লোভ-লালসা:
Corruption বা দুর্নীতি-এর এক প্রধান অঙ্গ হিসেবে “লোভ-লালসা”—
এই শব্দজোড়ার কাছেই মানবসভ্যতার হাজার বছরের সমস্ত শ্রেষ্ঠ অর্জন
বারবার মাথা নত করেছে, ভবিষ্যতেও করবে।
মাসের হিসেব আমরা আজ সহজেই করতে পারি।
বয়স, ব্যাঙ্কে টাকা, শেয়ার, বাজেট, ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্রেতা-বিক্রেতা,
খেলাধুলার স্কোর, প্রতিযোগিতা, রেকর্ড ইত্যাদি এ সব কিছুরই হিসেব করা যায়।
কিন্তু এই লোভ-লালসার কারণে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে কত মানুষ
তাঁর আদর্শ, ন্যায়-নীতি, মানবিকতা আর মর্যাদা নির্দ্বিধায় জুতোর তলায় যে
পিষে মেরে ফেলেছে, তার হিসেব স্বয়ং পৃথিবীও কোনোদিন দিতে পারবে না।
আর কোনো দেশের কাছেই দুর্ভাগ্যবশতঃ এর সরকারি-বেসরকারি কোনো রেকর্ড নেই।

আসলে রাজ্য বা দেশ চালানোর উদ্দেশ্য নিয়ে,
পুঁথিগত ও মানসিক যোগ্যতার সঠিক পরিচয় না দিয়ে,
অর্থ আয়ের জন্য যথার্থ পরিশ্রম না করে, সহজে রাশি রাশি টাকা পেতে কে না চায়?
বিষয়টা কিছুটা এমন—
“নির্বিঘ্নে সমাজ গ্রহণ,
জনগণ বাঁচে দুর্নীতির স্তুপে।
গ্রহণ তো হয় গ্রহণই,
কখনও রাহু, কখনও বা কেতুরূপে!”
অর্থাৎ সিংহাসনে ব্রিটিশ বসুক বা আমাদের দেশীয় কোনও নেতা-মন্ত্রী,
বিষয়টা সেই একই থেকে যায়।
আজ যে নীতি-আদর্শের কথা বলে গলা ফাঠাচ্ছে,
যেই সিংহাসনে চড়ে বসল, সেগুলো যেন মুহূর্তেই চলে গেল ICU- তে।
পরিসংখ্যান বর্তমানে এমন—
৩০ কোটিতে হয়ত ১ জন নেতাজী বা বিবেকানন্দের ১ টা অংশ হয়ে
কোথাও জন্মালেও জন্মাতে পারে।
অর্থাৎ, ১৫০ কোটিতে ৫ জন।
যখন ব্যক্তিগত স্বার্থ জনস্বার্থের ওপরে স্থান পায়, তখন ভেঙে পড়ে সমাজের মেরুদন্ড—
এটা জেনেও নেতা-মন্ত্রীরা তাঁদের মানসিকতায় অটল।
লোভ-লালসায় নেতা-মন্ত্রীরা ভুলে যায় তাঁদের শিকড়, উত্তরসূরিদের প্রতি দায়বদ্ধতা।
অনন্ত মহাবিশ্বের সীমা-পরিসীমা খুঁজে পেলেও,
নেতা মন্ত্রীদের এই লোভ-লালসার সীমা খুঁজে পাওয়া কখনই সম্ভব নয়।
লুটের অতিত বনাম বর্তমান:
আসলে পার্থক্য কিছুই নেই।
ইতিহাসের চাকা যেন একই বৃত্তে ঘুরছে।
আগে বিদেশি শাসকরা Corruption বা দুর্নীতি হিসেবে মূলত বাংলার তথা ভারতের
রাশি রাশি ধনসম্পদ লুটে নিয়েছিল।
আজ সময় বদলেছে,
পোশাক ও শাসকের চামড়ার রঙ বদলেছে, কিন্তু লুটের ধারা আগের মতই রয়ে গেছে।
আগে লুটেছে—
(পড়ুন)পারস্য, আলেকজান্ডার, ইন্দো-গ্রীক, শক, হুন, আরব, সুলতান মাহমুদ, মুহাম্মদ ঘুরি,
মঙ্গোল, তৈমুর লং, ব্রিটিশ প্রভৃতি।
আর এখন লুটছে আমাদেরই রক্তমাংসের এক শ্রেণীর নীতিভ্রষ্ট নেতা
আর মন্ত্রীদের সীমাহীন লোভ-লালসা।

সাধারণ মানুষের হাড় ভাঙা খাটুনির ট্যাক্সের টাকা যখন জনকল্যাণে ব্যয় না হয়ে,
বিদেশের গোপন ব্যাঙ্কে বা আলমারিতে অন্ধকারে জমা হয়,
তখন এই জনপদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তের অন্ধকারে ডুবে যায়।
আর তা জেনেও নেতা-মন্ত্রীরা এমনভাবে না দেখার ভান করেন,
যেন এটাই স্বাভাবিক।
সাধারণ মানুষের হাহাকার তাঁদের কান পর্যন্ত পৌঁছয় না।
এখন শত্রু আর বাইরে নয়, ঘরের শত্রুই বিভীষণ।
কাগজে-কলমে গণতন্ত্রকে অপরূপ সাজে সাজিয়ে রেখে,
গণতন্ত্রের সংজ্ঞাটাই সমূলে উপড়ে দেয় নেতা মন্ত্রীরা।
আলোকবর্ষের পার্থক্য:
এই লোভ-লালসা সংবরণ করতে পারা কোনও নেতা-মন্ত্রীর পক্ষে সম্ভব নয়।
আর সে কারণেই মানুষরূপী নেতা-মন্ত্রী আর মহামানবের পার্থক্য আজীবন এত বেশি।
একজন মহামানব, হাজার হাজার নেতা-মন্ত্রীর সমান হয়,
আর ঠিক সে কারণেই তাঁরা পৃথিবীতে বিরল হয়েই আসে।
একজন মহামানব তাঁর অসীম ত্যাগে লক্ষ-কোটি মানুষের সমান হয়ে ওঠেন।
সেই সিংহপুরুষের আত্মত্যাগ:
একজন মাত্র মানুষ, কয়েক লক্ষ মানুষকে সম্মানে মাতৃভূমির কোলে
শান্তিতে বাঁচিয়ে রাখবেন বলে—
- তৎকালীন সবচেয়ে কঠিন ও সম্মানজনক পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেও,
অনায়াসে দেশের স্বার্থে তা ত্যাগ করে চলে এলেন। - দেশের তথা মানুষের স্বার্থে নির্দ্বিধায় কংগ্রেসের সভাপতির পদ ত্যাগ করলেন।
- অর্থ সংগ্রহ করলেন তিলে তিলে।
- প্রতিদিন সহ্য করলেন ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতার অসহনীয় যন্ত্রণা।
- পুড়লেন অপমান, লাঞ্ছনা ও প্রতারণার আগুনে।
- ত্যাগ করেলেন নিজের যথাসর্বস্ব।
- কবর দিলেন নিজের সুখ, শান্তি, সংসার, খুশি, আনন্দ, চাওয়া-পাওয়া।
অন্যদিকে সেই মহামানবেরই (পড়ুন) আজাদ হিন্দ ফৌজের সম্পত্তি লুটে নিল
অন্য নেতা-মন্ত্রী ও কিছু অর্থলোলুপ নেকড়ে।

কিভাবে চিনবেন
গণতন্ত্রের প্রকৃত মুখ?
একজন প্রকৃত মানুষকে চিনে নেওয়া কঠিন কিছু নয়।
শুধু খেয়াল করবেন—
কোনো নেতা বা মন্ত্রীর Corruption বা দুর্নীতি-এর কথা তুললে
বিপরীত পক্ষের মানুষটা কেমন প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।
যিনি প্রতিবাদকে শ্রদ্ধা করেন বা আপনার কথা শুনে অন্তত রেগে না যান,
বুঝবেন তিনি আজও মনের ভেতর গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রেখেছেন;
তাঁর বিবেক এখনও জাগ্রত।
যদিও এর অন্যান্য কিছু কারনও থাকতে পারে।
আর সাধারণত দুর্নীতির অভিযোগ শুনেই যারা হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন
বা তর্কে জড়িয়ে পড়েন, জানবেন তাঁদের সেই রাগের পেছনে দেশ বা রাজ্য প্রেম নেই,
বরং কোনো না কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ লুকিয়ে আছে।

মানুষের এই সহজ প্রতিক্রিয়াটুকু লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়,
কার চিন্তা সামগ্রিকভাবে সমাজের জন্য, আর কার চিন্তা শুধুই নিজের আখের গোছানোর জন্য।
জনবিস্ফোরণ:
এক নিঃশব্দ সুনামি
লুটপাটের এই আবহের মধ্যেই আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল জনতাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ।
পরিসংখ্যান বলছে—
ভারতে প্রতিবছর আনুমানিক ২.৩ কোটি থেকে ২.৫ কোটি নতুন মানুষ জন্ম নিচ্ছে,
যা প্রায় পুরো অস্ট্রেলিয়ার সমপরিমাণ।
অর্থাৎ প্রতি এক বছরে একটা আস্ত অস্ট্রেলিয়া ভারতের মধ্যে জন্ম নিচ্ছে।
———————–
( সুন্দরবনের বুক চিরে যখন একের পর এক ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ে,
যখন নোনা জলে ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়,
তখন সেখানে পর্দার কোনো নায়ক, গায়ক বা কবি উদ্ধার করতে আসেন না।
সমাজ কি তবে আজ এতটাই গ্ল্যামার-সর্বস্ব হয়ে পড়ল যে,
আমরা আমাদের পরম বন্ধু গাছ বা নদী বাঁচানোর কারিগরদের চেয়ে
দু’ঘণ্টার বিনোদনকেই বড় করে দেখলাম?
কাদের পাওয়া উচিৎ ছিল রাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মান বঙ্গবিভূষণ?
জেনে নিন ভেতরের আসল কাহিনী।
Click: পশ্চিমবঙ্গের বঙ্গবিভূষণ ২০২৬: সিদ্ধান্ত কি ১০০ ভাগই নির্ভুল? )
কর্মসংস্থানের হাহাকার,
ও অনিশ্চয়তার অর্থনীতি:
একদিকে নতুন প্রজন্মের চাকরির হাহাকার, অন্যদিকে টিকে থাকা কাজগুলো হারানো—
এই দুই মিলে আমাদের সমাজকে এক গভীর অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
আর এর ভবিষ্যৎ এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে চলেছে।
তবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে এই সংখ্যার চাপ আরও বেড়ে যাবে।
প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ বিদ্যমান চাকরি হারাচ্ছে,
সে তুলনায় চাকরি প্রাপ্তির নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান স্পষ্ট নয়।
ফলে স্থায়ী, নিরাপদ ও মানসম্মত কর্মসংস্থানের ঘাটতি যে তীব্র হচ্ছে,
তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

গ্রামে এই সমস্যা সবচেয়ে বড়—
জনসংখ্যার বৃদ্ধি গ্রামাঞ্চলে বেশি, অথচ চাষযোগ্য জমিও সীমিত।
২০২১-২২ সালের সরকারি ভূমি-ব্যবহার তথ্য অনুযায়ী,
ভারতের মোট ভৌগলিক এলাকা প্রায় ৩২৮.৭ মিলিয়ন হেক্টর।
এর মধ্যে প্রায় ১৪১ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে নিয়মিত নিট চাষাবাদ হয়।
অর্থাৎ, দেশের খাদ্য উৎপাদনের প্রধান ভরসা এই সীমিত ১৪১ মিলিয়ন হেক্টর জমি।
কিন্তু জনসংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে, জমির পরিমাণ নয়।
বরং শিল্পায়ন, নগরায়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে
চাষযোগ্য জমির ওপর চাপ আরও বাড়ছে।
তাহলে এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে—
যখন একই জমিকে আরও বেশি মানুষকে খাদ্য জোগাতে হবে,
তখন উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ছাড়া উপায় কি?
অর্থাৎ, সমস্যা শুধু “জমি টিকবে কি টিকবে না” নয়—
সমস্যা হল, সীমিত জমি বনাম (পড়ুন) ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও চাহিদার ভারসাম্য।
শহরাঞ্চলেও সমস্যা কম নয়।
নগরায়ন দ্রুত বাড়ছে,
প্রযুক্তি ও শিল্পের সুযোগ থাকলেও কর্মসংস্থান ও বাসস্থানের সমন্বয় এখনও অসম্পূর্ণ।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী—
দেশে প্রতিবছর আনুমানিক ৭-৮ মিলিয়ন নতুন নন-ফার্ম (কৃষি ছাড়া) কাজ
তৈরি করতে হবে শুধু কর্মশক্তির চাহিদা মেটাতে।
একই সময়ে নিজ উদ্যোগে কাজের সংখ্যা বাড়ছে, তবে তা পর্যাপ্ত নয়।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী—
সার্ভিস সেক্টর গত কয়েক বছরে প্রায় ৪০ মিলিয়ন নতুন কাজ যোগ করেছে বলে দাবী করছে।
এখন তা কতটা বাস্তবসম্মত, সাধারণ মানুষের পক্ষে যাচাই করা কঠিন।
পশ্চিমবঙ্গেও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়।
ঋণের বোঝা ও উন্নয়নের বাস্তবতা:
২০১০-১১ সালে যেখানে পশ্চিমবঙ্গের দেনা ছিল প্রায় ১.৯ লক্ষ কোটি টাকা,
তা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ লক্ষ কোটি টাকার কাছে।
অর্থাৎ এই ঋণ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের টাকা থেকেই রাজ্য নেয়,
বা বলা যায়— কারণ রাজ্যের ঋণ পরিশোধের দায় শেষ পর্যন্ত করদাতাদের
ওপরেই বর্তায়।
বাজেটের সংখ্যা অডিটেড হলেও, বরাদ্দ ও বাস্তব ফলাফলের মধ্যে ব্যবধান থেকেই যায়।
তাই শুধু বরাদ্দ দেখে উন্নয়ন বিচার করা যায় না।
সমাধান কোথায়?
তাহলে কি সব শেষ?
লোভ লালসার এই অন্ধকারে কি আলো নেই?
ইতিহাস বলছে—
অন্ধকার যত গভীর হয়েছে, প্রতিবারই কোথাও না কোথাও এক টুকরো আলোর জন্ম হয়েছে।
কখনও তা এসেছে একক মানুষের ত্যাগে, কখনও বা জনতার সম্মিলিত জাগরণে।
গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি সিংহাসনে নয়, সচেতন নাগরিকের বিবেকে।
যে সমাজ প্রশ্ন করতে শেখে,
তথ্য যাচাই করতে শেখে,
ব্যক্তিপূজোর বদলের নীতিকে গুরুত্ব দেয়—
সে সমাজ দীর্ঘজীবী, সুস্থ-স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ হয়।
সেই সমাজকে দীর্ঘদিন প্রতারিত করা যায় না।
আজ বড্ড প্রয়োজন তিনটি জিনিস:
প্রথমত: সচেতনতা
সরকারি হিসেব, প্রকল্প—
এসব অন্ধভাবে বিশ্বাস নয়, বুঝে দেখা দরকার।
দেশ হোক বা রাজ্য—
অডিট, তথ্যের অধিকার আইন, নাগরিক অংশগ্রহণ—
এসব কাগুজে শব্দ নয়, এগুলোই গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ।
দ্বিতীয়ত: নৈতিক সাহস
Corruption বা দুর্নীতি-এর প্রতিবাদ মানেই দল বিরোধীতা নয়।
আবার দেশপ্রেম মানে অন্ধ সমর্থন নয়— ভুলকে ভুল বলা।
তৃতীয়ত: আত্মসমালোচনা
নেতারা সমাজ থেকেই উঠে আসেন।
আমরা যদি ব্যক্তিগত জীবনে সুবিধাবাদী হই, অসততা মেনে নিই,
তাহলে বৃহৎ দুর্নীতির বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়ে আজীবন
রাজপথেই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবে।

জনসংখ্যা, কর্মসংস্থান, জমির সংকট—
এসব বাস্তব সমস্যা।
কিন্তু এগুলো অমীমাংসিত থেকে যায় তখনই, যখন নীতির চেয়ে স্বার্থ বড় হয়ে ওঠে।
একটা রাজ্য বা রাষ্ট্র কেবল অর্থনীতি দিয়ে টিকে থাকে না, টিকে থাকে বিশ্বাসের উপর।
আর সেই বিশ্বাস ভেঙে গেলে উন্নয়ন সংখ্যায় বাড়লেও, সমাজ ভেতর থেকে ফাঁপা হয়ে যায়।
( আমরা সবাই জানি— ট্যাক্স দিতে হয়।
কিন্তু খুব কম মানুষ জানে,
- কতটা দিতে হয়।
- কতবার দিতে হয়।
- আর না বুঝেই বা কতখানি চলে যায়।
জানেন একজন ভিক্ষুক, তিনিও ছাড় পান না এই ট্যাক্স থেকে?
জেনে নিন ভেতরের সমস্ত তথ্য ও গল্প-কাহিনী।
Click: GST-র চক্রব্যূহ: একই ভারতের ভিতরে তিনটে ভারত– কিভাবে সম্ভব? )
আপনি কি আমাদের সাথে এক মত?
অবশ্যই জানাবেন আপনাদের মূল্যবান মন্তব্য।
[ লেখাটা প্রয়োজনীয় মনে হলে অবশ্যই শেয়ার করে
সমাজের অন্যদেরও পড়তে, জানতে সুযোগ করে দেবেন।
ইমেইল আইডি দিয়ে আমাদের বাঙালির পরিবারের একজন
প্রিয় মানুষ হয়ে উঠুন।
চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে বারবার তুলে ধরি—
চিন্তা, চেতনা আর শব্দের শক্তিতে— একসাথে, সবাই মিলে।
বিশ্ব জানুক—
আমাদের ভারত কি?
বাঙালি কি?
বাংলা শব্দের ক্ষমতাই বা কি? ]
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।


