Articlesবাংলায় আপনাকে স্বাগত!এই ওয়েবসাইট আপনাদের জন্য একদম নতুন ও আধুনিক ভাবনায় সাজানো হয়েছে।এই একই ওয়েবসাইটে আপনি পাবেন নানান বিষয়ের ওপর গভীর বিশ্লেষণধর্মী, বোধকে নাড়িয়ে দেওয়ার মত দুর্দান্ত ও ব্যতিক্রমী সব লেখা।এখানে প্রতিটা লেখা শুধু পড়ার জন্যে নয়– ভাবনার গভীরে ডুবে যাওয়ার জন্যে। প্রতিটা সৃষ্টি আপনাকে নতুন করে ভাবাবে।আইন থেকে সমাজ। রাজনীতি থেকে প্রযুক্তি। বিজ্ঞান থেকে দর্শন। মনস্তত্ত্ব থেকে ইতিহাস। প্রেম, বিরহ, রহস্য, রোমাঞ্চ। মহাকাশ থেকে মানবমনের গভীর অন্ধকার— অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের অজানা সেইসব সত্য এখানে আলোচনার বিষয়।এই প্ল্যাটফর্মের প্রতিটা লেখা এক একটা যাত্রা। যে যাত্রায় আমাদের বাঙালি পরিবারের প্রিয় ও গুণী পাঠক শুধু দর্শক নয়—সহযাত্রী।একজন প্রকৃত বাঙালি হয়ে, যদি বাংলা শব্দের সেই অনন্ত শক্তিকে জানতে চান, চিনতে চান ও মন-প্রাণ দিয়ে উপলব্ধি করতে চান— তাহলে আপনি একদম ঠিক জায়গাতেই এসেছেন।এখানে কোনো পক্ষপাত নেই। কোনো অন্ধবিশ্বাস নেই। কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় চশমা নেই। আছে কেবল যুক্তি, মনন, এবং মানুষের মঙ্গলচিন্তা।তাই পাশে থাকুন, সাথে থাকুন আমাদের সঙ্গে জুড়ে ‘বাঙালির পরিবার’ হয়ে এক আত্মায়।একজন প্রকৃত বাঙালি হয়ে মানুষের উপকারের স্বার্থে, লেখাগুলোকে এত শেয়ার করুন, যে সমাজের অন্যান্যরাও জানতে পারে, বুঝতে পারে, সচেতন হতে পারে।ইমেইল আইডি দিয়ে "বাঙালি পরিবারের" ঘরের মানুষ হন।চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে বারে বারে তুলে ধরি একসাথে, সবাই মিলে।বিশ্ব জানুক–বাঙালি কি? ভারত কি? বাংলা শব্দের শক্তিই বা কতটা?প্রতিনিয়ত বাঙালির পেজে চোখ রাখুন নতুন নতুন সব গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখা পেতে।ধন্যবাদ!! 🤝 🙏 🙋‍♂️ 👍
Breaking News

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে এগুলো না জানলে বিপদে পড়তে পারেন!

ভুল চিকিৎসা প্রসঙ্গে আজ মূলত এই আর্টিকেলের জন্ম।
একটা সময় ছিল, যখন ডাক্তার শব্দটার মধ্যে ভরসা ছিল, আশ্রয় ছিল।
প্রায় ঈশ্বরের সমান বিশ্বাস ছিল।
আজ সেই বিশ্বাসে ফাটল ধরেছে বেশ কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ী ও নির্দয় মানসিকতার ডাক্তারের কারণে।

ভুল চিকিৎসা:

বিশ্বাসে ফাটল

একটা পচা আলু যেমন গোটা বস্তাটাকেই নষ্ট করে দেয়,
তেমনই এই সংখ্যক ডাক্তারের কারণেই আজ সাধারণ মানুষ আর আগের মতন ডাক্তারদের অন্ধ ভরসা করতে পারে না।

শুধু তাই নয়, বহু মানুষের জীবনে এমনও ভয়ঙ্কর সব অভিজ্ঞতা ঘটেছে,
যা গোটা চিকিৎসাব্যবস্থার ভিত্তিকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

অনেক মানুষ আছেন, যারা সুস্থ হওয়ার আশায় হাসপাতালে গিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন কিংবা স্রেফ ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে প্রিয়জনকে হারিয়েছেন।

আবার অনেক সময় দেখা যায় স্রেফ মুনাফার লোভে মৃতদেহকে আইসিইউতে (ICU) রেখে দিনের পর দিন বিল বাড়ানো হয়েছে।

এমন সব অমানবিক ও নৃশংস ঘটনা যখন সামনে আসে, তখন গোটা ডাক্তারি ব্যবস্থার ভিতই যেন কেঁপে ওঠে।

এই ব্যক্তিগত ট্রাজেডিগুলোই আজ সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষত আর আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে।
ফলে সাদা কোটের প্রতি শ্রদ্ধার বদলে জন্ম নিয়েছে এক চরম অবিশ্বাস।

রোগী না ‘কাস্টমার?’

আজ চিকিৎসা ক্ষেত্রের একটা বড় অংশের রোগী আর ‘রোগী’ নেই— সে এখন ‘কাস্টমার।’
চিকিৎসা নয়, বরং ‘রেভিনিউ মডেল’ অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারণ করছে কী চিকিৎসা হবে?

অপ্রয়োজনীয় টেস্টের খেলা:

  • প্যাথলজি টেস্টের নামে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা।
  • অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগী ধরার প্রতিযোগিতা।
  • ওষুধের দোকান ও ফার্মা কোম্পানির সঙ্গে গোপন চুক্তি।
  • একটা অদৃশ্য কমিশন চক্র যেন পুরো ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

রোগীর চিকিৎসা কোথায় হবে, কোন ডাক্তার দেখবেন—
তা নির্ধারণ করছে চিকিৎসার প্রয়োজন নয়, বরং কে কত কমিশন দিচ্ছে।

ভুল চিকিৎসা:

ভয়ের ব্যবসা

আধুনিক চিকিৎসার একটা বড় অস্ত্র হল ভয়।

মানুষ যখন অসুস্থ হয়, তখন সে সবচেয়ে দুর্বল।
সঙ্গে মানসিকভাবে দুর্বল ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তাঁর পরিবারও।

সেক্ষেত্রে এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে রোগীকে প্রথমেই এমন এক পরিস্থিতির কথা শোনানো হয়,
যাতে তিনি দিশেহারা হয়ে চিকিৎসকের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

( দেখুন ও জানুন সেই ভয়ংকর ভিডিও:

Click: সাবধান! এইসমস্ত হাসপাতালগুলো ভারতীয় রোগীদের লুটে নিচ্ছে, সর্বশান্ত করে দিচ্ছে!!

আরও নিজের চোখে দেখুন, কানে শুনুন:

অপারেশন টার্গেট, বড় হাসপাতাল স্ক্যাম, ক্যানসার ট্রিটমেন্ট!

খরচের ফাঁদ:

বহু ক্ষেত্রেই অভিযোগ ওঠে যে,
চিকিৎসার প্রকৃত খরচের এক বড় অংশ খরচ হয় স্রেফ অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কমিশনের জালে।

উদাহরণস্বরূপ, পেটের সাধারণ গ্যাস, অ্যাসিডিটি বা ছোটখাটো ইনফেকশনের মতো সমস্যাকেও অনেক সময় গুরুতর রোগের ভয় দেখিয়ে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেন তাৎক্ষণিক অপারেশন ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

ফলে রোগী ও তাঁর পরিবার ভয় পেয়ে অপ্রয়োজনীয় খরচের ফাঁদে পা দেন।

আবার একটা অপারেশন, যার জন্য ২ লাখ টাকা নেওয়া হচ্ছে—
তা হয়ত ২০-২৫ হাজার টাকাতেই করা সম্ভব ছিল।

এমনকি ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলোকেও এই চক্রে ছাড় দেওয়া হয় না;
প্রতিবাদ করলেই প্যানেল থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ রাখা হয়।

তাহলে বাকি টাকা কোথায় যাচ্ছে?

  • রেফারেল কমিশন।
  • হাসপাতালের প্যাকেজিং।
  • অতিরিক্ত টেস্ট।
  • ফার্মা ডিল।

এই পুরো প্রক্রিয়াটা এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, অনেকেই এটাকে আর প্রশ্নই করে না।


( চিকিৎসার খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইন থাকলেও,
সব জায়গায় সেই নিয়ম কঠোরভাবে মানা হয় না।

ফলে অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল নিজের মত করে বিল ঠিক করার সুযোগ পায়।

কেন?

সরকারি হাসপাতালে সব সময় সব পরিষেবা পাওয়া যায় না কেন?
কিসের অভাব?

সেক্ষেত্রে সরকার বেসরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভর করবেই বা কেন? 

( সত্যিটা আরও জেনে রাখুন: সরকারি চিকিৎসা: কেন প্রাইভেট হাসপাতালে মানুষ যেতে বাধ্য হচ্ছে? )

ভুল চিকিৎসা:

অ্যাম্বুলেন্স থেকে ওটি

অ্যাম্বুলেন্স থেকে অপারেশন থিয়েটার— একই চক্র।
অনেক ক্ষেত্রে রোগীর প্রথম স্পর্শই হয় অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে, আর সেখানেই শুরু হয় ‘ডিল।’

গাড়ির চালক জানে—
কোন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কত টাকা পাবে।

ফলে রোগীর অবস্থা নয়, কমিশন ঠিক করে দেয় তাঁর গন্তব্য।

এই চক্রে ভুল ডাক্তারের কাছে গিয়ে অনেক মানুষ জীবনও হারিয়েছে।
কিন্তু সেই গল্পগুলো খুব কমই সামনে আসে।

ওষুধ না স্পন্সরশিপ?

এক অদৃশ্য থাবা:

ডাক্তার এবং ওষুধ কোম্পানির (Pharma Companies) এই নেপথ্য সমীকরণটা আজ সেবার গণ্ডি ছাড়িয়ে এক ভয়ংকর ব্যবসায়িক মডেলে পরিণত হয়েছে।

বিষয়টাকে সহজভাবে বিশ্লেষণ করলে যা দাঁড়ায়:

লোভ না নৈতিকতা?

একটা ওষুধ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কোম্পানির অনেক স্বাভাবিক খরচ থাকে।

  • বিজ্ঞাপনী প্রচার।
  • হাজার হাজার কর্মীর বেতন।
  • লজিস্টিক ও মেইনটেনেন্স কস্ট।

এগুলো ব্যবসার অংশ।

কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন,
যখন এই স্বাভাবিক খরচের সীমা ছাড়িয়ে কোম্পানিগুলো ডাক্তারদের খুশি রাখতে রাশি রাশি টাকা ঢালে।

কনফারেন্সের নামে বিদেশ ভ্রমণ, ফাইভ-স্টার হোটেলে থাকা কিংবা দামি উপহার—
সবই এখন এই পেশার অলিখিত অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখন প্রশ্ন হল এই বাড়তি খরচটা তবে আসবে কোথা থেকে?
ওষুধ কোম্পানিগুলো তো আর লোকসান করবে না।

ডাক্তারদের পেছনে করা এই কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ কোম্পানিগুলো উশুল করে ওষুধের দাম বাড়িয়ে।
অর্থাৎ যে ওষুধের উৎপাদন ও পৌঁছানোর খরচ হয়ত ৫-১০ টাকা, তার গায়ে দাম লেখা থাকে ৫০-১০০ টাকা।

অদৃশ্য কমিশন ও

বিলাসিতার বোঝা:

এই যে বাড়তি দামের বিশাল অংশ,
তা কেবল কোম্পানির মেইনটেনেন্স নয়, বরং অনেকটা ‘বিলাসিতার স্পন্সরশিপ’ হিসেবে সেই টাকা আসলে সাধারণ রোগী এবং তাঁর পরিবারকেই দিতে হয়।

অর্থাৎ ডাক্তার যখন কোনো দামি ব্র্যান্ডের ওষুধ লেখেন, তখন রোগী হিসেবে আপনি শুধু সুস্থ হওয়ার মূল্যই দিচ্ছেন না, অজান্তেই ওই বাড়তি দামের মাধ্যমে কোনো বিলাসিতার খরচ জুগিয়ে দিচ্ছেন।

ভুল চিকিৎসা:

সারকথা

ওষুধের চড়া দামের পেছনে স্বাভাবিক খরচের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ‘গিফট কালচার।’

সাধারণ মানুষের অসহায়তাকে কাজে লাগিয়ে পকেট কাটার এই অদৃশ্য আয়োজন বন্ধ হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।
আর ওষুধের দামে সেই বিলাসিতার ছাপ স্পষ্ট।

সিজারের বিস্ফোরণ:

প্রয়োজন না ব্যবসা?

একটা সময় সিজার ছিল জরুরি পরিস্থিতির সমাধান।
আজ তা অনেক জায়গায় ‘ডিফল্ট অপশন’ হয়ে উঠেছে।

আগে যেখানে খুব কম ক্ষেত্রে সিজার হত।
এখন প্রায় সর্বত্রই তা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

কারণটা সহজ—

  • নরমাল ডেলিভারিতে সময় লাগে, আয় কম।
  • সিজারে দ্রুত কাজ, সময় বাঁচে, বেশি আয়। 

ফলে অনেক মায়ের শরীরে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু সবটাই অন্ধকার নয়,

আছে অন্য পথও:

এই চিত্রের মাঝেও কিছু মানুষ দেখিয়েছেন—
নৈতিকভাবে থেকেও বড় হওয়া যায়, লাভ করা যায়।

দেবীপ্রসাদ শেট্টি:

(নারায়ণা হেলথ)

হেনরি ফোর্ডের গাড়ি তৈরির ‘অ্যাসেম্বলি লাইন’ মডেলকে তিনি চিকিৎসার ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন।

প্রতিটা ডাক্তারকে নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ করে তুলে,
একটা সুসংগঠিত টিমওয়ার্কের মাধ্যমে তিনি দিনে প্রচুর পরিমাণে হার্ট অপারেশন করার ব্যবস্থা তৈরি করেছেন।
এর ফলে অপারেশনের খরচ কমেছে বহুগুণ, কিন্তু গুণগত মান ও মুনাফা দুটোই বজায় রয়েছে।

গোবিন্দাপ্পা ভেঙ্কটস্বামী:

(অরবিন্দ আই কেয়ার)

তিনি ম্যাকডোনাল্ডসের সার্ভিস মডেল থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষা নিয়েছিলেন—
যদি তাঁরা কোটি কোটি বার্গার বানাতে পারে, তবে চিকিৎসাও কেন বড় পরিসরে, কম খরচে করা যাবে না?

এই ভাবনা থেকেই তিনি এমন একটা সিস্টেম তৈরি করেন, যেখানে অত্যন্ত কম খরচে,
এমনকি অনেক ক্ষেত্রেই বিনামূল্যে চোখের অপারেশনের ব্যবস্থা করেছেন।

যেখানে অনেক দেশেই এই ধরণের চোখের অপারেশন খরচ আকাশ ছোঁয়া,
সেখানে তিনি তা অবিশ্বাস্যভাবে কম খরচে করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন ও বলা যায় একপ্রকার বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল:

তাঁদের মডেল আরও অনন্য।
তারা রোগীর সমাজকে দুভাগে ভাগ করেছে।

যারা সক্ষম, তাঁদের থেকে সঠিক মূল্য নেওয়া হচ্ছে, আর সেই লভ্যাংশ দিয়েই অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে ক্যান্সারের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

১ লক্ষ টাকার ওষুধকে ১ হাজারে নামিয়ে আনার নিরন্তর লড়াই লড়ছে এই প্রতিষ্ঠান।

স্বল্পমেয়াদি লোভ

বনাম দীর্ঘমেয়াদি আদর্শ:

ব্যবসা করা কোনো অপরাধ নয়, মুনাফা করাও দোষের কিছু নয়।
কিন্তু মানুষের অসহায়তাকে পুঁজি করে শর্টকাট পথে টাকা কামানোর মানসিকতা সমাজকে এক পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

একেবারে সব লুটে নেওয়ার এই ‘মাফিয়া’ সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
যারা আজ ‘স্কেল’ এবং ‘ভলিউম’ বাড়িয়ে সততার সাথে কাজ করছেন, তাঁরাই ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক।

মনে রাখার প্রয়োজন, মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে যে ব্যবসা করা যায় তার ভিত্তি অনেক বেশি মজবুত হয়।

আর যারা কেবল মানুষের ভয়কে পুঁজি করে সম্পদ গড়ছেন,
তাঁরা হয়ত সাময়িক লাভ করছেন, কিন্তু আদতে তাঁরা একটা গোটা জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন।

এর মর্মান্তিক পরিণতি বহন করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। 
আর তার সাথে সেইসব ডাক্তারদের, যারা সততা ও মানবিকতার পথে হেঁটেই পরিশ্রমের সাথে তাঁদের আয় বাড়িয়ে চলেছেন।

এইসব লুটেরা ডাক্তারদের কারণেই, “ডাক্তার ভগবান”—
এই অটুট বিশ্বাসটা আজ ধীরে ধীরে মানুষের মন থেকে প্রায় মুছে যেতে বসেছে।
পাশাপাশি মনের গভীরে বেড়ে উঠছে অশ্রদ্ধা, অবিশ্বাস আর অভক্তি।

এভাবেই চলতে থাকলে সেইসমস্ত ডাক্তাররা ধনী হবেন ঠিকই, কিন্তু এর পরিণাম হবে ভয়াবহ!
মানুষ আর ডাক্তারের এই সম্মান, শ্রদ্ধার সম্পর্কটাই একদিন সংঘর্ষে পরিণত হবে। 


( প্রিয় পাঠকদের কাছে একান্ত অনুরোধ—

সাধারণ মানুষের স্বার্থে লেখা কোনো বিষয়কে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিচার করবেন না।

প্রকৃত লেখার কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয় হয় না।

এই ওয়েবসাইট সবসময় চেষ্টা করে নিরপেক্ষভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরতে,
এবং এর একমাত্র উদ্দেশ্য হল মানুষের উপকারে আসা, সচেতনতা বাড়ানো ও বাস্তব চিত্র সামনে আনা। )

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ:

( হয়ত আপনি এসেছেন দাঁতের সমস্যায়,
সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ তিনঘন্টা লাইনে ঠায় দাঁড়িয়ে আপনি বাড়ি ফিরছেন দুটো প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে।
একটা দাঁতের, অপরটা কোমরের হাড়ের।

সিস্টেম যেন আপনাকে জানায়– 

“অভিনন্দন!
আপনি লাইনে দাঁড়িয়ে সফলভাবে কোমরের ব্যথার অধিকারী হয়েছেন,
এবার পুনরায় লাইনে দাঁড়ান।”

তাই এখুনি জেনে রাখুন সরকারি হাসপাতালের সেই বাস্তবতা,
যেখানে দাদুর লাইনে আজও নাতনি দাঁড়িয়ে আছে ৫ মিনিটে ডাক্তার দেখাবার বিশেষ প্রয়োজনে। 

পড়ুন সেই মশলাদার কাহিনি।
Click: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল: দাদুর লাইনে আজও নাতি কেন? )


( দীর্ঘ ১০-১৫ বছর পর যখন একজন শিক্ষার্থী ডাক্তার হয়ে বের হন,

তখন তাঁর সামনে দুটো পথ খোলা থাকে—
সেবা নাকি মুনাফা?

আজই জেনে রাখুন ভেতরের সেই অজানা কাহিনি,
যা পড়লেই বুঝবেন এটা জেনে নেওয়া আপনার জন্য ঠিক কতটা জরুরি ছিল।
পড়ুন– Click: ভারতের সরকারি হাসপাতাল: ভেতরে কী ঘটে জানলে চমকে উঠবেন!


[ আরও এমনই বিভিন্ন দুর্দান্ত টপিকের ওপরে এরকমই সব
বিশ্লেষণধর্মী লেখা পেতে নিয়মিত আমাদের পেজে চোখ রাখুন।

এবং তা আপনার, আপনার প্রতিবেশি, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় তথা সমাজের জন্য।

এ বিষয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানার অপেক্ষায় রইলাম।

লেখাটা অবশ্যই শেয়ার করে সমাজের অন্যদেরও পড়তে, জানতে সুযোগ করে দেবেন।

ইমেইল আইডি দিয়ে আমাদের বাঙালির পরিবারের একজন
প্রিয় মানুষ হয়ে উঠুন।

চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে সবাই মিলে একসাথে বারবার তুলে ধরি
চিন্তা, চেতনা আর শব্দের শক্তিতে—

একসাথে, সবাই মিলে।

বিশ্ব জানুক—

আমাদের ভারত কি?

বাঙালি কি?

বাংলা শব্দের ক্ষমতাই বা কি? ]

"প্রতিটা নতুন লেখা– সরাসরি ও সবার আগে আপনার ইনবক্সে।

ইমেইল দিয়ে যুক্ত হন বাঙালির পরিবারে।"

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.

About Articlesবাংলা

Articlesবাংলা
Welcome to Articlesবাংলা – a vibrant hub of words, ideas, and creativity.This website is the personal archive and creative expression of Tanmoy Sinha Roy, a passionate writer who has been exploring the art of writing for more than seven years.Every article, prose-poem, and quotation you find here reflects his journey, experiences, and dedication to the written word.Articlesবাংলা aims to inspire readers by offering thought-provoking insights, celebrating the richness of Bengali language and literature, and creating a space where ideas, imagination, and culture connect.Whether you are seeking literary reflections, prose-poems, diverse articles, or meaningful quotations, you are invited to explore, reflect, and be inspired.

Check Also

ভারতের প্রাইভেট হাসপাতালের বিলাসবহুল কক্ষ ও সরকারি হাসপাতালের ভিড়ভাট্টার বাস্তবতার তীব্র পার্থক্য।

ভারতের সরকারি হাসপাতাল: ভেতরে কী ঘটে জানলে চমকে উঠবেন!

সেবা নাকি মুনাফা? ভারতের সরকারি হাসপাতাল সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সবচেয়ে বড় ভরসা। মেডিকেল কলেজে চান্স …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *