বিবেকানন্দ কিভাবে মারা যান তা জানতে হলে আগে তাঁর সেই লড়াইটা
আমাদের রক্তে মিশিয়ে অনুভব করতে হবে।
কারণ সব লেখা শুধু সাধারণভাবে পড়ে অনুভব করার নয়।
নিজের শরীরটাই যখন যুদ্ধক্ষেত্র
ধরুন–
আপনার-আমার শরীরে বাসা বেঁধেছে মাইগ্রেন, অ্যাস্থমা, ডায়াবেটিস, লিভারের দীর্ঘস্থায়ী
অসুখ আর হার্টের দুর্বলতা– সবগুলো একসাথে।
কল্পনা করুন সেই মুহূর্তটা, যখন প্রতিটা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, অথচ মাথা ফেটে
যাচ্ছে যন্ত্রণায়, সাথে বেড়ে যাচ্ছে হৃদস্পন্দন।

সাধারণত আমরা তখন কি করবো?
- নিশ্চিতভাবেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে নিজের জীবন বাঁচাতে, যতটা সুস্থ থেকে,
যতদিন বাঁচা যায়, সেই চেষ্টাই করবো। - ঈশ্বরকে আকুতি জানাবো।
- পরিবারকে যতটা সম্ভব সঙ্গ দেব।
- সমগ্র মন-প্রাণ জুড়ে তখন চিন্তা থাকবে শুধু একটাই–
কিভাবে, কত তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়া যায়?
এই সময়ে নিজেকে ছেড়ে অন্যের কথা, দেশের মানুষের ভালো, উন্নতি–
এসব কি কারো মাথায় আসে?
কথায় বলে– “আপনি বাঁচলে বাপের নাম।”
কিন্তু এমন কি কেউ আছেন–
- যিনি নিজের শরীর নামক জরাজীর্ণ খাঁচাটাকে উপেক্ষা করেও শুধু অন্যের কথা ভাবা
এক স্বভাবে পরিণত করে নিয়েছেন? - অস্থি-মজ্জায় ঢুকিয়ে নিয়েছেন পরার্থপরতা?
- নিজের এই পরিমাণ অসুখকে তুচ্ছজ্ঞান করে নানাবিধ চিন্তার পাহাড় নিয়ে,
সাত-সমুদ্র তেরো নদী, প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে দেশের পতাকা ওড়ান
এবং শেষে ঐতিহাসিক বিজয় নিয়ে নিজের মাটিতে সগৌরবে ফিরে আসেন? - বিদেশ থেকে ফিরেও সেই দেশের মানুষের কল্যাণেই যাকে হাত পাততে হয়
বিদেশিদের কাছে? - আজীবন যে মানুষটা কোনো স্থায়ী ঠিকানা করে উঠতে পারেনি দেশের মানুষের জন্যে।
নিজের কষ্টার্জিত অর্থ সাধ্যমতন দিয়েও নিজের বৃদ্ধা মায়ের জন্য
যখন মাথার উপর একটুকরো ছাদ জোটেনা সেই মানুষটার? - দেশের মানুষের জন্য যথাসর্বস্ব উজাড় করে দিয়েও শেষে যে মানুষটাকে
প্রায়শই শুনতে হত– “ভণ্ড, ওসব ন্যাকামী?” - মহৎ কাজ করেও ঈর্ষার আগুনে প্রায়দিন যাকে একটু একটু করে পুড়তে হয়েছে?
- আদর্শের জোয়ার এনেও, যে মানুষটা প্রতিদানে পেয়েছে লাঞ্ছনা, গঞ্জনা, অপমান?

বিশেষত আজকের দিনে তাদের ‘বোকা, নির্বোধ বা বাস্তবজ্ঞানহীন’ বলে অভিহিত করা হয়।
এই অবিশ্বাস্য মনের জোর আর মানসিকতা কি তবে শুধুই ঈশ্বরপ্রদত্ত?
নাকি এর পিছনে লুকিয়ে ছিল এক গভীর নিঃসঙ্গপ্রায় লড়াই।
ঈর্ষা যখন সংহারক:
উন্নতির পথে অন্তহীন কাঁটা
মানুষ যখন সাফল্যের শিখরে পৌঁছতে শুরু করে, তখন সে ‘সাফল্য’
একটা ছাঁকনির মতন হয়ে যায়।
- কে সেই সাফল্যে প্রকৃত আনন্দ পেল।
- কে শুভাকাঙ্ক্ষী।
- আর কেউ বা ভিতরে ভিতরে ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়ল।
সবগুলোই ছেঁকে বেরিয়ে আসে।
তবে সাধারণত শুভাকাঙ্ক্ষীর পাশাপাশি ঈর্ষাপরায়ণ মানুষের ভিড়ও কম থাকে না।
এই ঈর্ষা এক ভয়ানক মানসিক ব্যাধি, যা চরমে গিয়ে হিংসায় রূপান্তরিত হয়।
নিজের চেনা গণ্ডির মানুষজন যখন দেখে, বোঝে যে তাদের মধ্যেই কেউ একজন
বিশ্বজয় করে ফিরেছে, তখন তারা প্রশংসার বদলে কুৎসা আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয়।

এই হিনম্মন্যতা ও ঈর্ষা ইতিহাসের বড় বড় অধ্যায়কে রক্তাক্ত করেছে:
কাছের মানুষের কুৎসা:
যখন কেউ নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন, বিশেষ কিছু করেন,
তখন তাঁর সেই পবিত্রতা, মহত্ত্বতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে ঈর্ষাকাতররা তাঁকে
‘ভণ্ড’ সাজাতে পিছপা হয় না।
এতে তারা আনন্দ পায়, সুখ-শান্তি খুঁজে পায়।
সাফল্যে বাধা দান:
ঈর্ষা এতটাই অন্ধ হয় যে, তা দেশের বা দশের বড় কোনো ক্ষতি করতেও দ্বিধা করে না।
যদি তাতে সেই সফল ব্যক্তিকে ছোট করা যায়, ক্ষতি করা যায়,
তাতেও কোনো বিন্দুমাত্র অনুশোচনা থাকে না।
ঈর্ষান্বিত ব্যক্তি সেগুলোকেই ঠিক কাজ মনে করে থাকে।
এর এক জলজ্যান্ত উদাহরণ আমদের (পড়ুন) নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু।
ভারতের স্বাধীনতার এই সিংহপুরুষকে ব্রিটিশদের কামানের গোলার চেয়েও
বেশি লড়তে হয়েছে ঘরের ভিতরের ঈর্ষার বিরুদ্ধে।

ক্ষমতা আর পদের লোভে তাঁরই সহযোদ্ধাদের একাংশ যেভাবে তাঁকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছে,
তাতে দেশের যে কত বড় ক্ষতি হয়েছে, আজ তা ইতিহাসবিদরা স্বীকার করেন।
নেতাজীর জীবনের সেই অমূল্য সময় ও শক্তি অপচয় হয়েছে শুধু এই ঈর্ষার বিষ সামলাতে।
এই একই বিষবাষ্প, একই নিঃসঙ্গতা আর একই রকমের প্রতারণা গ্রাস করেছিল
আমাদের আরও এক মহান আত্মাকে, যার কথা আমাদের আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু…
শিকাগো জয়ের নেপথ্যে:
এক অভিমানী সন্ন্যাসীর হাহাকার
আমরা জানি ১৮৯৩-এ (পড়ুন) শিকাগো মহাধর্মসম্মেলন-এর কালজয়ী সেই বক্তব্যের কথা।
আমরা জানি তাঁর অসামান্য ব্যক্তিত্ব আর মেধার ইতিহাস।
(স্বামী বিবেকানন্দের অরিজিনাল শিকাগো বক্তৃতা শুনুন: Speech)
কিন্তু আমরা কি কখনও কেউ ভেবে দেখেছি– বিশ্বজয়ের ঠিক পরেই
কেন তাঁর আয়ু ফুরিয়ে এল?
আসলে স্বামী বিবেকানন্দ কিভাবে মারা যান: অজানা যন্ত্রণার ইতিহাস
লুকিয়ে ছিল সেই শিকাগোর সাফল্যের ঠিক পর মুহূর্ত থেকেই।
বিভিন্ন ছবিতে থাকা স্বাস্থ্যবান, সুদর্শন এক পুরুষ
মাত্র ৩৯ বছর বয়সে কেন আমাদের ছেড়ে চিরবিদায় নিলেন?
স্বামী বিবেকানন্দের নিজের হাতে লেখা চিঠি থেকে বেরিয়ে আসে বহু গোপন তথ্য।
নেতাজীর মতই তাঁর জীবনও ছিল সংঘর্ষে পরিপূর্ণ।
১৮৯৩-এর ঐতিহাসিক সাফল্যের পর তিনি ভেবেছিলেন দেশবাসী তাঁর পাশে দাঁড়াবে।
কিন্তু বিবেকানন্দের কপালে জুটেছিল শুধুই ঈর্ষা।
১৮৯৪ সালে তিনি তাঁর এক শিষ্য হরিদাস বিহারীদাসকে লেখা
এক চিঠিতে রাগ, যন্ত্রণা, দুঃখ ও আফশোস করে লেখেন:

“…If any man tries to move forward here (USA), everybody is ready to help him.
In India, you may try tomorrow by writing a single line of praise
for me in any of our papers (Hindu), and the next day they would be all against me.
Why?
It is the nature of slaves.
They cannot suffer to see any one of their brethren putting his head
the least above their rank…!”
মূল কথা হলো– “দাস মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তির সবচেয়ে বড় দোষ হলো,
তারা নিজের ভাইকে এগিয়ে যেতে দেখতে চায় না।”
বিবেকানন্দ যখন দেশবাসীর সমর্থন চেয়েছিলেন, তখন একদল মানুষ তাঁকে ‘ফ্রড’
বা ‘ভণ্ড’ প্রমাণ করতে ব্যস্ত ছিল।
ব্যথিত বিবেকানন্দ চিঠিতে লিখেছিলেন– “সাবাশ, আমার দেশবাসী!”
এই একটা লাইনেই তাঁর তীব্র যন্ত্রণার যথেষ্ট আভাস পাওয়া যায়।
- ১৮৯৭-এ দেশে ফেরার পর তাঁকে ফুলের মালায় ঢেকে দেওয়া হলো।
- জয়ধ্বনী দেওয়া হলো।
- মিছিল বের করা হলো।
- সংবর্ধনা, প্রশংসাও হলো।
কিন্তু ভারতের মানুষের উন্নতির জন্যে প্রয়োজনীয় আর্থিক সাহায্য আর দেশবাসী করেনি।

তবে তাঁর মূল্য বুঝেছিলেন কারা?
ইংল্যান্ডের দুই বিদেশি বন্ধু– মিস মুলার ও মিস্টার সেভিয়ার।
মায়ের শেষ আশ্রয় ও
দেশের মানুষের বিশ্বাসঘাতকতা
বিবেকানন্দের দুঃখের সীমা ছিল না সেদিন, যেদিন ১৮৯৯ সালে তিনি তাঁর
বৃদ্ধা মায়ের জন্য একটা ঘর কিনে মাকে সেখানে রাখতে চেয়েছিলেন।
সেখানেও নিজের দেশের মানুষ তাঁর সাথে প্রতারণা করে।
বাড়ির পুরো টাকা মিটিয়ে দেবার পরও তাঁকে বাড়িতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
ঘরের মালিক ভেবেছিলেন– সন্ন্যাসী মানুষ, কোর্ট-কাচারিতে আর কি যাবেন?
যে বিশ্ববন্দিত মহাপুরুষ গোটা পৃথিবীকে জাগাতে বেরিয়েছিলেন,
তিনি নিজের মায়ের জন্য একটা সাধারণ ঘর কিনতে গিয়ে জালিয়াতির
শিকার হয়েছিলেন, অপমানিত হয়েছিলেন।

(AI Generated ছবি, ভুল হতে পারে।)
১৯০০ সাল পর্যন্ত এরূপ নানাবিধ মানসিক আঘাত ও শারীরিক নানান
জটিল সমস্যায় (রোগ) তিনি ভিতরে ভিতরে ভেঙে পড়েছিলেন।
এরপরও ১৮৯৯ সালের জুন মাসে দ্বিতীয়বার তিনি আবার
পাশ্চাত্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এই যাত্রার প্রধান কারণ ছিল রামকৃষ্ণ মিশনের জন্য এবং ভারতের সেবামূলক কাজের
জন্য স্থায়ী আর্থিক সংস্থান নিশ্চিত করা।
জোসেফিন ম্যাকলিওডকে
লেখা চিঠি:
স্বামীজি তাঁর পাশ্চাত্য অনুরাগী জোসেফিন ম্যাকলিওডকে, (যাকে তিনি ‘জয়া’ বলে ডাকতেন),
একাধিক চিঠি লিখেছিলেন।
১৯০০ সালের কাছাকাছি সময়ে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে লেখা চিঠিতে তাঁর আর্থিক
অনটন এবং দেশে ফেরার আকুতি প্রকাশ প্রায়।
তিনি লিখেছিলেন যে, তিনি ক্লান্ত এবং অসুস্থ, তবুও তাঁকে অর্থের জন্য কাজ করে যেতে হচ্ছে।
(পৃথিবীর সামনে আজ খুব স্পষ্ট একটা রাস্তা–
- একদিকে আছে
রাজনীতি, মুনাফা, ক্ষমতার দখল। - অন্যদিকে আছে
সহযোগিতা, বিজ্ঞান, যৌথ ভবিষ্যৎ।
এখন MOF কি? এর ভবিষ্যৎ প্রয়োগ ঠিক কিভাবে হবে?
MOF কোন পথে যাবে, তা ঠিক করবে মানুষই।
তবে গ্লোবাল ওয়ার্মিংকে জয় করে কি
এ পৃথিবীতে আমরা বেঁচে থাকতে পারবো?
পড়ুন– Click: MOF কি? যে আবিষ্কার বদলে দেবে পৃথিবীর ভাগ্য,
যদি রাজনীতি না হয়!)
বক্তৃতা দিয়ে দেশে
ফেরার টাকা জমানো:
ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকাকালীন (১৯০০ সালের শুরুর দিকে) স্বামীজি একাই প্রচুর
ক্লাস এবং নিতেন।
লস অ্যাঞ্জেলেস এবং সানফ্রান্সিকোতে তিনি এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, তাঁর শরীর সায় দিচ্ছিল না।
আসল তথ্য:
তিনি তাঁর চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন যে, তিনি কাজ করে কিছু টাকা জমাচ্ছেন
যাতে তিনি কারও উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের দেশে ফেরার এবং ভারতে নিজের
কাজ চালানোর খরচ জোগাতে পারে।
তিনি চেয়েছিলেন অন্তত ৫০০০ ডলার জোগাড় করতে, যাতে তাঁর মায়ের
এবং ভারতের কাজের একটা স্থায়ী ব্যবস্থা হয়।
মানসিক হাহাকার:
এই সময়েই তিনি লিখেছিলেন–
“I am simple, child-like…I want to get out”
(আমি শান্ত হতে চাই, মুক্তি চাই), তিনি অনুভব করেছিলেন যে তাঁর কাজ শেষ হয়ে
আসছে এবং তাঁর শরীর আর বইতে পারছে না।
তবুও তিনি সেই হাড়ভাঙা খাটনি খেটেছিলেন শুধু নিজের আদর্শ আর
প্রিয়জনদের কথা ভেবে।
স্বামী বিবেকানন্দ কিভাবে মারা যান: অজানা যন্ত্রণার ইতিহাস আসলে কেবল
শারীরিক কোনো রোগ নয়, বরং ছিল এক গভীর, অব্যক্ত অভিমান।
যে মানুষটা বিদেশের মাটিতে ভারতের জয়ধ্বনি শুনিয়েছিলেন,
তিনিই তাঁর শেষদিনগুলোতে–
নিজের দেশে আর্থিক অভাব আর ঈর্ষার কাছে প্রতিনিয়ত হেরে যাচ্ছিলেন।
স্বামী বিবেকানন্দ কিভাবে মারা যান:
অজানা যন্ত্রণার ইতিহাস
এক মহাসমুদ্র অভিমান–
আর অন্তিম যাত্রা:
৩১ টা মারণব্যাধির বিষাক্ত নীল দংশন শরীরকে কুরে কুরে খাচ্ছিল ঠিকই,
কিন্তু তাঁর হৃদয়ে যে ক্ষত ছিল– তা কোনো চিকিৎসায় সারবার ছিল না।
যে শরীরটাকে তিনি ‘জরাজীর্ণ খাঁচা’ বলতেন, সেই খাঁচাটা মাত্র ৩৯ বছরেই
ভেঙে পড়েছিল অমানুষিক পরিশ্রম আর নিজের মানুষের দেওয়া লাঞ্ছনা সামলাতে
সামলাতে।
১৯০২ সালের সেই ৪ঠা জুলাইয়ের সন্ধ্যায় যখন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন,
তখন হয়তো সেই মহাপ্রাণের বুকের ভিতরে জমে ছিল এক মহাসমুদ্র সমান অভিমান।
- আমরা আজ ঘটা করে তাঁর ছবিতে সুগন্ধি মালা পরাই।
- তাঁকে ভগবান বানিয়ে সিংহাসনে তুলে রাখি।
- তাঁর আদর্শের প্রচার, প্রসার করি।
কিন্তু তাঁর জীবদ্দশায় আমরাই তাঁকে দিয়েছি কেবল ঈর্ষার বিষ আর জালিয়াতি।
আজ মানবরূপী ঈশ্বর নেই, কিন্তু রয়ে গেছে তাঁর প্রতি আমাদের অমানবিকতার
সেই জ্বলন্ত দীর্ঘশ্বাস।
বিবেকানন্দকে পূজো করা সহজ, শ্রদ্ধা-ভক্তিও সোজা।
কিন্তু তাঁর সেই রক্তাক্ত পথ ধরে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে লড়াটা বোধহয় আজও
আমাদের কল্পনা বা সাধ্যের অতীত।
(অহংকার পতনের মূল— এটা সর্বত্র প্রযোজ্য।
ইতিহাস বার বার প্রমাণ করেছে– অহংকার পতনের মূল।
কোনো শক্তি বা দেশ যত উন্নতই হোক না কেন,
যদি তারা অন্যের মেধা ও নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে অস্বীকার করে,
তবে তাদের পতন অনিবার্য।
আমেরিকার ইতিহাসে দেখা যায়, কখনও তারা নিজস্ব ক্ষমতার
দম্ভে এতটাই অন্ধ হয়ে গেছিল যে…
পড়ুন– Click: ভারতের DNA: আমেরিকা যদি ভুলে যায়, দোষ ভারতের নয়!)
(Articlesবাংলা – আমাদের, আপনাদের পরিবার।
ইমেল আইডি দিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত হন।
ফলে যখনই এই ব্লগে কোনো নতুন লেখা পোস্ট করা হবে,
সবার আগে আপনিই পাবেন নোটিফিকেশন।
লেখাটা ভালো লাগলে,
শেয়ার করে বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।
মূল্যবান মন্তব্যে জানান কেমন লাগলো।)
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।

