Articlesবাংলায় আপনাকে স্বাগত! এই ওয়েবসাইট আপনাদের জন্য একদম নতুন ও আধুনিক ভাবনায় সাজানো হয়েছে। এই একই ওয়েবসাইটে আপনি পাবেন নানান বিষয়ের ওপর গভীর বিশ্লেষণধর্মী, বোধকে নাড়িয়ে দেওয়ার মত দুর্দান্ত ও ব্যতিক্রমী সব লেখা। এখানে প্রতিটা লেখা শুধু পড়ার জন্যে নয়– ভাবনার গভীরে ডুবে যাওয়ার জন্যে। প্রতিটা সৃষ্টি আপনাকে নতুন করে ভাবাবে। আইন থেকে সমাজ। রাজনীতি থেকে প্রযুক্তি। বিজ্ঞান থেকে দর্শন। মনস্তত্ত্ব থেকে ইতিহাস। প্রেম, বিরহ, রহস্য, রোমাঞ্চ। মহাকাশ থেকে মানবমনের গভীর অন্ধকার— অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের অজানা সেইসব সত্য এখানে আলোচনার বিষয়। এই প্ল্যাটফর্মের প্রতিটা লেখা এক একটা যাত্রা। যে যাত্রায় আমাদের বাঙালি পরিবারের প্রিয় ও গুণী পাঠক শুধু দর্শক নয়—সহযাত্রী। একজন প্রকৃত বাঙালি হয়ে, যদি বাংলা শব্দের সেই অনন্ত শক্তিকে জানতে চান, চিনতে চান ও মন-প্রাণ দিয়ে উপলব্ধি করতে চান— তাহলে আপনি একদম ঠিক জায়গাতেই এসেছেন। এখানে কোনো পক্ষপাত নেই। কোনো অন্ধবিশ্বাস নেই। কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় চশমা নেই। আছে কেবল যুক্তি, মনন, এবং মানুষের মঙ্গলচিন্তা। তাই পাশে থাকুন, সাথে থাকুন আমাদের সঙ্গে জুড়ে ‘বাঙালির পরিবার’ হয়ে এক আত্মায়। একজন প্রকৃত বাঙালি হয়ে মানুষের উপকারের স্বার্থে, লেখাগুলোকে এত শেয়ার করুন, যে সমাজের অন্যান্যরাও জানতে পারে, বুঝতে পারে, সচেতন হতে পারে। ইমেইল আইডি দিয়ে "বাঙালি পরিবারের" ঘরের মানুষ হন। চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে বারে বারে তুলে ধরি একসাথে, সবাই মিলে। বিশ্ব জানুক– বাঙালি কি? ভারত কি? বাংলা শব্দের শক্তিই বা কতটা? প্রতিনিয়ত বাঙালির পেজে চোখ রাখুন নতুন নতুন সব গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখা পেতে। ধন্যবাদ!! 🤝 🙏 🙋‍♂️ 👍

অভয়া নয়, মারা গেছে রাষ্ট্রের বিবেক!

অভয়ার মৃত্যু নয়, বিবেকের অন্ত্যেষ্টি

অভয়া কি মারা গেছে?
না, যায় নি, মারা গেছে রাষ্ট্রের বিবেক।
আর আমরা একে নাম দিয়েছি– “দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।”

ফুলে ঢাকা অপরাধ

যারা খুন করেছে, তাঁদের মুখে এখন শোকের ছায়া,
হাতে পুষ্পস্তবক;
কিন্তু চোখে ঘুরে বেড়াচ্ছে পরিকল্পনার ধুলো।
যেন অপরাধের উপর ফুল দিলেই ন্যায় ফিরে আসে।

( কিন্তু মরা মানুষ তো সহজ,
কারন সে প্রশ্ন করে না,
করে না কোনও প্রতিবাদ, বিদ্রোহ।
নিথর নক্ষত্রের আর কোনও দাবী থাকে না,
থাকে না কোনও চাওয়া-পাওয়া।
পড়ুন– Click: জুবিন গার্গ হওয়া কঠিন, সেলিব্রিটি সোজা! )

ক্ষমতার হাতে লেখা স্ক্রিপ্ট

এই সভ্যতা এখন এক নিখুঁত নাট্যমঞ্চ,
যেখনে অপরাধীরা অভিনয় করে নির্দোষের চরিত্র,
আর দর্শক হাততালি দেয়–
কারণ স্ক্রিপ্টটা লিখেছে ক্ষমতা নিজেই।

অভয়ার অবিক্রিত মেরুদণ্ড

(দেখুন) অভয়া জানত সত্য বললে,
একদিন মৃত্যুর দরজা খুলে যাবে।

তবু বলেছিল,
কারণ সে মেরুদণ্ড বিক্রি করেনি টেন্ডারে।

মানুষ হওয়ার অভিনয়

হয় বিবেক মরত, নয় সে।
সে মরল, কারণ রাষ্ট্র চায় না বিবেক বেঁচে থাকুক।
বেঁচে থাকলে রাজনীতি উলঙ্গ হত।

আর আজ যারা শোক পালন করছে,
তাঁরা মানুষ হওয়ার অভিনয়ে পটু।

পচনের পুরোহিতরা

রাজনীতির গন্ধ এখন পচে গেছে,
সেই গন্ধে লুকিয়ে আছে পচনের পুরোহিতরা,
যারা দিনে ভাষণ দেয় ন্যায় নিয়ে,
রাতে ভাগ করে নেয় অন্যায়ের কমিশন।

নাম মুছে ফেলার রাজনীতি

তাঁদের মুখে আজও স্লোগান,
কিন্তু হাতের নিচে নথি।
সেখানে মুছে ফেলা হয়েছে অভয়ার নাম।

ভাষার বিবর্তন ও নীতির মুখোশ

এখন খবরের শিরোনাম বদলে গেছে,
অপরাধের ভাষা হয়েছে– “অভিযুক্ত” নয়, ” সন্দেহভাজন।”
যারা খুনের সাথে জড়িত,
তাঁরা আজ নীতির আলোচনায় ভালো বক্তা।

কবে মানুষ ভুলে যাবে

তাঁদের মুখে এখন ধর্ম,
বুকে পতাকা,
কিন্তু মনের ভিতরে শুধু হিসেব–
কবে মানুষ ভুলে যাবে।

প্রতিদিন বদলানো ন্যায়ের সংজ্ঞা

অভয়ার দগ্ধ শরীরের যে গন্ধ,
তাঁরা এয়ার ফ্রেশনারে ঢেকেছে।

ক্যামেরার সামনে সাদা পোশাক পরে বলছে–
“আমরা ন্যায় চাই।”
ন্যায়, যার সংজ্ঞা তাঁরা প্রতিদিন পরিবর্তন করে।
যাতে নিজেদের নামটা বাদ থাকে।

বুদ্ধিমত্তার ছদ্মবেশে অন্যায়

এই পৃথিবী এখন ভয়ঙ্করভাবে বুদ্ধিমান,
এখানে অন্যায় যুক্তির মুখোশ পরে হাঁটে,
অপরাধ আইনের পথ নয়– ফাঁক খুঁজে নেয়,
আর বিবেক নিরুপদ্রবভাবে অবসর নেয়।

অভয়ার প্রতিধ্বনি

অভয়া আর ফিরবেনা,
কিন্তু তাঁর রক্তের ধারা এখনও স্রোত হয়ে বইছে,
প্রতিটা পুরোহিতের যজ্ঞের আগুনে।
যখনই কোনো মানুষ প্রশ্ন করবে,
সে আগুন তাড়া করবে তাঁদেরই।

অন্যায়ের ক্ষমতা ভয়েই বাঁচে

কারণ অভয়া মৃত নয়,
সে এক প্রতিধ্বনি,
যা রাজনীতির দেয়ালে প্রতিদিন ফিরে আসে, এই বলে–
“অন্যায় যে ক্ষমতায় বাঁচে, সে ভয়েই মরে।”

প্রশ্নের অতৃপ্ত আত্মা

আজ প্রশ্নের অতৃপ্ত আত্মারা,
রাতে ঘোরে ছায়া হয়ে–
ন্যায় কি তবে ডাইনোসরের পথে?

মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
ক্ষমতার গুহায় তাকে বন্দী রাখবে কতদিন?
গণতন্ত্র কি তবে সত্যিই কোমায়?

( যাদের শেখানো হয়নি কোনও দিন,
ধর্ম মানে ভালোবাসা,
রাজনীতি মানে দায়িত্ব।
পড়ুন– Click: দুই নেকড়ে! )

"প্রতিটা নতুন লেখা– সরাসরি ও সবার আগে আপনার ইনবক্সে।

ইমেইল দিয়ে যুক্ত হন বাঙালির পরিবারে।"

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.

About Articlesবাংলা

Articlesবাংলা
Welcome to Articlesবাংলা – a vibrant hub of words, ideas, and creativity. This website is the personal archive and creative expression of Tanmoy Sinha Roy, a passionate writer who has been exploring the art of writing for more than seven years. Every article, prose-poem, and quotation you find here reflects his journey, experiences, and dedication to the written word. Articlesবাংলা aims to inspire readers by offering thought-provoking insights, celebrating the richness of Bengali language and literature, and creating a space where ideas, imagination, and culture connect. Whether you are seeking literary reflections, prose-poems, diverse articles, or meaningful quotations, you are invited to explore, reflect, and be inspired.

Check Also

গভীর আবেগঘন ভারতীয় বিবাহের দৃশ্য: সাদা কুর্তা পরা একজন বাবা হলুদ মেখে থাকা (হলদি) হলুদ শাড়ি পরা মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন। একটি নীল ঔজ্জ্বল্যময় আধ্যাত্মিক/স্বর্গীয় ফিগার মেয়ের বিদায়ী আত্মা বা অস্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলছে। চিত্রটি কন্যাদান এবং পিতার কাছ থেকে কন্যার তীব্র বিচ্ছেদের দুঃখকে তুলে ধরেছে। পিছনে একজন মা দাঁড়িয়ে আছেন।

অন্য মাটির আমন্ত্রণ!

শৈশব ছেড়ে অন্য মাটির আমন্ত্রণে ও বাবা– তোমার সেই ছোট্ট পুতুল, যে আঙুল ধরে প্রথম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *