বাঙালির রক্তে DNA কম, শিল্প বেশি
বাঙালির প্রতিভা যেন জন্মগত;
সাহিত্য, সঙ্গীত, বিজ্ঞান এবং চিন্তার প্রতিটা শাখায়,
তাঁদের আলোর ব্যাপ্তি এমন গভীর যে,
তা শুধু সময়ের স্রোতকেই নয়, বিশ্ব-মানবের অন্তরেও স্থায়ী প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করে।
এমন এক আলো–
যা ধ্বংসের আগ পর্যন্ত আলোকিত করে রাখতে পারে গোটা পৃথিবীকে।

বিশ্ব যখন রবীন্দ্রনাথের লেখায় মানবিক গভীরতার নতুন রূপ দেখল।
প্রেমের নতুন সংজ্ঞা পেল, জীবনের সুক্ষ্ম আনন্দ, বেদনা অনুভব করল,
যা হৃদয় এবং চিন্তার দুটো স্পন্দনই জাগিয়ে তুলল;
পাশাপাশি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শক্তিও বিশ্বের দরবারে ছড়িয়ে পড়ল।
তখনই আরেক বাঙালি জগদীশ চন্দ্র বসু–
বিজ্ঞানের খাতায় লিখে ফেললেন এক যুগান্তকারী আবিষ্কার,
যা পরবর্তীকালে ইতিহাসের পৃষ্ঠাই পরিবর্তন করে দিল।
সেতারের সুরে পণ্ডিত রবিশঙ্কর এমন মাধুর্য সৃষ্টি করলেন,
যে তা শুধু স্থান বা সময়ে সীমাবদ্ধ থাকতে পারল না,
যেন শিশির বিন্দু হয়ে ছড়িয়ে পড়ল পৃথিবীজোড়া শ্রোতার হৃদয়ের গভীরে।
বাঙালির এই ভূমি যেন প্রতিভার এক আঁতুড়ঘর।
এখানে প্রতিটা ঘরে আলো জ্বলুক, বা নাই জ্বলুক,
কোনো না কোনো শিল্পের আলো জ্বলবেই।
সব প্রতিভার মূল্যায়ন যথার্থ হোক না হোক, রক্তে শিল্প বেঁচে থাকবেই।
কারণ বাঙালির রক্তে DNA কম, শিল্প বেশি।

এই বিষ্ময়কর উত্তরাধিকার বহনকারী শিল্পীদের সারিতে আছেন,
আরেক উজ্জ্বল নাম– আরতী মুখার্জী।
তিনি যেন সেই পাতার শিরা, যেখানে সুরের সঙ্গে প্রাণের স্পন্দন মিশে যায়।
মানুষ, পেশা কিংবা ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনায় নয়,
একজন সফলতম শিল্পী হিসেবে আজ তাঁকে একটু কাছ থেকে জেনে নিই আসুন–
তখন তোমার একুশ বছর বোধহয়…
ভাবুন, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন জীবনের এমন এক মোড়ে,
যেখানে স্মৃতির আলো আর বয়সের সরলতা মিলে এক অদ্ভুত আবেগ তৈরি করে।
হালকা শীতের সকাল, মৃদু কুয়াশার আবরণে পরিবেশটা যেন একপ্রকার মুড়ে আছে।
আপনি চেয়েও আকাশটা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন না, শুধু অস্তিত্ব অনুভব করছেন।
সর্ষে ও সোনালী ধানের মাঠে শিশিরের ঝলক, পাখীর কূজন,
আর শীতের হালকা হাওয়া ছুঁয়ে যাচ্ছে আপনার শরীর।
হয়তো আপনার কল্পনাতে, আপনার দিকে তাকিয়ে, মৃদু হেসে,
কোমলতায় ভিজিয়ে হাঁটছে বিশেষ কেউ।
হঠাৎ, দূর থেকে হাওয়ায় ভেসে এল এক তীক্ষ্ণ অথচ মধুর, সুরেলা কণ্ঠ–
“তখন তোমার একুশ বছর বোধহয়,
আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁয়ায়।
লজ্জা জড়ানো ছন্দে কেঁপেছি,
ধরা পড়েছিল ভয়….”

( ঘন জঙ্গলের বুক চিরে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন পাথরের দেয়াল;
লতা-গুল্ম যেন সময়ের ধুলো মুছে দিতে চায় তার বুকে।
সূর্যের আলোকরশ্মি ভেদ করে নেমে আসে,
এক বিশালদেহী পিরামিডের চূড়ায়।
আলো ছুঁয়ে যায় ইতিহাসের ঘুমন্ত মুখ।
পড়ুন– Click: মায়ান রহস্য– হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার সন্ধানে! )
যেন হৃদপিণ্ড তখন হঠাৎ– কথা বেশি বলা শুরু করে দিল,
একটা কেমন অস্থিরতা সারা শরীর জুড়ে দৌড়াতে লাগল।
মন ছটফট করে যেন এক নিঃশ্বাসে ছুটে চলে যেতে চাইলো তাঁর কাছে,
কিন্তু কার কাছে?
কেউ তো তেমন নেই।
এমনই ছিল তাঁর কণ্ঠের জাদু–
- নিখুঁত স্বরনিয়ন্ত্রণ
- অনুভূতির গভীর উপস্থাপন
- অতি কম শব্দে আবেগ জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা
- সুরের সঙ্গে প্রাকৃতিক ছন্দের খুঁতহীন মিল
- শ্রোতার হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলার ক্ষমতা
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
আরতী মুখার্জী তাঁর প্রতিভার জন্যে বহু সম্মান অর্জন করেছেন,
যার মধ্যে, নাসিরুদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি, যুগল হংসরাজ,
ও উর্মিলা মাতন্ডকর অভিনীত, শেখর কাপুর পরিচালিত “মাসুম” ছবিতে সেই বিখ্যাত গান–
‘দো ন্যায়না, অউর এক কাহানী,
থোড়া সা বাদল, থোড়া সা পানি, অউর এক কাহানী’-এর জন্যে তিনি ১৯৮৩ সালে পেয়ে গেলেন,
“ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড!”
এছাড়া ২০১৫ সালে ওড়িশা সরকার ও টাইমস অব ইন্ডিয়া গ্রুপ-এর পক্ষ থেকে
২০১৬ সালে তিনি অর্জন করলেন “লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড।”
২০২৫ সালে, ৩১ তম কোলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে,
তিনি “বঙ্গবিভূষণ” পুরস্কারে সম্মানিত হন।

বাংলা ভাষায় তিনি আনুমানিক ১৫০০০ এর কাছাকাছি গান গেয়েছেন।
এছাড়া হিন্দি ও অন্যান্য ভাষা তো আছেই।
এ শুধু প্রতিভার স্বীকৃতি নয়; এ তাঁর কণ্ঠের গভীরতা এবং আবেগের পরিধির প্রমাণ,
যা যুগে যুগে শ্রোতাকে মুগ্ধ করেছে।
তবে বেশ কিছু শিল্পীই তাঁকে যে ঈর্ষা করতেন, তা তাঁর জীবনের বিভিন্ন লেখা,
ভিডিও, তথ্য ইত্যাদি থেকে জানা যায়।
জীবনের বাঁক ও চ্যালেঞ্জ
গীতিকার সুবীর হাজরার সাথে মতানৈক্য কিংবা মানসিক দ্বন্দের কারণে,
বিবাহ বিচ্ছেদের পর, আরতী মুখার্জী দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে সম্পূর্ণ একা ছিলেন।
হয়তো কিছু, বা কেউ ফিরে আসার অপেক্ষায়, আবার হয়তো না,
কারণ তখন তোমার একুশ বছর বোধহয়…
এই কালজয়ী গানের লেখক তাঁর স্বামী নিজেই।
কিন্তু মা বুঝতে পারতেন–
জীবনকে এমন নিঃসঙ্গ ছায়ায় চিরদিন ধরে রাখা যায় না।
অতএব, একসময় মায়ের উদ্বেগ, অনুরোধ ও নানাবিধ পীড়াপীড়ির মধ্যে দিয়ে,
শেষ পর্যন্ত তিনি গুজরাটের নামকরা ব্যবসায়ী,
“মুনিম” পরিবারে বিয়েতে সম্মতি দিলেন;
বাঙালি মেয়ে পা রাখলেন গুজরাটি পরিবারে।

একসময় নবদম্পতির কোল জুড়ে জন্ম নিল সন্তান সোহম।
মুনিম পরিবার বলে কথা,
নাতিকে পণ্ডিচেরির অরবিন্দ আশ্রমে রেখে মানুষ করতে হবে।
শ্বশুরবাড়ির বিভিন্ন নিয়ম, স্বামী সংসারের দায়িত্বকে বরণ করে নিয়ে,
আরতী মুনিমের সাধারণ সাংসারিক জীবন যেভাবে এগিয়ে যেতে লাগল;
বিপরীতে, ঠিক সেভাবেই ধীরে ধীরে দূরত্ব বাড়তে লাগল তাঁর গান ও ক্যারিয়ারের সাথে।
এ পরিস্থিতিতে বহু অফার,
বহু গান যেন একে একে মুখ ফিরিয়ে নিতে লাগল তাঁর থেকে।
সংগ্রামের পথে প্রাণ সংশয়
এক সাক্ষাৎকারে আরতী মুখার্জী জানিয়েছেন–
বোম্বেতে স্ট্রাগল করার মুহূর্তে, একদিন অসম্ভব পেটে যন্ত্রণা।
কে, কখন ও কিভাবে, কোন খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিলেন,
মনে পড়ে সেই দিনের দুঃস্বপ্ন!
হস্পিটালের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিষক্রিয়ায় তাঁর শরীরে অস্বস্তি শুরু হয়েছিল,
প্রতিক্রিয়াস্বরূপ ফুলে যায় তাঁর পা।
দীর্ঘদিন যাবৎ এই পায়ের কারণে একটানা বসে রেওয়াজও তিনি করতে পারতেন না।

তবে কি তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল প্রতিভার হিংসায়?
কে বা কারা করেছিল এ নোংরা কাজ?
কার নির্দেশেই বা সংঘটিত হয়েছিল এই কু’কর্ম?
এ সব আজও যেন এক রহস্য।
খ্যাতির আলো
ও সমালোচনার ছায়ায় আরতী মুখার্জী
কিছু সমালোচক এর মতে–
সে সময়ের বুকে দাঁড়িয়ে লতা, আশা, সন্ধ্যার মত গায়িকাদের সাথে প্রতিযোগীতা,
রেষারেষি থেকে দুরত্ব বাড়াতে আরতী মুখার্জী নিজেই অন্তর থেকে চেয়েছিলেন
অকাল-অবসর, আর তাই গুজরাটি পরিবারে তিনি জেনে-বুঝেই গেছেন।
কেউ কেউ আবার বলেন–
তাঁর সরলতার কারণে তিনি ঠকেছেন জীবনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে।
বোম্বাইয়ে আরতী দেবীর নজর কাড়া সফলতা,
বিশেষত দু-একজন শিল্পীর চোখের বালি হয়ে উঠেছিল।
আবার কারো মতে–
পয়সাওয়ালা ঘরে বিয়ে করে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন,
আদতে তিনি ছিলেন অহঙ্কারী, আর যথেষ্ট বুদ্ধিমতী ইত্যাদী।
তবে বিষয়টা হল–
প্রথিতযশা কোনো মানুষের কর্ম বা সৃষ্টির আলোটাই সাধারণত মানুষের হদয়ে,
অথবা মাথায় বসে থাকে।
ব্যক্তিগত উনিশ-বিশ, এটা-সেটা, সে তো সমালোচকদেরও থাকে।
এ প্রসঙ্গে আমার নিজের সৃষ্টি এক কোটেশন মনে পড়ে গেল–
“অন্যের ভুলে দূরবীন,
আর হলে নিজের, দৃষ্টিহীন।”
( চারিদিক জুড়ে এক মহাশূন্যতা,
ও হাড় কাঁপানো শীতল বাতাস যেন এর অহঙ্কারের সীমা ছুঁয়েছে।
প্রকৃতির সর্বোচ্চ শক্তি এখানে প্রতিফলিত,
মানুষের পা এখানে খুব কম পড়ে।
পড়ুন– Click: ডিজিটাল ভ্রমণ– রহস্য-রোমাঞ্চে ভরা পৃথিবী! )
বলিউডের প্রকৃত রূপ– প্রকাশ্যে
তো যাইহোক, একসময় তিনি বলিউডের প্রকৃত রূপের কথাও জানিয়েছেন।
বলেছেন– সে সময়ে দাঁড়িয়ে,
বোম্বাইয়ের গায়িকাদের মধ্যে ঠিক কি পরিমাণে রেষারেষি চলছিল।
এক ইঞ্চিও জায়গা কেউ কাউকে ছাড়তে নারাজ, ফুল প্রফেশনাল একটা দুনিয়া।
সন্তানের মধ্যে দিয়ে
শিল্পের ধারাবাহিকতা
আরতী দেবীর স্বপ্ন ছিল, তাঁর শিল্প জীবিত থাকুক ছেলে সোহমের মধ্যে।
অবশেষে দক্ষ সেতারকবাদক, পিয়ানো ও বাঁশির শিল্পী হওয়ার পাশাপাশি,
সোহম একজন ভালো সঙ্গীত শিল্পী হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পেলেন।
যদিও পেশায় তিনি আইনজীবী, কিন্তু তাঁর মূল প্রেরণা শিল্পেই।
এভাবে একজন শিল্পীর বীজ নতুন প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়েছে,
বেড়ে উঠেছে ভেবে, মা আরতী মুখার্জী নিশ্চই তৃপ্তি অনুভব করেন।
আরতী মুখার্জীর শিল্পের ছোঁয়া এখন বেঁচে আছে সোহমের হাতে।
প্রতিটা সুর, প্রতিটা তাল যেন মা থেকে ছেলের মধ্যে প্রবাহিত হচ্ছে।
মা হয়তো উপলব্ধি করছেন সেই আনন্দ,
যা কোনো পুরস্কার বা স্বীকৃতির সঙ্গে তুলনীয় নয়।
স্বপ্ন, কষ্ট ও অন্তরায়
আরতী মুখার্জী কখনও তেমনভাবে নিজেকে প্রচার করে উঠতে পারেন নি।
তিনি একবার বলেছিলেন– “পুনর্জন্ম যদি থাকে,
ভগবান যেন আমাকে আরও চালাক-চতুর করে পাঠান।”
তাঁর কণ্ঠের সৌন্দর্য, গভীরতা এবং আবেগ– তিনই মূল শক্তি।
তবে আরতী মুখার্জীর সাথে রাহুল দেব বর্মণের একটা ভালো বাঁধন তৈরি হোক,
তা এক-দুজন নক্ষত্রসম শিল্পী চাইতেন না।
রাহুল দেব বর্মণকে বাধ্য করা হয়েছিল,
আরতী মুখার্জীর সাথে গানের সম্পর্ক ত্যাগ করার জন্য।
বাপ্পী লাহিড়ির কাছে এমনকি ফোনে হুমকি পর্যন্ত আসে,
তাঁকে দিয়ে গান না গাওয়ানোর জন্য।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, প্রতিবেদন থেকে উঠে আসে এমনই তথ্য।
জীবনের চাপ ও সামাজিক বাধার কারণে,
এমন অনেক শিল্পীকেই অনেক সময় স্বপ্নের পিছু ছাড়তে হয়।
যারা শিল্পের দুনিয়ায় প্রতিভা রাখে,
তাঁরা প্রায়শই এই নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখী হয়।
প্রতিভা থাকলেও, পারিবারিক, সামাজিক বা আর্থিক বাধা,
শিল্পীর শিল্পকে ভিতরেই মেরে দেয়, বদলে দেয় শিল্পীর পথ।
কেমন আছেন আজকের আরতী মুখার্জী?
বর্তমানে মুম্বাইয়ের একটা ফ্ল্যাটে,
৮২ বছর বয়সে ছেলে সোহমের সাথে থাকেন আরতী মুখার্জী।
জীবনের দীর্ঘ যাত্রায় তিনি আজ অনেকটাই শান্ত, নিরিবিলি।
মূলত পরিবারকেন্দ্রিক জীবনই এখন তিনি যাপন করছেন।
প্রতিভার চূড়ায় থেকেও, তাঁর জীবন কোনও দিন সহজ ছিল না।
১৯৪৩ সালে ১৮ জুলাই তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন;
তাঁর পরিবার ছিল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যপূর্ণ।
অল্প বয়সে বাবাকে হারানোর পর,
মায়ের অনুপ্রেরণাতেই তিনি ধীরে ধীরে পা রাখেন গানের পথে–
যে পথ পরবর্তী দশকগুলোতে তাঁকে পৌঁছে দেয়,
ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক অনন্য উচ্চতায়।
( “শুনুন মশাই!
আপনাদের সংস্কৃতি গড়ে তোলে আপনাদের দর্জিরা,
অন্যদিকে আমাদের সংস্কৃতি আমাদের চরিত্র দ্বারা তৈরি।
সংস্কৃতি পোশাকে গড়ে ওঠে না, গড়ে চরিত্রের বিকাশে।”
তো এমনই ছিল তাঁর জীবন দর্শন।
পড়ুন– Click: স্বামী বিবেকানন্দ– বিশ্বমঞ্চে আলোড়ন সৃষ্টির সেই মুহুর্ত! )
এক ইন্টারভিউতে আরতী মুখার্জী বলেছেন–
“আজকাল মান্নাদার কথা খুব মনে পড়ে, ওঁর শেষ জীবনটার কথা।
বড় নিঃসঙ্গতার মধ্যে কেটেছে; মানুষের সাথে একটু কথা বলার জন্য,
যেন কাঙাল হয়ে থাকতেন।
আমাদেরও সেই অবস্থা হবে না তো?
আমি আবার একটু খোলা পার্কে গিয়ে বসতে চাই,
মানুষের মুখোমুখি বসে, হাতে হাত ছুঁয়ে কথা বলতে চাই।
আবার মানুষকে গান শোনাতে চাই।”
(Articlesবাংলা – আমাদের, আপনাদের পরিবার, সাথে যুক্ত থাকুন।
লেখাটা ভালো লাগলে শেয়ার করে বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।)
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।



