Earthquake Kolkata (ভূমিকম্প):
কলকাতা কি বিপদে আছে?
ভূমিকম্প কাকে বলে?
Earthquake Kolkata (ভূমিকম্প):
সহজ কথায় বলতে গেলে,
আমরা যে বিশাল মাটির ওপর দাঁড়িয়ে আছি, তা কিন্তু একখণ্ড অখন্ড জমি নয়।
পৃথিবীর উপরিভাগ অনেকগুলো ছোট-বড় (বিশাল বিশাল) পাথরের টুকরো দিয়ে তৈরি,
যেগুলোকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘টেকটনিক প্লেট।’
এই প্লেটগুলো স্থির থাকে না।
এরা মূলত পৃথিবীর অভ্যন্তরে ম্যান্টলের ওপরের অংশ অ্যাসস্থেনোস্ফিয়ার
(Asthenosphere)-এর ওপর ভাসছে।
অনেকটা আঠালো বা অর্ধ-তরল অবস্থায় থাকে এই স্তর থাকে, যেখানে প্রচণ্ড তাপে
পাথর গলে উত্তপ্ত ম্যাগমা অবস্থায় থাকে।
এই সান্দ্র স্তরের ওপর ভেসে থাকা টেকটনিক প্লেটগুলো প্রতিনিয়ত একে অপরের দিকে
এগোচ্ছে বা দূরে সরছে।

এর ফলে যখন দুটো বিশাল প্লেটের মধ্যে ধাক্কা বা ঘষা লাগে,
তখন সেখানে প্রচন্ড শক্তির সৃষ্টি হয়।
আর সেই জমা হওয়া শক্তি যখন হঠাৎ করে বেরিয়ে আসে তখনই চারপাশ কেঁপে ওঠে,
আর এই কম্পনকেই বলা হয় ভূমিকম্প।
Earthquake Kolkata (ভূমিকম্প):
আসলে কিভাবে হয়?
পৃথিবীর ওপরের শক্ত, ছোট-বড় খণ্ডে ভাঙা পাথরের খোলসকে বলা হয় ‘লিথোস্ফিয়ার।’
এই স্তরটা একটানা নয়, এটা কয়েকটা বড় ও ছোট শক্ত খন্ডে ভাঙা—
এগুলোই টেকটনিক প্লেট।
প্লেটগুলো খুব ধীরে (প্রতি বছরে কয়েক সেন্টিমিটার) নড়াচড়া করে।
কোথাও তারা একে অপরকে ধাক্কা দেয়,
কোথাও একে অপরের থেকে দূরে সরে যায়, কোথাও বা আবার পাশাপাশি ঘষে চলে।
প্লেটের সীমানা বা তার ভেতরের দুর্বল রেখাকে বলা হয়ে থাকে ফল্ট।
দীর্ঘদিন ধরে এই ফল্ট বরাবর চাপ (Tectonic Stress) জমতে থাকে।
যখন জমে থাকা চাপ শিলার সহ্যক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়,
তখন হঠাৎ করে শিলা ভেঙে বা সরে যায়।
এই হঠাৎ সরে যাওয়ার মুহূর্তে যে শক্তি তরঙ্গ আকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে,
আর এর ফলেই ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়।

ভূমিকম্পের উৎসস্থল মাটির নিচে যে বিন্দুতে ভাঙন ঘটে,
তাকে বলে হাইপোসেন্টার (Focus).
এর ঠিক ওপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দু হল এপিসেন্টার।
ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude)—
যেমন Mw (Moment Magnitude Scale)/ রিখটার স্কেল—
মুক্ত শক্তির পরিমাণ বোঝায়।
আর তীব্রতা (Intensity) বোঝায় নির্দিষ্ট স্থানে কম্পনের প্রভাব কতটা অনুভূত হয়েছে,
(যেমন Modified Mercalli Scale).
একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
একই মাত্রার ভূমিকম্প দুই শহরের ভিন্নভাবে অনুভূত হতে পারে।
কারণ স্থানীয় মাটি, গভীরতা, দূরত্ব এবং নির্মাণশৈলী—
সবই কম্পনের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে।
বেসিন ও সেডিমেন্ট:
কলকাতার মাটির নিচের অবস্থা
কলকাতার ভূ-তাত্ত্বিক গঠন একটু অন্যরকম।
কলকাতা অবস্থিত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের পলিমাটির ওপর।
এর মাটির গঠন নিয়ে প্রধান ৩ টে তথ্য আপনার জানা প্রয়োজন।
১. পলিমাটির স্তর
(Sedimentary Layer):
কলকাতার নিচে কয়েক কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত শুধু পলিমাটি এবং কাদা।
নিচে কোনো কঠিন শিলা কাছাকাছি নেই।
২. কম্পনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়া
(Amplification):
নরম পলিমাটি হওয়ার কারণে দূরবর্তী কোনো ভূমিকম্পের তরঙ্গ যখন কলকাতায় পৌঁছায়,
তখন এই নরম মাটি কাঁপলে সেই কম্পনের তীব্রতা বেড়ে যায়।
এটাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘লোকাল সাইট ইফেক্ট’ (Local Site Effect) বলে।
লিকুইফ্যাকশন
(Liquefaction):
ভূমিকম্পের তীব্র কম্পনে জলকাদা মেশানো নরম মাটি হঠাৎ করে তার শক্তি হারিয়ে
তরল পদার্থের মত আচরণ করে।
এর ফলে মাটির ওপর থাকা বাড়িঘর বা রাস্তাঘাট তাসের ঘরের মত ধসে বা
বসে যেতে পারে, কিংবা হেলে পড়তে পারে।
অনেকটা চোরাবালির মত অবস্থা তৈরি হয়।
আর এই অবস্থা বিশেষত বহুতল ভবনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
অর্থাৎ দূরে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হলেও কলকাতায় দুলুনি তুলনামূলকভাবে
বেশি লাগতে পারে।

ভারতের ভূমিকম্প মানচিত্র (Seismic Zoning Map of India)
অনুযায়ী দেশকে প্রধান ৪ টে জোনে ভাগ করা হয়েছে:
- জোন II— তুলনামূলক কম ঝুঁকি।
- জোন III— মাঝারি ঝুঁকি।
- জোন IV— উচ্চ ঝুঁকি।
- জোন V— অতি উচ্চ ঝুঁকি।
এখন কলকাতা জোন—IV (High Damage Risk Zone),
অর্থাৎ শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে বড় ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে এমন জোনে পড়েছে।
Earthquake Kolkata (ভূমিকম্প):
কেন কলকাতা জোন—IV?
কলকাতা এবং এর আশেপাশের এলাকা (বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা)
বেঙ্গল বেসিনের এমন একটা অংশে দাঁড়িয়ে,
যেখানে মাটির নিচে বড় ধরনের চ্যুতি বা ফল্টলাইন (যেমন: ইওসিন হিঞ্জ)
থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তাই এখানে মাঝারি থেকে বড় মাপের ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবসময়েই বেশি।
——————–
( সভ্যতার অহংকার যখন প্রকৃতির সহিষ্ণুতার সীমাকে লঙ্ঘন করে,
তখন পৃথিবী আর সংলাপ করে না, ঘোষণা করে –“রায়।”
- কেদারনাথ ঘটনা থেকেও আমরা শিক্ষা নিতে পারিনি।
- আমরা শিক্ষা নিতে পারিনি আম্ফান সাইক্লোন থেকে।
- অস্ট্রেলিয়ার দাবানল থেকে।
- পাকিস্থানের বন্যা থেকে।
- ইউরোপের হিটওয়েভ থেকে।
কলকাতা ও সুন্দরবন এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মারাত্মক
বিপদের গ্রাসে ঝুলে আছে।
কি করছি আমরা, নেতা-মন্ত্রীরা প্রকৃতির সাথে?
কি হতে পারে এর ভয়ঙ্কর পরিণাম জানেন?
এখুনি পড়ুন, জেনে রাখুন।
Click: Kolkata Picture: বিশ্ব উষ্ণায়ন– কলকাতা কি রেহাই পাবে? )
কলকাতায় ভূমিকম্পের উৎসস্থল:
এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে।
এদিকে সাতক্ষীরা থেকে কলকাতা ১০০ কিলোমিটারের কাছে।
সাতক্ষীরার এই কম্পনের মূল কারণ হল বেঙ্গল বেসিনের গভীরে থাকা ফল্টলাইন বা চ্যুতি।
যখন এই প্লেটগুলোর মধ্যে প্রচন্ড চাপ তৈরি হয় এবং পাথর বা শিলা সইতে পারে না,
তখন তা হঠাৎ ফেটে গিয়ে শক্তি নির্গত করে।
আর সেই শক্তিই তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে সাতক্ষীরা হয়ে কলকাতায় পৌঁছেছে।
বিজ্ঞান কি বলে?
যখন সাতক্ষীরার পাশে উৎপন্ন কম্পন তরঙ্গ ১১৭ কিমি পথ পেরিয়ে কলকাতায় আসে,
তখন এই নরম পলিমাটি সেই তরঙ্গকে শুষে নেওয়ার বদলে আরও বাড়িয়ে দেয়।
ঠিক যেমন জেলিভর্তি থালা নাড়ালে জেলি অনেকক্ষণ ধরে কাঁপে,
কলকাতার মাটিও তেমনি আচরণ করেছিল।
ইওসিন হিঞ্জ ও
সাতক্ষীরার সংযোগ:
সাতক্ষীরা থেকে কলকাতার এই অঞ্চলের নিচ দিয়ে একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূ-তাত্ত্বিক রেখা গেছে,
যাকে বলা হয় ইওসিন হিঞ্জ।
এটা মূলত একটা গভীর ঢাল।
এই লাইনের আশেপাশে যে কোনো ছোট নড়াচড়া বড় ধরনের কম্পন তৈরি করতে পারে।
১১৭ কিমি দূরত্ব এই লাইনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল।
আবার কি হতে পারে?
(বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা ও ঝুঁকি)
সাতক্ষীরা থেকে ১৭ কিমি দূরত্বে মাটির গভীরে হওয়া এই কম্পন প্রমাণ করে যে
আমাদের পায়ের নিচের মাটি স্থির নেই।
আফটার শক (Aftershock):
একটা মাঝারি বা বড় কম্পনের পর ছোট ছোট কিছু কম্পন বা ‘আফটার শক’ হওয়া স্বাভাবিক।
তবে তা মূল কম্পনের চেয়ে কম শক্তিশালী হয়।
বড় ফাটলের আশঙ্কা:
- ভূতাত্ত্বিকদের মতে, হিমালয় এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের প্লেট বাউন্ডারিতে
প্রচুর শক্তি জমা হয়ে আছে। - সাতক্ষীরার মত ছোট কম্পনগুলো ভবিষ্যতের কোনো বড় বিপদের
আগাম সংকেত হতে পারে। - কলকাতা সিসমিক জোন—IV-এ থাকায় আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে।

কি করা উচিত?
বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ:
১১৭ কিলোমিটার দূরত্বের এই কম্পন আমাদের শিখিয়ে দিল যে, বিপদ খুব কাছেই।
তাই নিচের কাজগুলো অত্যন্ত জরুরী:
ভবন নির্মাণ:
সাতক্ষীরা বা কলকাতার মত নরম মাটির জায়গায় বাড়ি করার সময় ‘পাইল ফাউন্ডেশন’
এবং ‘ভূমিকম্প বিরোধী ফ্রেম’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
আপনার বাড়ির কাঠামো কম্পন সহ্য করার মত কিনা,
তা একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে পরীক্ষা করান।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ:
কম্পন অনুভূত হওয়া মাত্র গ্যাস ও মেইন সুইচ বন্ধ করার অভ্যেস করুন।
কারণ ভূমিকম্পের চেয়েও ভূমিকম্প পরবর্তী অগ্নিকাণ্ড বেশি বিপজ্জনক হয়।
লিকুইফ্যাকশন সচেতনতা:
কলকাতা ও সাতক্ষীরার মাটিতে জলীয় ভাগ বেশি,
তাই বড় কম্পনে মাটি নরম হয় ধসে যেতে পারে।
বাড়ির আশেপাশে খুব বেশি গভীর টিউবওয়েল বা বোরিং করার ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলুন।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬.
শুক্রবার দুপুর ১.২২ মিনিট নাগাদ কলকাতায় এই কম্পন থেমে যাওয়াকে নিশ্চিন্ত
জীবন মনে করে ভুল করবেন না।
আসলে এই কম্পনটাই প্রমাণ করেছে যে বঙ্গীয় অববাহিকার ফল্ট লাইনগুলো সক্রিয় হচ্ছে।
১১৭ কিমি দূরত্ব একটা ভূমিকম্পের তরঙ্গের জন্য মাত্র কয়েক সেকেন্ডের পথ।
তাই প্রস্তুতিই আমাদের একমাত্র রক্ষা।
Earthquake Kolkata (ভূমিকম্প):
এখন আমাদের করণীয় কি?
সব ক্ষমতা মানুষের হাতে থাকে না।
তাই এই ভূমিকম্প আটকানোর ক্ষমতা মানুষের নেই, কিন্তু ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।
১. নির্মাণ সচেতনতা:
নতুন বাড়ি তৈরির সময় মাটি পরীক্ষা (Soil Test) এবং ভূমিকম্প বিরোধী নকশা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
২. কাঠামো নিরীক্ষণ:
পুরনো বা জীর্ণ বাড়ির স্ট্রাকচারাল অডিট (Structural Resistance Design) করানো উচিত,
যাতে বড় কম্পনে তা তাসের ঘরের মত ভেঙে না পড়ে।

৩. তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ:
- কম্পন শুরু হলে লিফট ব্যবহার করবেন না।
- শক্ত টেবিল বা খাটের নিচে আশ্রয় নিন।
- যদি খোলা জায়গায় থাকেন, তবে ইলেকট্রিক পোল বা বড় বিল্ডিং থেকে দূরে থাকুন।
৪. জরুরী কিট:
ব্যাগে টর্চ, শুকনো খাবার, এবং জরুরি ওষুধ সবসময় প্রস্তুত রাখুন।
আমরা কিন্তু সত্যিই এক অত্যন্ত সংবেদনশীল মাটির স্তরের ওপরে দাঁড়িয়ে আছি।
আতঙ্কিত না হয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে সচেতন থাকাই আমাদের একমাত্র ঢাল।
পরিশেষে বলা যায়, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ভূমিকম্প কেবল একটা
প্রাকৃতিক ঘটনাই শুধু নয়, বরং প্রকৃতি থেকে দেওয়া আমাদের এক সতর্কবার্তা।
( বি: দ্র: ভারতের ‘ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস’ (BIS) অনুযায়ী কলকাতা
‘জোন– III’ (Moderate Risk) এর মধ্যে পড়ে।
কিন্তু বৈজ্ঞানিক সতর্কতায় জোন– IV, অর্থাৎ ভূতাত্ত্বিকরা বারবার সতর্ক করছেন যে,
কলকাতার গঠন এবং এর নিচ দিয়ে যাওয়া ‘ইওসিন হিঞ্জ’ (Eocene Hinge)-এর কারণে
একে জোন– IV (উচ্চ ঝুঁকি) হিসেবে গণ্য করা উচিৎ। )
( এ পৃথিবীতে মোট জলের পরিমান যদি ধরা হয় ১০০%.
- এর প্রায় ৯৭% জল রয়েছে সমুদ্র ও মহাসাগরে– যা লবনাক্ত।
- বাকি মাত্র ৩% হল মিষ্টি জল।
এখন এই ৩% মিষ্টি বা পানযোগ্য জলকে যদি হিসেবের সুবিধার্থে ধরে নেওয়া যায় ১০০%, তবে এর মধ্যে–
- প্রায় ৬৮-৬৯% হিমবাহ ও তুষার হিসেবে জমে কঠিন অবস্থায় আছে।
- প্রায় ৩০% ভূগর্ভস্থ জল।
- আর মাত্র প্রায় ০.৩% নদী, হ্রদ ও অন্যান্য ভূপৃষ্ঠস্থ জল।
অর্থাৎ পৃথিবীর মোট জলের হিসেবে সহজলভ্য ভূপৃষ্ঠ মিষ্টি জল দাঁড়ায়
আনুমানিক ০.০১%-০.০৩%.
এবারে নিজেই চিন্তা করে দেখুন–
আমরা ঠিক কতটুকু পানযোগ্য জল পৃথিবী থেকে পাচ্ছি।
কি ভয়াবহ পরিস্থিতির বুকে দাঁড়িয়ে আছি।
আরও জানুন ভেতরের কাহিনী, কি পরিস্থিতি আমরা তৈরি করছি
একটু একটু করে।
পড়ুন– Click: Oxygen, Drinking Water: আমরা কি আদৌ এদের বাঁচাতে পারবো? )
[ লেখাটা অবশ্যই শেয়ার করে সমাজের অন্যদেরও পড়তে,
জানতে সুযোগ করে দেবেন।
এতে সমাজ সচেতনতা সবার মধ্যে বেশি করে গড়ে উঠুক,
নেতা-মন্ত্রীর দামি কান পর্যন্ত পৌঁছাক।
আমাদের বিপদ কমুক, পৃথিবীটা বাঁচুক।
ইমেইল আইডি দিয়ে আমাদের বাঙালির পরিবারের একজন
প্রিয় মানুষ হয়ে উঠুন।
চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে বারবার তুলে ধরি—
চিন্তা, চেতনা আর শব্দের শক্তিতে— একসাথে, সবাই মিলে।
বিশ্ব জানুক—
আমাদের ভারত কি?
বাঙালি কি?
বাংলা শব্দের ক্ষমতাই বা কি? ]
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।



