংস্থার সাথেও যোগাযোগ ছিল—
এমন দাবিও বিভিন্ন আলোচনায় উঠে এসেছে।
অনেক সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার ধারণা—
এপস্টিন কোনো একক অপরাধী ছিলেন না,
তিনি ছিলেন একটা বৃহত্তর অপারেশনের মুখ মাত্র।
এই দ্বীপের প্রতিটা কোনায় নাকি লুকানো ক্যামেরা ছিল।
প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন সেখানে কোনো অপরাধে লিপ্ত হতেন,
তখন তা নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা হত।
আর সেই ভিডিওগুলোই হয়ে উঠতো “স্টার এভিডেন্স।”

এরপর সেই ভিডিও বা তথ্য ব্যবহার করা হতো ব্ল্যাকমেইলের জন্য।
এই তত্ত্বে বলা হয়, এপস্টিনের হাতে ছিল নাকি অসংখ্য ক্ষমতাবান মানুষের গোপন তথ্য।
আর ঠিক এই কারণেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।
হানি ট্র্যাপ কি?
কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, বড় ব্যবসায়ী, সেলিব্রিটি বা এলিট ক্লাসের বিরুদ্ধে যদি
এমন কোনো অকাট্য প্রমাণ হাতে থাকে,
তবে তাকে দিয়ে যে কোনো চুক্তি সই করিয়ে নেওয়া বা কোনো সিদ্ধান্ত করিয়ে নেওয়া
অনেক সহজ হয়ে যায়; একেই বলা হয় হানি ট্র্যাপ।
আলোচিত তত্ত্ব:
গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ
এপস্টিন ফাইলস: কিছু আলোচিত তত্ত্বে এমন কথাও শোনা যায় যে,
এপস্টিনের নেটওয়ার্কের সঙ্গে নাকি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগ থাকতে পারে।
বিশেষ করে ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের নামও বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসছে।

এপস্টিন ফাইলস:
শেষ প্রশ্নটা এখনও খোলা
আজ হয়ত ফাইলগুলো সামনে আসছে,
কিন্তু সেই আসল ব্ল্যাকমেইল করার মত ভিডিওগুলো কি কোনোদিন জনসমক্ষে আসবে?
নাকি পর্দার আড়ালে আজও সেই নিয়ন্ত্রণের খেলা চলছে?
এপস্টিন মারা গেছেন, কিন্তু তাঁর কেস যেন এখনও ছুটে-দৌড়ে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর রাজপথে।
তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ক্ষমতা, রহস্য, ষড়যন্ত্র আর অসংখ্য প্রশ্ন।
শেষ পর্যন্ত সত্য কার হাতে ধরা দেবে—
আইন, ক্ষমতা নাকি ইতিহাস?
এই গল্প এখনও কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেয় না।
শুধু একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন রেখে যায়—
“ক্ষমতার আসল নিয়ন্ত্রণটা আসলে কার হাতে?”
—————–
( তাঁকে দেখতে জনতার ঢল নামে,
আর সেই জনতার ভিড় ছাপিয়ে তাঁর কণ্ঠে ধ্বনিত হয়—
“বন্দেমাতরম!!”
আরেকটা ভয়ংকর বর্ণনা বহুদিন ধরে লোকমুখে প্রচলিত—
যে সেই কাটা মাথা স্পিরিটের বয়ামে ভরে
জেলবন্দী ক্ষুদিরাম বসু-র সামনে এনে রাখা হয়েছিল,
যাতে তিনি ভয়ে এবং ভেঙে পড়ে সব স্বীকার করে নেন
ও গোপন কর্মকাণ্ডের বিষয় প্রকাশ করে ফেলেন।
পড়ুন সেই রুদ্ধশ্বাস কাহিনী।
Click: ক্ষুদিরাম বসু: এক বিশ্বাসঘাতকের জন্য কিভাবে বদলে গেল ইতিহাস? )
এ বিষয়ে আপনি কি মনে করেন?
অবশ্যই জানাবেন আপনার মূল্যবান মন্তব্যে।
[লেখাটা প্রয়োজনীয় মনে হলে অবশ্যই শেয়ার করে
সমাজের অন্যদেরও পড়তে, জানতে সুযোগ করে দেবেন।
ইমেইল আইডি দিয়ে আমাদের বাঙালির পরিবারের একজন
প্রিয় মানুষ হয়ে উঠুন।
চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে বারবার তুলে ধরি—
চিন্তা, চেতনা আর শব্দের শক্তিতে— একসাথে, সবাই মিলে।
বিশ্ব জানুক—
আমাদের ভারত কি?
বাঙালি কি?
বাংলা শব্দের ক্ষমতাই বা কি?]
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।



