পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল—
সেখানে চিকিৎসা করতে যাওয়া আর ‘ট্রেজার হান্ট’ বা গুপ্তধন খুঁজতে যাওয়া একই ব্যাপার।
তফাত শুধু একটাই—
গুপ্তধন খুঁজতে গেলে ম্যাপ লাগে, আর এখানে লাগে একটা প্লাস্টিকের ফাইল আর অসীম ধৈর্য।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল:
লাইনের ইকো-সিস্টেম
ভোর চারটেয় যখন ধনী লোকগুলো ঘুমের ঘোরে ঠাণ্ডা গদিতে শুয়ে মোলায়েম স্বপ্ন দেখছে,
তখন হাসপাতালের গেটে একদল শ্রমিক শ্রেণীর মানুষ অলিম্পিক পদক পাওয়ার মত লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ে।
তাঁদের হাতে ফাইল, চোখে-মুখে সাপের মত চিন্তা জড়িয়ে, আর এক ধরনের নিরুপায় ভরসা।
কেউ খেয়ে এসেছে, কেউ খেতে পারেনি; কেউ আবার ভেবেছে, “আগে ডাক্তারটা দেখাই, তারপর খাওয়া যাবে।”

এই লাইনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হল পাশের চায়ের দোকানের মালিক।
আপনি তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে নিজের বংশতালিকা ভুলে যেতে পারেন,
কিন্তু চায়ের দোকানদার ঠিকই বুঝে যায়—
“দাদা, আপনার তো গ্যাসের ব্যথা, লিকার চা-টাই খান।”
লাইনে দাঁড়িয়ে আপনার পাশেরজনের সাথে এমন বন্ধুত্ব হবে যে,
আপনি তাঁর বাড়ির বিড়ালের নাম পর্যন্ত জেনে যাবেন, কিন্তু আপনার সিরিয়াল নম্বরটা যেন কচ্ছপের গতিতে দৌড় প্রতিযোগিতা জিততে নেমেছে।
আর তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আপনার আর রোগের মধ্যে এক ধরনের নিবিড় বন্ধুত্ব তৈরি হয়ে যায়—
“চল, আজকে না হয় দু’জনেই সহ্য করি।”
এই পুরো অপেক্ষার মধ্যে একটা অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করে—
আপনি যেন চিকিৎসার জন্য দাঁড়িয়ে নেই, ডাক্তাররূপী ভগবান দর্শনের মতো এক অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।
আর এভাবেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম বজায় থাকে এই লাইনের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
সেই মহিমান্বিত ৩০০ সেকেন্ড:
অবশেষে যখন আপনার নাম ডাকা হয়, তখন মনে হয়—
এই তো জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এসে গেছে।
আপনি ঢুকলেন,
কিন্তু ডাক্তারবাবু আপনার মুখের দিকে তাকানোর প্রয়োজনও বোধ করলেন না।
তাঁর কলম তখন প্যাডের ওপর বুলেট ট্রেনের গতিতে দৌড়াচ্ছে।
একটা ঐতিহাসিক কথোপকথন:
বসতে না বসতেই আপনি শুরু করলেন,
“ডাক্তারবাবু কয়েকদিন ধরে—”
- ডাক্তার মাথা নাড়লেন।
- আপনি একটু থামলেন।
ভাবলেন— “এত তাড়াতাড়ি বুঝে গেলেন নাকি?”
এরপর যা হয়, একে চিকিৎসা বললে, চিকিৎসারই অপমান হয়।
এটা বরং এক ধরনের ফাস্ট-ফরোয়ার্ড অনুষ্ঠান।
আপনি তিন ঘন্টা ধরে নিজের দুঃখগুলো তিলে তিলে গুছিয়ে নিয়ে এসেছিলেন ডাক্তারকে বলবেন বলে,
কিন্তু পুরো সমস্যাটা বলার আগেই প্রেসক্রিপশন লেখা শুরু হয়ে গেছে।
আপনার বাক্য শেষ হওয়ার আগেই ওষুধের নাম ঠিক হয়ে গেছে।
আপনি ভাবছেন, “আর একটু বলি?”—
কিন্তু ততক্ষণে পরের রোগীদের ব্যস্ত ছায়া দরজায় হুমড়ি খাচ্ছে।
পুরো ঘটনাটা এমন দ্রুত ঘটে যে,
আপনি বেরিয়ে এসে নিজেকেই জিজ্ঞেস করেন—
“আমি কি তবে শুধু প্রেসক্রিপশন সংগ্রহ করতে এলাম?”
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল:
ডাক্তারবাবু যখন সুপারহিউম্যান
এই জায়গাটাতেই মনে হয়—
পুরো সিস্টেমটা যেন একটা কারখানায় পরিণত হয়েছে।
- রোগী ঢুকছে।
- প্রেসক্রিপশন বেরোচ্ছে।
- কেউ থামছে না।
- কেউ শোনার সময় পাচ্ছে না।
আমরা ডাক্তারদের অনেক ক্ষেত্রে গালিগালাজ করি, কিন্তু ভাবুন তো—
ভদ্রলোক মানুষ না রোবট?
সামনে শয়ে শয়ে রোগী, একেক জনের একেক বায়না।
তিনি যদি সবার কথা মন দিয়ে শোনেন, তবে পরের জন ডাক্তার দেখাবে ২ বছর পর।
(জেনে নিন) সরকারি হাসপাতালের এই পরিষেবা আসলে কোনো নিরাময়-কলা নয়,
বরং একপ্রকার ‘মেডিকেল ফাস্ট-ফুড কাউন্টার’ হতে আজ বাধ্য হয়েছে।
সেখানে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আপনার পাতে যা জোটে, তা আস্বাদন করার অবকাশ নেই,
স্রেফ গোগ্রাসে গিলে নেওয়াটাই দস্তুর।
এখানে সাদা অ্যাপ্রন পরিহিত বিশিষ্ট মানুষটা কোনো সংবেদনশীল আরোগ্যদাতা হওয়ার সুযোগই পান না।
তিনি স্রেফ সিস্টেমের বসানো এক সজীব ‘প্রেসক্রিপশন ভেন্ডিং মেশিন’—
যার কাজ রোগীর চোখের ভাষা পড়া নয়, বরং সময়ের চাপে দ্রুতলয়ে কাগজের ওপর কলমের
আঁচড়ে কিছু রাসায়নিক সংকেত উগরে দেওয়া।
ফ্রি চিকিৎসার ইকোনমিক্স:
যেখানে ঘাম দিয়ে
দাম মেটাতে হয়
সরকারি হাসপাতালের দরজায় বড় বড় করে লেখা থাকে ‘বিনামূল্যে চিকিৎসা।’
কথাটা শুনে আপনার মনে হবে যেন স্বর্গের টিকিট হাতে পেয়েছেন!
কিন্তু আসলে এই ফ্রি চিকিৎসা হল সেই লটারি, যেখানে জিতলে ঠিকমতন ওষুধ, যত্ন মেলে না,
আর হারলে কোমরের হাড় ধনুকে পরিণত হয়।
আপনার সময়ের ষষ্ঠীপূজো হয়, একদিনের শ্রমের টাকা অকালে প্রাণ হারায়।
একজন মজুর বা শ্রমিক শ্রেণীর মানুষ তাঁর সারা দিনের রোজগার বিসর্জন দিয়ে ভোর রাতের ট্রেনে,
বাসে বাদুড়ঝোলা হয়ে যখন লাইনে এসে দাঁড়ান,
তখন তিনি জানেন না যে তিনি ডাক্তার দেখাতে এসেছেন, নাকি ‘স্ট্যান্ডিং অলিম্পিক’-এ যোগ দিতে।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল:
কোমরের অগ্নিপরীক্ষা,
ও অন্তহীন চক্র
সবচেয়ে বড় তামাশাটা হয় ঠিক এর পরেই।
যে রোগী পেটের ব্যথা নিয়ে তিন ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ডাক্তার দেখালেন, তিনি যখন ঘর থেকে বেরোন,
তখন অনুভব করে তাঁর পেটের ব্যাথাটা সাময়িক ভ্যানিশ হয়ে গেছে—
সেখানে জায়গা করে নিয়েছে এক তীব্র কোমরের যন্ত্রণা।
তখন ঘটে এক অদ্ভুত কান্ড:
সেই একই রোগী আবার নতুন করে টিকিট কাউন্টারে ছোটে।
কেন?
না আগের টিকিটটা তো পেটের ব্যথার জন্য ছিল।
এখন দীর্ঘ লাইনের অগ্নিপরীক্ষায় কোমরের যে বেহাল দশা হল, এর জন্য তো নতুন টিকিট চাই, নতুন এন্ট্রি চাই।
এটা যেন সেই অভিশপ্ত গোলকধাঁধা—
যেখানে আপনি একটা রোগ সারাতে ঢোকেন, আর লাইনে দাঁড়িয়ে উপহার হিসেবে আর একটা হাড়গোড়ের সমস্যা নিয়ে বাড়ি ফেরেন।
ডাক্তারবাবু হয়ত (পড়ুন) প্রেসক্রিপশনে লিখতে ভুলে যান, কিন্তু সিস্টেম আপনার ফাইলে অলিখিতভাবে লিখে দেয়—
“অভিনন্দন!
আপনি লাইনে দাঁড়িয়ে সফলভাবে কোমরের ব্যথার অধিকারী হয়েছেন,
এবার পুনরায় লাইনে দাঁড়ান।”
( মানুষ যখন অসুস্থ হয়, অসহায় বোধ করে—
তখন সে সবটুকু সমর্পণ করে একজন ডাক্তারের কাছে গিয়ে দাঁড়ায়।
সাদা অ্যাপ্রন পরা সেই মানুষটার ওপর আমাদের বিশ্বাস এতটাই অগাধ যে,
অপারেশন থিয়েটারের ফর্মে সই করার আগে আমরা একবারও ভাবিনা—
কারণ আমরা বিশ্বাস করি।
অর্থাৎ আমাদের জীবন তাঁর হাতে সঁপে দিতে দুবার ভাবি না।
প্রেসক্রিপশনের নিচে ডাক্তারের সই মানে ভরসা, নিরাপত্তা, জীবনের দায়িত্ব।
কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, সেই ডাক্তার আসল কি না?
তাঁর সামান্য একটা ভুলে ঠিক কী হতে পারে?
এমন ভুরি ভুরি উদাহরণ কিন্তু সমাজের বুকেই আছে।
তাই এখুনি জেনে রাখুন।
পড়ুন– Click: Doctor Registration Number Check: ডাক্তারের বেশে বিপদ নেই তো? )
সিস্টেমের জাঁতাকল:
এক রহস্যময়
অ্যাডভেঞ্চার পার্ক
এই ব্যবস্থা দেখে হাসি পায়— আবার কাঁদতেও ইচ্ছে করে।
কিন্তু হতভম্ব হয়ে যাই— আগে কাঁদা উচিত না হাসা?
সরকারি হাসপাতালে ঢোকার আগে রঙের কথা ভুলে যান;
ওখানে রাজত্ব করে ‘পানের পিকের মুরাল।’
সিঁড়ির কোণগুলো দেখলে মনে হবে কোনো প্রখ্যাত শিল্পী লাল রঙের (দেখুন) অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট করে গেছেন।
ঝকঝকে তকতকে হওয়া তো দূরের কথা,
এখানকার দেওয়ালগুলো নিজেরাই দীর্ঘশ্বাসের চাপে পলেস্তারা খসিয়ে নিজেদের ‘ক্লান্ত’ ঘোষণা করেছে।

এখানে পা রাখলেই নাকে আসবে সেই বিশ্ববিখ্যাত সুগন্ধ—
যাতে ফিনাইল, ব্লিচিং পাউডার আর মানুষের ঘাম এমনভাবে মিশে থাকে যে,
আপনার সুস্থ নাকটাও মনে মনে একবার ‘টিকিট’ কাটার কথা ভাববে।
সিস্টেমের গোলকধাঁধাটা
একটু তলিয়ে দেখুন:
মেশিন বনাম শোপিস:
এখানে বিশাল সব দানবীয় মেশিন বীরপুরুষের মত দাঁড়িয়ে থাকে।
কিন্তু এদের গায়ে ধুলোর এমন আস্তরণ, যে দেখলে মনে হয় ওরা বুঝি কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের অংশ।
মেশিন আছে তো অপারেটর ছুটিতে, অপারেটর আছে তো চাবি হারিয়েছে,
আবার চাবি মিললে দেখা যাবে কারেন্ট নেই!
বেডের কারিকুরি:
এখানে বেড পাওয়া আর লটারি জেতা একই কথা।
এক একটা বেড যেন এক একটা ‘মেডিক্যাল শেয়ার হোল্ডিং;’
যেখানে জায়গার অভাবে ব্যক্তিগত পরিসর বিসর্জন দিয়ে রোগীরা এমন নিবিড়ভাবে সহাবস্থান করেন,
যেন তাঁরা কোনো এক অদৃশ্য জনসমুদ্রের মাঝে তরী ভাসিয়েছেন।
জায়গা বনাম অস্তিত্ব:
হাসপাতাল রুমের বাইরে করিডোর থেকে শুরু করে খোলা চত্বর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মেঝেতে শুয়ে থাকা মানুষের এই সমাবেশ দেখে মনে হয় না আপনি কোনো চিকিৎসালয়ে আছেন; বরং মনে হয় এটা কোনো এক ‘অঘোষিত শরণার্থী শিবির।’
সেখানে মানুষের শরীরের চেয়ে চাদর আর প্লাস্টিকের দখলদারি বেশি।
পা ফেলার মত এক ইঞ্চি জায়গা হয়ত অবশিষ্ট আছে, কিন্তু তাঁদের আর্তনাদ শোনার মত কোনো মানবিক কান সেখানে নেই।

পুরো চত্বরটা যেন এক ‘নিথর জনসমুদ্র’—
যেখানে সবাই ঢেউ তুলছে ঠিকই, কিন্তু তীরের দেখা পাওয়ার আশা কেউ রাখছে না।
এখানে দাঁড়িয়ে ডাক্তারবাবুকে আলাদা করে দোষ দেওয়া সহজ, কিন্তু সত্যিটা একটু অন্যরকম।
তিনি একা কী করবেন?
তিনিও তো এই ভাঙা সিস্টেমের একটা ছোটো চাকা মাত্র।
ওপর থেকে চাপ আসে—
- তাড়াতাড়ি রোগী ছাড়ুন।
- ভিড় কমান।
- লাইন এগিয়ে দিন।
ফলে চিকিৎসা ধীরে ধীরে বদলে যায় যান্ত্রিকরূপে।
সময়ের বিরুদ্ধে দৌড়ের মধ্যে।
রোগী তখন আর মানুষ থাকে না, সে হয়ে ওঠে একটা নম্বর।
যে নম্বরটা যত দ্রুত কমানো যায়, ততই সিস্টেমের জয়।
আর সেই জয় উদযাপন করতে করতে কোথায় যেন হারিয়ে যায়—
একটা মানুষের গল্প, একটা শরীরের কষ্ট, আর একটু সময় নিয়ে শোনার প্রয়োজন।
এই জাঁতাকলের শব্দ বাইরে থেকে শোনা যায় না, কিন্তু ভেতরে ঢুকলেই বোঝা যায়—
এখানে চিকিৎসা শুধু হচ্ছে না এখানে মানুষকে প্রক্রিয়ায় পরিণত করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল:
যাদের আর কোনো
রাস্তা নেই
এই গল্পটা আসলে তাঁদের—
যাদের পকেটে ব্যবসায়িক প্রাইভেট হাসপাতালের বিল মেটানোর সাধ্য বা সাহস নেই।
যাদের কাছে সরকারি হাসপাতালে শেষ ভরসা।
- তাঁরা লাইনে দাঁড়ায়।
- অপেক্ষা করে।
- সহ্য করে।
কারণ তাঁদের কাছে অপশন বলে কিছু নেই।
কিন্তু প্রশ্নটা বাতাসে ঝুলেই থাকে—
যদি এই ব্যবস্থায় ডাক্তারের সংখ্যা না বাড়ে, পরিকাঠামো না ঠিক হয়, সময় না বাড়ে—
তাহলে এই মানুষগুলো কবে পাবে একটু সময় নিয়ে শোনা, একটু যত্ন নিয়ে চিকিৎসা?
নাকি এভাবেই চলবে—
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অপেক্ষা, আপস আর অর্ধেক চিকিৎসার এই গল্প।
স্বাধীনতার পর থেকে ভারতে ১৪ জন ব্যক্তি দেশের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আর পশ্চিমবঙ্গের ৮ জন মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ দাদু যে লাইনে সরকারি চিকিৎসা পেয়েছেন, আজ নাতি বা নাতনিও সেই লাইনের বাইরে নেই।

শুধু এগিয়েছে—
- প্রযুক্তি।
- বদলেছে ওষুধ।
- উন্নত হয়েছে চিকিৎসাবিজ্ঞান।
- বদলেছে বিল্ডিং।
কিন্তু এগোয়নি—
- রোগীর জন্য সময়, যত্ন।
- ডাক্তারের সংখ্যা।
- লাইনের দৈর্ঘ্য।
- সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা।
- চিকিৎসা পাওয়ার বাস্তবতা।
( আজকের ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার দিকে তাকালে প্রশ্ন জাগে—
চিকিৎসা কি তবে শুধু ধনীদের বিলাসিতা?
যাদের টাকা আছে:
তাঁদের জন্য চিকিৎসা সহজ, দ্রুত ও আরামদায়ক।
যাদের টাকা নেই:
তাঁদের জন্য লাইন, ভিড়, অবহেলা, অপেক্ষা, অযত্ন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
কেয়ার আজ টাকার ওপর নির্ভরশীল।
ডাক্তাররা হয়ত কোটি টাকা আয় করবেন,
কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে ন্যূনতম ‘মানবিক চিকিৎসা’ পাওয়াটা আজও অধরা স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে।
পড়ুন সেই বাস্তব সত্য, যা আপনাদের জন্যেই তুলে ধরার এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র।
জেনে নিন, ভবিষ্যতে কাজে লাগবেই।
Click: ভারতের সরকারি হাসপাতাল: ভেতরে কী ঘটে জানলে চমকে উঠবেন! )
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।





