উৎসবের আলো বনাম
শ্মশানের নিস্তব্ধতা:
ভারতের জিডিপি: আজকের ভারত এক অদ্ভুত দ্বিচারিতার উপর দাঁড়িয়ে।
একদিকে যখন চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে তেরঙা পতাকার আস্ফালন হচ্ছে,
ঠিক তখনই ভারতের ফুটপাতে শুয়ে থাকা ক্ষুধার্ত শিশুর কান্না
সেই গর্বিত আওয়াজকে উপহাস করছে।
আমরা (পড়ুন) ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন দেখি,
কিন্তু সেই স্বপ্নের ইমারত গড়া হয় কোটি কোটি কর্মহীন যুবকের দীর্ঘশ্বাসের উপর।
এমনকি এই স্বপ্নের সমান্তরালে দেশের ঋণের বোঝাও (Debt-to-GDP-ratio) আজ
এক উদ্বেগজনক উচ্চতায় পৌঁছেছে,
যার পরোক্ষ ভার শেষ পর্যন্ত বইতে হচ্ছে সাধারণ করদাতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই।

ভারতের জিডিপি গ্রাফ যখন ওপরের দিকে ওঠে,
তখন ডাস্টবিনে খাবারের সন্ধানে ঘোরা কোনও বৃদ্ধের থালার শূন্যতা আড়ালেই থেকে যায়।
ভারতের প্রগতি আজ এমন এক সুতোয় ঝুলছে, যার একদিকে
রাতের শহরের আলো চাঁদ হয়ে ভারতকে আলোকিত করছে,
মেট্রো নিরন্তর ছুটছে নিজের ছন্দে, স্টার্টআপের বিলবোর্ড ক্রমশঃ উঁচুতে উঠছে।
আর অন্যদিকে ধুঁকতে থাকা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, বিষাক্ত বাতাস,
যুবসমাজের উচ্চ বেকারত্ব, বছরের পর বছর ঝুলে থাকা মামলা
আর ক্রমশ তীব্রতর সামাজিক মেরুকরণ।
এই বৈপরীত্যই আজকের ভারতের কঠিন বাস্তব।
ভারতের জিডিপি: উন্নয়নের ভাষ্য যত জোরালো,
ততই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে কিছু মৌলিক ক্ষেত্র এখনও দুর্বল—
এবং সেগুলোই নির্ধারণ করবে আগামী দশকের দিকনির্দেশ।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতের প্রায় ৮% হারের জিডিপি বৃদ্ধির কথা সরকারি
পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।
কিন্তু ভারতের জিডিপি বৃদ্ধিই উন্নয়নের একমাত্র মানদণ্ড নয়।
কর্মসংস্থান, মানবসম্পদ, পরিবেশ ও ন্যায়বিচারের মানই শেষ পর্যন্ত
একটা দেশের ভবিষ্যৎ ঠিক করে।
কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি:
স্বপ্নের অপমৃত্যু,
মেধার পাচার
ভারতের শ্রমবাজারের বাস্তবতা বুঝতে হলে সরকারি পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে
[পড়ুন– Periodic Labour Force Survey (PLFS)]-এর তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।
সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী সামগ্রিক বেকারত্বের হার কমার দাবি করা হলেও,
যুবকদের মধ্যে বেকারত্ব এবং কর্মসংস্থানের গুণগত মান নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ থেকেই গেছে।
ডিগ্রি হাতে কয়েক কোটি যুবক আজ রাজপথে ঘুরছে,
কিন্তু বাজারের কাছে তাঁদের জন্য কোনও সম্মানজনক কাজ নেই।
শিক্ষিত বেকারত্বের হার আজ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে,
পিয়নের পদের জন্য পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা লাইন দিচ্ছে।

উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যেও বেকারত্বের হার অশিক্ষিতদের তুলনায় বেশি—
যা দক্ষতার সঙ্গে বাজারের চাহিদার অসামঞ্জস্যকে স্পষ্ট করে।
আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হল অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান।
ভারতের প্রায় ৯০% শ্রমিক এখনও অসংগঠিত খাতে কাজ করে,
যেখানে সামাজিক সুরক্ষা, স্থায়ী আয় বা পেনশন কাঠামো নেই।
নারী শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা বেড়েছে বটে,
কিন্তু তা এখনও কাঙ্ক্ষিত স্তরে পৌঁছায়নি।
শিক্ষিত বেকারত্ব:
ডিগ্রি আছে, কাজ নেই
আমাদের দেশ আজ এমন এক ক্লান্তিকালে যেখানে মেধাবীরা আর দেশে থাকতে চাইছে না।
মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা দেখছে—
দেশে না আছে গবেষণার পরিকাঠামো, না আছে মেধার যোগ্য সম্মান।
ফলে বাধ্য হয়ে ‘ব্রেন ড্রেন’ বা মেধা পাচার ঘটছে।
আইআইটি বা আইআইএম-এর সেরা মাথাগুলো আজ সিলিকন ভ্যালি
বা ইউরোপের কোম্পানিগুলোর সম্পদ।

ভারতের ট্যাক্সের টাকায় শিক্ষিত হওয়া মেধা আজ বিদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করছে,
আর আমরা পড়ে থাকছি এক বিশাল অদক্ষ শ্রমিকের বাহিনী নিয়ে।
যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ‘রিভার্স ব্রেন ড্রেন’ (Reverse Brain Drain) বা মেধাবীদের
দেশে ফেরার এক ক্ষীণ প্রচেষ্টার কথা শোনা যাচ্ছে, এবং কিছু সফল স্টার্টআপের
হাত ধরে মেধাকে ঘরে ফেরানোর গল্প বোনা হচ্ছে;
কিন্তু সেই সংখ্যাটা এতটাই নগণ্য,
যে তা ভারতের বিশাল শিক্ষিত যুবসমাজের বেকারত্ব আর মেধার অপচয়কে
আড়াল করতে পারছে না।
ফলে প্রশ্ন থেকেই যায়— ভারতের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্য কবে এই দেশ প্রকৃত
‘সুযোগের ভূমি’ হয়ে উঠবে?
আয়ের বৈষম্যও আজ আকাশচুম্বি, আলোচনার কেন্দ্রে।
ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি ল্যাব (পড়ুন– World Inequality Lab)-এর এক রিপোর্টে—
যেখানে অর্থনীতিবিদ থমাস পিকেটি (Thomas Piketty) যুক্ত আছেন,
বলা হয়েছে যে ভারতের আয় বৈষম্য এমন উচ্চপর্যায়ে পৌঁছেছে,
যা অনেক ক্ষেত্রে ব্রিটিশ শাসনের শেষ দিকের সময়কার চেয়েও বেশি।
একই সঙ্গে অক্সফাম (Oxfam)-এর অসমতা বিষয়ক রিপোর্ট অনুযায়ী—
ভারতের ১% ধনকুবেরের হাতে কেন্দ্রীভূত রয়েছে দেশের মোট সম্পদের ৪০%-এর বেশি।
এই বৈষম্য যখন এক যুবক দেখে, তখন তাঁর মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই জন্ম নেয়
এক গভীর হতাশা এবং ক্ষোভ।
ভারতের জিডিপি:
স্বাস্থ্য ও পুষ্টি,
ক্ষুধার্ত পেটে সমৃদ্ধির গল্প
ভারতের স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ব্যয় দীর্ঘদিন ধরে জিডিপির তুলনায় কম।
কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যব্যয় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃদ্ধি পেলেও
তা বহু উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় এখনও সীমিত।
এরপর দুর্নীতি বা মাঝপথে টাকা আত্মসাৎ তো আছেই।
২০২৪ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে (Global Hunger Index) ১২৭ টা দেশের মধ্যে ভারত
১০৫ তম স্থানে অবস্থান করছে।
এই পরিসংখ্যানটা শুধুমাত্র একটা সংখ্যা নয়, এটা একটা জাতীয় লজ্জা।
যা ভারতের মত দেশের ক্ষেত্রে, অন্যান্য দেশের কাছে ভারতেরই মাথাটা
একেবারে নিচু হয়ে যায়।
আমাদের প্রতিবেশী কিছু দেশ—
যারা অর্থনৈতিকভাবে অনেক পিছিয়ে, তারাও পুষ্টির মানে আমাদের চেয়ে এগিয়ে।
২০১৯-২১ সালে পরিচালিত ‘জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা’
বা National Family Health Survey (NFHS-5) অনুযায়ী ৫ বছরের কম বয়সী
শিশুদের মধ্যে স্টান্টিং (উচ্চতা কম) ৩৫% এবং ওয়েস্টিং (ওজন কম) প্রায় ১৯% এর কাছাকাছি ছিল,
যা অপুষ্টির গভীর সংকেত বহন করে।
যদিও ভারত সরকার এই সূচকের পদ্ধতি ও নমুনা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে,
তবুও ভারতের শিশুদের মধ্যে উচ্চতা কম এবং ওজন কমের হার এখনও ভয়াবহ।
গ্রামীণ স্বাস্থ্যপরিষেবার অবস্থা দেখলে তো মেরুদন্ড দিয়ে যেন হিমস্রোত বয়ে যায়।
আজও সেখানে গর্ভবতী মহিলাদের মাইলের পর মাইলে হেঁটে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।

আধা-শহুরে বা গ্রামীণ এলাকার হাসপাতালগুলোতে না আছে পর্যাপ্ত ডাক্তার,
না আছে জীবনদায়ী ওষুধ, আর না ঠিকঠাক পরিকাঠামো।
স্বাস্থ্য যেন আজ ভারতের সাধারণ মানুষের কাছে এক বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বেসরকারি হাসপাতালের বিল মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর কয়েক কোটি মানুষ
দারিদ্রসীমার নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।
সরকার বড় বড় স্কিমের কথা বললেও, গ্রাউন্ড জিরোতে পরিকাঠামো আজও সেই মান্ধাতা আমলের।
অবকাঠামো ও পরিবেশ:
উন্নতির নামে
বিষাক্ত নিঃশ্বাস
আমরা দাবি করি আমাদের পরিকাঠামো উন্নত হচ্ছে,
কিন্তু বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতেই ভারতের তথাকথিত ‘স্মার্ট সিটি’গুলো যখন ডুবে যায়,
তখন সেই দাবি তার মুখোশ খুলে বাইরে বেরিয়ে আসে।
- জনাকীর্ণ গণপরিবহন।
- ভাঙাচোরা রাস্তা।
- যানজট।
এসব ভারতের সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ।
কিন্তু এর চেয়েও ভয়ংকর হল আমাদের পরিবেশের বর্তমান দশা।
বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ভারতের নাম প্রায়ই প্রথম সারির দিকে থাকে।
(দেখুন) দিল্লির বাতাস তো আজ এক বিষাক্ত গ্যাস-চেম্বারে পরিণত হয়েছে,
যেখানে নিশ্বাস নেওয়া মানে দিনে কয়েক প্যাকেট সিগারেট খাওয়ার সমান।
এদিকে আমাদের পবিত্র নদীগুলো শিল্পবর্জ্যের নালায় পরিণত হয়েছে।

উন্নয়নের নামে নিজেদের স্বার্থে আমরা নির্বিচারে বন উজাড় করছি,
যার খেসারত দিতে হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের মাধ্যমে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও, তার স্থায়িত্ব এবং পরিবেশ-বান্ধব উৎস নিয়ে এখনও
বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন রয়েই গেছে।
অর্থাৎ সবমিলিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা পঙ্গু পৃথিবী রেখে যাচ্ছি,
যার ভয়াবহ মাশুল গুনবে আমাদেরই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।
———————-
[ চীনে যখন AQI (Air Quality Index) ৭০০ ছাড়ালো
( সাধারণত ৪০০-৫০০-এর মধ্যেই চিনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়;
৭০০+ বিরল ঘটনা), তারা জরুরি অবস্থা জারি করেছিল।
কারণ তারা জানে সেটা বিপর্যয়ের সীমা।
কিন্তু ভারত?
আজ ভারতের অনেক শহরেই AQI, Hazardous লেভেল ছুঁই ছুঁই।
পশ্চিমবঙ্গও এর বাইরে নয়– বিশেষত শীতকালে কোলকাতা, হাওড়া,
বালিগঞ্জ, সল্টলেকসহ বহু এলাকায় AQI প্রায়শই অস্বাস্থ্যকর থেকে,
অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর (২০০-৩৫০+) স্তরে ওঠে।
এ পরিস্থিতিতে এক সামগ্রিক নীরবতা যেন দেশটাকে ঘিরে রেখেছে।
জেনে রাখুন ভেতরের আসল গল্পটা।
পড়ুন– Click: AQI গাঢ় লাল: ভারতের ভবিষ্যত কি তবে ভয়ঙ্কর? ]
বিচার বিভাগ ও শাসন ব্যবস্থা:
কালক্ষেপণের চক্রব্যূহ
ভারতের বিচারালয়গুলো আজ এক অন্তহীন কালক্ষেপণের চক্রব্যূহে পরিণত হয়েছে।
যেখানে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা নিয়ে প্রবেশ করা সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর
কেবল তারিখের পর তারিখের গোলকধাঁধায় ঘুরে ঘুরে জীবন শেষ করে ফেলছে।
বিচার বিভাগীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখুন) ৫ কোটি+ বিচারাধীন মামলার পাহাড়
প্রমাণ ভার প্রমাণ করে যে— এদেশে আইন আছে, কিন্তু অধিকার প্রাপ্তির পথটা অবরুদ্ধ।
আর ঠিক এই স্থবিরতার সুযোগ নিয়ে প্রভাবশালীরা পার পেয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন।

সাধারণ মানুষের কাছে ‘আইন’ আজ এক ভীতিপ্রদ বিড়ম্বনার নাম।
এই একই সঙ্গে দুর্নীতির ধারণা আন্তর্জাতিক সূচকে ভারতের অবস্থানকে মধ্যম স্তরে রেখেছে।
এই প্রশাসনিক পঙ্গুত্বই মূলত দুর্নীতির চারাগাছকে মহীরুহে পরিণত করেছে।
সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা:
ভারত বহুত্বের দেশ।
কিন্তু সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার বিচ্ছিন্ন ঘটনা সামাজিক সম্প্রীতিকে প্রভাবিত করে।
রাজনৈতিক মেরুকরণ সামাজিক আলোচনাকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
নারী নিরাপত্তা একটা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।
জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী নারীর বিরুদ্ধে অপরাধের
রিপোর্টেড সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।

একই সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে শহর গ্রামের মধ্যে মানগত ব্যবধান রয়েছে।
উচ্চশিক্ষায় সম্প্রসারণ ঘটলেও,
গবেষণা অবকাঠামো ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অবস্থান উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে।
( বিঃ দ্রঃ এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনও লেখাকেই অনুগ্রহ করে রাজনৈতিক
দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পড়বেন বা বিচার করবেন না।
এই ওয়েবসাইট কোনও ধরণের রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব সমর্থন করে না। )
( গভীর রাতের খোলা সমাজ–
এখনও মেয়েদের জন্যে এক (পড়ুন) অভিশপ্ত পৃথিবী।
পুরুষের খেলা-ধুলা হয় মুক্ত আকাশের তলে,
কিন্তু মেয়েদের জন্যে মাঠ মানে সীমারেখা।
কাজের অফিস ঘরগুলো নারীসুলভ নয়, বারবার সংরক্ষিত নিয়মে সীমাবদ্ধ।
সামাজিক উৎসব ও মেলা মেয়েদের জন্যে পূর্ণ আনন্দের নয়,
বরং অদৃশ্য নজরদারির স্থান।
ভাবুন আপনি, আমি যদি একটা মেয়ে হতাম।
পড়ুন, জেনে রাখুন সেই ভেতরের আসল কাহিনী।
Click: পুরুষতন্ত্রে নারীর জীবন– অভিশাপ, না জীবন! )
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।
