Exam Pressure on Students: নম্বরের নেশায় কি আমরা এক প্রজন্মকে ধ্বংস করে ফেলছি?

ইঁদুর দৌড় বনাম মেধার বিকাশ:

আপনার সন্তান কি কেবল

একটা মার্কশিট?

বেলুনের সেই অমোঘ শিক্ষা:

Exam pressure on students আজ এমন এক দম বন্ধ করা বাস্তবতা তৈরি
করেছে, যেখানে শেখার আনন্দ নয়—

নম্বরই হয়ে উঠেছে সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি। 

একটা বেলুনকে যখন আমরা ফোলানো শুরু করি, তখন তার একটা নির্দিষ্ট
আয়তন এবং বায়ুধারণ ক্ষমতা থাকে।
যতক্ষণ বাতাস সেই সীমার মধ্যে থাকে, বেলুনটা রঙিন এবং সুন্দর দেখায়।

কিন্তু যেই মুহূর্তে আমরা জেদ করে বা পাশের মানুষের বেলুনটা বড় দেখে
নিজেরটাতে অতিরিক্ত বাতাস পাম্প করি, তখনই ঘটে বিপদ—
বেলুনটা সশব্দে ফেটে যায়।

ঠিক এই চিত্রটাই আজ আমাদের দেশের ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে।
আমাদের সন্তানদের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন ক্যাপাসিটিও সেই বেলুনটার মত।

প্রতিটা শিশুর মস্তিষ্কের স্নায়বিক গঠন (Neural Wiring) আলাদা।

কিন্তু আমরা সমাজ এবং অভিভাবকরা তাদের ওপর ৯৫% বা ১০০% নম্বর পাওয়ার যে
পাহাড় প্রমাণ চাপ সৃষ্টি করি, তা অনেক সময় তাদের মানসিক ধারণ
ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যায়।

ফলাফল— হিতে বিপরীত।

আজ এই বাস্তবতা শুধু আমাদের দেশের ভিতরের গল্পে সীমাবদ্ধ নয়,
শিক্ষাবিদ ও মনোবিজ্ঞানীরা একে আন্তর্জাতিকভাবে Exam pressure on students
নামে চিহ্নিত করেছেন—

একটা নীরব মানসিক সংকট, যা ধীরে ধীরে শিশুদের
শেখার আনন্দ, কৌতুহল এবং আত্মবিশ্বাসকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

যান্ত্রিক শিক্ষা বনাম জৈবিক বিকাশ

যে মেধা বিকশিত হওয়ার কথা ছিল, তা চাপের মুখে পিষ্ট হয়ে অঙ্কুরেই ঝরে যায়।
অতিরিক্ত চাপে যখন মস্তিষ্কের নমনীয়তা হারিয়ে যায়, তখন শিশুটা আর শিখতে পারে না;
কেবল যান্ত্রিকভাবে পুনরাবৃত্তি করতে শেখে।

আমাদের বুঝতে হবে যে, শিক্ষা কোনো ইঞ্জেকশন নয়, যা জোর করে শরীরে পুশ
করা যায়;

শিক্ষা হলো একটা চারাগাছ যাকে আলো-বাতাস দিয়ে বড় করতে হয়।

নিজেকে সেই বাচ্চার

জায়গায় বসিয়ে দেখুন:

ধরুন, অফিসে আপনার বস প্রতিদিন আপনাকে অন্য সহকর্মীর সঙ্গে তুলনা করেন—
একবার ভাবুন তো, যদি এমন কাজের পরিবেশে দিন কাটাতে হয়, যেখানে প্রতিনিয়ত
তুলনা এবং প্রত্যাশার বোঝা আপনাকে নিপীড়িত করে।

এমন পরিস্থিতিতে কাজ করলে মানুষ ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস হারায়।
কাজ শেখার আগ্রহ নয়, ভুল না করার ভয়টাই বড় হয়ে ওঠে।

আমরা যাকে শাসন বা অনুশাসন বলে চালিয়ে দিই, সেটাই আসলে
Exam pressure on students- এর মূল উৎস।

প্রতিনিয়ত তুলনা, অপমান আর প্রত্যাশার বোঝা শিশুর মনে এমন ভয় তৈরি করে,
যেখানে শেখা নয়— ভুল না করাটাই সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হয়ে ওঠে।

ভারতের লাখ লাখ শিশু আজ এই দম বন্ধ করা পরিস্থিতির শিকার।

ভারতের (দেখুন) National Crime Records Bureau (NCRB)-এর তথ্য অনুযায়ী,
প্রতিবছর পরীক্ষায় ভালো ফল করতে না পারা বা প্রত্যাশার চাপে ভারতের কয়েক
হাজার শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

রাজস্থানের কোটা থেকে শুরু করে বড় বড় শহর— সবখানেই এক বিষন্ন শৈশবের ছবি।

আমরা যখন তাদের হাত থেকে খেলার বল কেড়ে নিয়ে একগাদা বই তুলে দিই,
তখন আমরা আসলে তাদের ব্রেইনের স্বাভাবিক বিকাশকে রুদ্ধ করে দিই।

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ যেখানে অফিসের চাপ সহ্য করতে হিমশিম খান,
সেখানে একটা কোমল শিশু কিভাবে এই বিশাল প্রত্যাশার বোঝা বইবে?

(গত এক দশকে— “জলবায়ু পরিবর্তন ও বৃক্ষরোপণ” বা 
“গাছ লাগান পৃথিবী বাঁচান”—

এই বাক্যটা প্রায় নৈতিক মন্ত্রে পরিণত হয়েছে।

স্কুলের অনুষ্ঠান থেকে কর্পোরেট CSR, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন থেকে
রাজনৈতিক বক্তৃতা— সব জায়গাতেই গাছ লাগানোই যেন
জলবায়ু সংকটের চূড়ান্ত সমাধান।
কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুলটা হচ্ছে।

তবে কি আমরা আদৌ টিকে থাকবো এ গ্রহে?
পড়ুন– Click:
জলবায়ু সংকট চরমে: গাছ লাগালেও কি শেষ রক্ষা পাবো আমরা?)

—————————————————————————–

মেধা বনাম নম্বর: ভারতের

ভবিষ্যতের আসল সম্পদ

আমরা যদি সন্তানদের মার্কসের উপর গুরুত্ব একটু কমিয়ে তাদের সহজাত মেধা,
এবং আগ্রহের উপর দৃষ্টিপাত করি, তবে ভবিষ্যতে ভারত কিছু অমূল্য রত্ন পেতে পারে।

আজ আমাদের দেশ থেকে সুন্দর পিচাই বা সত্য নাদেলারা বিশ্ব জয় করছেন, কারণ তারা
হয়তো কোথাও গিয়ে তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ পেয়েছিলেন।

তারা মুখস্ত বিদ্যার সিঁড়ি বেয়ে নয়,
বরং কৌতুহলী মনের ডানায় ভর করে উপরে উঠেছেন।

নম্বর দিয়ে হয়তো একটা বড় কলেজের সিট পাওয়া যায়।
কিন্তু নতুন কোন আবিষ্কার বা দেশ গড়ার নেতৃত্ব দিতে প্রয়োজন
সৃজনশীল মস্তিষ্ক।

আজকের যুগে ইনফরমেশন বা তথ্য ইন্টারনেটে খুব সহজলভ্য।
তাই মুখস্ত করে নম্বর পাওয়ার চেয়ে বড় মেধা হলো, সেই তথ্যকে ব্যবহার করে,
কোন সমস্যার সমাধান করা।

আমরা যদি সন্তানদের প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দিই, তবেই ভারত সত্যিকারের
উদ্ভাবক খুঁজে পাবে।

যদি আমরা তাদের ভিতরকার সুপ্ত প্রতিভাকে একটু সম্মান করি,
তবে হয়তো আমাদের ঘরের কোণ থেকেই বেরিয়ে আসবে
আগামী দিনের বিশ্বজয়ী বিজ্ঞানী, শিল্পপতি বা সমাজ সংস্কারক।

ভারত সেই ভূমি, যেখানে জন্ম নিয়েছে অগণিত নক্ষত্র,
যার আলোয় আলোকিত হয়েছে সমগ্র বিশ্ব। 

নম্বরকে যখন আমরা একমাত্র লক্ষ্য বানিয়ে ফেলি, তখন আমরা আসলে মেধার
মৃত্যু পরোয়ানা লিখে দিই।
এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে, তবে তা বেশ কম।

নম্বর কি সত্যিই ভবিষ্যৎ

নির্ধারণ করে?

ইতিহাসের সেরা উদাহরণ:

ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আবিষ্কারগুলো যারা করেছেন,
স্কুলের ধরা-বাঁধা নম্বর পদ্ধতিতে তাঁরা অনেকেই ছিলেন ব্যর্থ বা সাধারণ।

স্যর আইজ্যাক নিউটন:

বিজ্ঞানের এই প্রবাদপ্রতিম পুরুষ ছোটবেলায় স্কুলে অত্যন্ত সাধারণ ছাত্র ছিলেন।
শিক্ষকরা তাঁকে নিয়ে খুব একটা আশাবাদী ছিলেন না।

এমনকি তাঁকে চাষবাসের কাজে লাগানোর জন্য স্কুল থেকে সরিয়ে
নেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছিল।

কিন্তু তাঁর মেধা কোনো গ্রেড কার্ডের তোয়াক্কা করেনি।
তিনি যদি কেবল ক্লাসের পাঠ্য বইয়ে আটকে থাকতেন,
তবে হয়তো আমরা কোনদিন মহাকর্ষের সূত্র পেতাম না।

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন:

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক আইনস্টাইন ছোটবেলায় গুছিয়ে কথা বলতে পারতেন না।

এমনকি জুরিখের পলিটেকনিক প্রবেশিকা পরীক্ষায় তিনি গণিত এবং বিজ্ঞানে অসাধারণ
মেধার স্বাক্ষর রাখলেও, অন্যান্য বিষয়ে পিছিয়ে থাকার কারণে অকৃতকার্য হয়েছিলেন।

আজ সারা বিশ্ব তার (দেখুন) “থিওরি অব রিলেটিভিটি” পড়ে।
সেই সময়ে প্রথাগত নম্বর দিয়ে তাঁকে বিচার করলে, পৃথিবী হয়তো এই মহান বিজ্ঞানীকে
কোনোদিনও চিনতে পারতো না।

টমাস আলভা এডিসন:

স্কুলের শিক্ষকরা তাঁকে ‘মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়া’ (Addled) বলে স্কুল থেকে
বের করে দিয়েছিলেন।
কিন্তু তাঁর মা তাঁর ভিতরের আগ্রহকে চিনেছিলেন।

সেই ছেলেই পরবর্তীতে ১০০০-এর বেশি আবিষ্কার করেন এবং বৈদ্যুতিক বাল্ব দিয়ে
বিশ্বকে আলোকিত করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:

আমাদের বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথের মন স্কুলের চার দেয়ালের শাসনে টিকতো না।
তিনি প্রথাগত পড়াশোনা ছেড়ে প্রকৃতির কাছে শিক্ষা নিয়েছিলেন।

অথচ তাঁর মেধার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী হন।
তিনি প্রমাণ করেছেন যে, জীবন ও জগতের শিক্ষা কোনো সার্টিফিকেটের
ফ্রেমে বন্দী করা যায় না।

স্টিভ জবস ও মার্ক জাকারবার্গ:

টেক জগতের এই দুই মহারথী প্রথাগত একাডেমিক শিক্ষায় পুরোপুরি সফল ছিলেন না।
তাঁরা দুজনেই কলেজ ড্রপ আউট।

কিন্তু তাঁদের মেধা ও অদম্য জেদ আজ সারা বিশ্বের যোগাযোগ ব্যবস্থা বদলে দিয়েছে।
সিলিকন ভ্যালির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছে এমন মানুষের হাতে যাদের মার্কশিট নয়
বরং ভিশন বা স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া।

ব্রেইন ক্যাপাসিটি ও বিজ্ঞানসম্মত

দৃষ্টিভঙ্গি: কেন অতিরিক্ত

চাপ ক্ষতিকর?

নিউরোসায়েন্স বা বিজ্ঞান বলছে
অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা স্ট্রেস মানুষের মস্তিষ্কের ‘হিপোক্যাম্পাস’ (যা স্মৃতি ধরে রাখে)
অংশকে সংকুচিত করে দেয়।

আমরা যখন শিশুকে নম্বর পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত প্রেসার দিই, তখন তার ব্রেইন
‘ফাইট অর ফ্লাইট’ মোডে চলে যায়।

এই অবস্থায় Exam pressure on students- এর মধ্যে বড় হওয়া অনেক শিশু বোঝার
জন্য শেখে না;
সে শেখে কেবল টিকে থাকার জন্য— মুখস্থ করে, আর অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যায়।

এতে সে যা পড়ছে, তা কেবল সাময়িকভাবে মনে রাখে (তোতাপাখির মতো),
কিন্তু বিষয়টা হৃদয়ঙ্গম করতে পারে না।

এই ধরনের দীর্ঘস্থায়ী চাপ শিশুকে সৃজনশীল চিন্তা করতে বাধা দেয় এবং তাকে
সারাজীবনের জন্য আত্মবিশ্বাসহীন করে তোলে।

অভিভাবক হিসেবে

আমাদের যা করা উচিত:

আমরা যদি আমাদের সন্তানদের প্রকৃত রত্ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই,
তবে আমাদের অভ্যাসে কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে:

১.ব্যক্তিগত দক্ষতাকে চেনা:

মনে রাখবেন, আপনার সন্তান হয়তো অংকে কাঁচা, কিন্তু সে অসাধারণ ছবি আঁকতে পারে
বা তার নেতৃত্বের গুণাবলী দারুণ।
সেই বিশেষ মেধাটাতে আগ্রহ দেখান।

ফুটবলার লিওনেল মেসিকে যদি দাবা খেলার জন্য চাপ দেওয়া হতো,
তবে বিশ্ব হয়তো একজন শ্রেষ্ঠ অ্যাথলিটকে হারাতো।

২. তুলনা নামক বিষ

থেকে দূরে থাকা:

প্রতিবেশী বা আত্মীয়ের বাচ্চার সাথে তুলনা করা সন্তানের মনে হীনমন্যতা তৈরি করে।
প্রতিটা শিশু একটা আলাদা স্বতন্ত্র সত্তা।

তুলনা তাদের ভিতরে ঈর্ষা এবং নিজেদের প্রতি অবজ্ঞা তৈরি করে, যা পরবর্তী জীবনে
ভয়ানক রূপ নিতে পারে।

৩. প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দিন,

রেজাল্টকে নয়:

সন্তান কতটুকু নতুন কিছু শিখলো বা জানলো, সেটা দেখুন।
কোনো বিষয়ে তার জ্ঞান বা দক্ষতা কতটুকু বাড়লো, তা নিয়ে আলোচনা করুন।

নম্বর কম পেলে তাকে তিরস্কার না করে বরং তার পাশে দাঁড়ান এবং
সমস্যার কারণটা বোঝার চেষ্টা করুন।

রত্ন চেনার সময় এখনই:

আমাদের সন্তানদের মস্তিষ্ক কোন রোবটের হার্ড ড্রাইভ নয়,
যে তাতে ইচ্ছামত ডেটা লোড করা যাবে।

তারা এক একটা জীবন্ত কুঁড়ি, যাদের বিকশিত হতে দিতে হয়।

মার্কশিট কেবল একটা কাগজের টুকরো যা সাময়িক দরজা খুলে দিতে পারে।

কিন্তু সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য এবং তার সৃজনশীল মেধা হল সেই সম্পদ,
যা তাকে সারাজীবন নেতৃত্ব দিতে শেখাবে।

আসুন, আমরা আমাদের সন্তানদের উপর প্রেসার হয়ে নয়, বরং তাদের
আস্থার জায়গা হয়ে পাশে দাঁড়াই।

বেলুনটাকে ততটুকুই বাতাস দিই,
যাতে সে আনন্দের সাথে নীল আকাশে উড়তে পারে— ফেটে না যায়।

যে দিন আমরা মার্কস-এর চেয়ে মেধাকে বেশি গুরুত্ব দেবো,
সেই দিন থেকেই ভারত তার আগামী দিনের অমূল্য রত্নদের খুঁজে পাবে।

আজকের অবহেলিত একটা সৃজনশীল শিশুই হতে পারে
আগামী দিনের নিউটন কিংবা রবীন্দ্রনাথ।

—————————————————————-

(আজ আপনি হাতে যে স্মার্টফোনটা ধরেছেন।

যে Wi-Fi সিগন্যাল বাতাসে ভেসে এসে আপনার স্ক্রিনে তথ্য পৌঁছে দিচ্ছে।

যে মোবাইল নেটওয়ার্ক মুহূর্তে মুহূর্তে আপনার কণ্ঠস্বরকে মাইলের
পর মাইল দূরে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

এই সবকিছুর পেছনে যে মৌলিক পদার্থবিদ্যা কাজ করে,
তার পরীক্ষামূলক ভিত্তি তৈরি হয়েছিল এক শতাব্দীরও বেশি আগে
কলকাতার এক নিভৃত পরীক্ষাগারে।

পড়ুন সেই অজানা বৈজ্ঞানিক কাহিনী: Click–১৯ শতকে কলকাতার
সেই ল্যাবরেটরি, যেখানে জন্ম হয়েছিল আজকের Wi-Fi আর 5G-র ফিজিক্স!)

———————————————————————

(Articlesবাংলা – আমাদের, আপনাদের পরিবার।
ইমেল আইডি দিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত হন।

ফলে যখনই এই ব্লগে কোনো নতুন লেখা পোস্ট করা হবে,
সবার আগে আপনিই পাবেন নোটিফিকেশন। 

লেখাটা ভালো লাগলে,
শেয়ার করে বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।
মূল্যবান মন্তব্যে জানান কেমন লাগলো।)

ইমেইল আইডি দিয়ে যুক্ত হন

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.

About Articlesবাংলা

Welcome to Articlesবাংলা – a vibrant hub of words, ideas, and creativity.This website is the personal archive and creative expression of Tanmoy Sinha Roy, a passionate writer who has been exploring the art of writing for more than seven years.Every article, prose-poem, and quotation you find here reflects his journey, experiences, and dedication to the written word.Articlesবাংলা aims to inspire readers by offering thought-provoking insights, celebrating the richness of Bengali language and literature, and creating a space where ideas, imagination, and culture connect.Whether you are seeking literary reflections, prose-poems, diverse articles, or meaningful quotations, you are invited to explore, reflect, and be inspired.

Check Also

স্বামী বিবেকানন্দ কিভাবে মারা যান: অজানা যন্ত্রণার ইতিহাস

স্বামী বিবেকানন্দের বিশ্বজয়ের আড়ালে এক অজানা যন্ত্রণার ইতিহাস!

বিবেকানন্দ কিভাবে মারা যান তা জানতে হলে আগে তাঁর সেই লড়াইটা আমাদের রক্তে মিশিয়ে অনুভব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *