ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী: যাদের সামনে মৃত্যুও পিছু হটে, কেন তারা এত ভয়ঙ্কর?

ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী,

মৃত্যুকে যারা পায়ের

নিচে পিষে দেয়

তারাই ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী হলো তারাই,
যারা মৃত্যুকে পায়ের নিচে পিষে দিয়ে দেশের সীমানা রক্ষা করে।

দেশ মানে শুধু মানচিত্র নয়–

  • (Click:) ‘দেশ‘ মানে সীমান্তের শেষ রক্তাক্ত ইঞ্চি।
  • শহরের প্রতিটা আঁধার গলি।
  • সমুদ্রের প্রতিটা অশান্ত ঢেউ।
  • আকাশের প্রতিটা ফুঁসে ওঠা বাতাস।

আর এই চার দিকের প্রতিটা শ্বাসকে নিরাপদ রাখতে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে,
যে মানুষগুলো নিজেদের ঘুম, আরাম, স্বপ্ন– সব কবরে মাটি চাপা দিয়ে রাখে,
তারা সাধারণ সৈনিক নয়, তারা সেই দুর্ধর্ষ বিশেষ মানুষ, যাদের আমরা গর্বের সাথে
চিনে নিই ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী হিসেবে।

  • যারা মৃত্যুর গন্ধকে পরিচিত সুবাসের মতো গ্রহণ করে।
  • কালো অন্ধকারের বুকে ছুরি চালিয়ে এগিয়ে যায়। 
  • ঝড়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তাকে মুঠোয় চেপে ধরে দৌড়ায়।
  • আর বিস্ফোরণের হৃদপিণ্ড কাঁপানো শব্দকে,
    হৃদয়ের স্পন্দনের সাথে তাল মিলিয়ে নেয়।

তাদের প্রতিটা পদক্ষেপই একেকটা সতর্কতা।
প্রতিটা নিঃশ্বাসই একেকটা অঙ্গীকার–

“কেউ থাকবে না, কিছু থাকবে না, তবুও আমরা থাকব–
দেশের শেষে দাঁড়িয়ে, শত্রুর মৃত্যুর দূত হয়ে।”

এরা দেশের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ, নিঃশব্দ, ভয়হীন, সর্বোচ্চ প্রশিক্ষিত যোদ্ধা।
যাদের মুল মন্ত্র– “Mission First. Failure Never.”

এরা শুধু যুদ্ধ করে না, এরা রাষ্ট্রের শিরদাঁড়া।
শহুরে সন্ত্রাস দমন থেকে সমুদ্রের গভীর গোপন অভিযান।
পাহাড়ের তুষারঢাকা সীমান্ত থেকে জঙ্গলের অন্ধকারে গেরিলা যুদ্ধ–
এই যোদ্ধাদের প্রতিটা নিঃশ্বাসই একেকটা ঢাল।

ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে যে দলগুলো দিনরাত কাজ করে,
তাদের মধ্যে থেকেই সেরাদের নিয়ে সাজানো হয়েছে–
ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী-এর এই তালিকা।

ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী কোনগুলো?

১. NSG–

শহুরে সন্ত্রাস দমনের কালো ঝড়

NSG বা National Security Guard– যাদের আমরা ‘ব্ল্যাক ক্যাট’ নামে চিনি;
ভারতের সবচেয়ে পরিচিত সন্ত্রাস দমন বাহিনী।
এদের জন্ম ১৯৮৪ সালের পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি সামলানোর জন্য।
কাজ?
এক মুহূর্তে শহরের মাঝখানে ঢুকে হোস্টেজ রেস্কিউ, হাইজ্যাক দমন,
বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ– সবকিছু একই সঙ্গে সামলানো।

এদের CQB (Close Quarter Battle) দক্ষতা এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে উন্নত।
বিশেষ করে ২৬/১১ মুম্বাই সন্ত্রাস হামলায় NSG- এর ভূমিকা প্রমাণ করেছে–
ভারতের শহুরে নিরাপত্তার শেষ শব্দ NSG.

কেন শীর্ষে?
কারণ শহরে বন্দুকের গর্জন শুরু হলে– জনতার ভিড়ে, সিঁড়ির মোড়ে,
হোটেলের ঘরে– যে বাহিনী শূন্যতম সময়ে ঢুকে পড়ে, সেটাই NSG.


(যদি একদিন ভারতও ব্যবসার অজুহাতে ব্রিটিশ উপনিবেশে গিয়ে বলে–

“এবার হিসেবটা চুকিয়ে নেওয়া যাক।
ভারত থেকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়া যে সম্পদ,
সেগুলো এবারে ফিরিয়ে নেওয়ার সময় হয়েছে– দাও।”

তাহলে দৃশ্যটা ঠিক কেমন লাগবে?
পড়ুন– Click: ইংরেজ ভারতে না আসলে, আজ বিশ্বের সুপার পাওয়ার হতো ভারত!)

২. MARCOS–

সমুদ্রের অদৃশ্য মৃত্যুদূত

MARCOS (Marine Commandos) হলো ভারতীয় নৌ-বাহিনীর সবচেয়ে দুর্ধর্ষ,
সর্বোচ্চ প্রশিক্ষিত বিশেষ ইউনিট।
প্রায় Navy SEALs– এর সমতুল্য এই বাহিনীর প্রশিক্ষণ এতটাই নির্মম ও কঠোর,
যে ১০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

এরা তিন জোনে যুদ্ধ করতে সক্ষম–

  • জলের নিচে।
  • জলের ওপর।
  • উপকূল ও স্থলভাগে। 

তাদের বিশেষ দক্ষতা–

Underwater Demolition

জলের নিচে বিস্ফোরক ধ্বংস/ ধ্বংসকরণ অপারেশন 
(জলের নিচে মাইন, বিস্ফোরক বা স্ট্রাকচার ধ্বংস করার বিশেষ অভিযান)

Maritime Counter Terrorism (MCT)

সামুদ্রিক সন্ত্রাস দমন অভিযান
(সমুদ্রপথে সন্ত্রাস, অনুপ্রবেশ ও হাইজ্যাক প্রতিরোধমূলক বিশেষ অপারেশন)

VBBS (Visit, Board, Search & Seizure)

জাহাজে প্রবেশ-তল্লাশি- দখল/ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ অভিযান
(সন্দেহভাজন বা হাইজ্যাকড জাহাজ থামানো, তল্লাশি করা এবং নিয়ন্ত্রণ নেওয়া)

Ship Intervention

জাহাজে হস্তক্ষেপ/ বিশেষ অভিযান 
(হাইজ্যাকড বা সন্ত্রাসী-নিয়ন্ত্রিত জাহাজে ঢুকে নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা)

Coastal Reconnaissance

উপকূলীয় গোয়েন্দা নজরদারি/ তথ্য সংগ্রহ
(উপকূলের নিরাপত্তা, শত্রুর গতিবিধি বা রুট পর্যবেক্ষণ ও অপারেশনাল রেকি)

এদের “দাড়িওয়ালা ফৌজ” বলা হয়–
কারণ MARCOS সদস্যরা গোপন গেরিলা লুক নিয়ে উপকূল বা জঙ্গলে অপারেশনে নামে।

তারা মাঝে মাঝে দাড়ি রাখে, যাতে স্থানীয় জেলেদের মতো বা উপকূলীয় জনমানুষের মতো ছদ্মবেশে চলাচল করতে পারে।

কেন ভয়ঙ্কর?
কারণ সমুদ্রের এমন জায়গায় এরা গিয়ে পৌঁছে যেতে পারে,
যেখানে মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না।

৩. Para SF–

ভারতের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক যুদ্ধযন্ত্র

Indian Army– এর গর্ব– Para Special Forces.
এদের মূল মন্ত্রঃ “Who Dares Wins.”

এই বাহিনী শত্রুর গভীর এলাকায় ঢুকে কাজ সারে–
যেখানে সেনাদল পাঠানো সম্ভব নয়, সেখানে Para SF রাতের অন্ধকারে নেমে যায়।
এদের বিশেষত্ব–

Unconventional Warfare

অপ্রচলিত যুদ্ধকৌশল/ ব্যতিক্রমী যুদ্ধ অভিযান
(যেখানে নিয়মিত যুদ্ধের বাইরে গেরিলা-ধরনের বিশেষ কৌশল ব্যবহৃত হয়)

Counter-Terror

সন্ত্রাস দমন অভিযান
(সন্ত্রাস গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে আক্রমণ বা নিরস্ত্রীকরণ অপারেশন)

High-Altitude Warfare

উচ্চ-উচ্চতায় আঘাত অভিযান/ পাহাড়ি হামলা
(হিমালয় বা কঠিন উচ্চতায় চালানো আক্রমণ)

Cross-Border Operations

সীমান্ত পার অভিযান/ সীমান্ত-পেরোনো স্পেশাল অপারেশন 
(শত্রুর ভূখণ্ডে গোপনে ঢুকে পরিচালিত অভিযান)

উরি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক থেকে শুরু করে বহু অঘোষিত গোপন মিশন–
Para SF আছে ভারতের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে।

কেন কিংবদন্তি?
কারণ তারা শুধু যুদ্ধ করে না–
তারা শত্রুর পরিকল্পনা ভেঙে দেশের নিরাপত্তাকে কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।

৪. Garud Commando Force–

আকাশযুদ্ধের বজ্রাঘাত

Indian Air Force- এর Garud কমান্ডোদের জন্ম হয়েছে একটাই উদ্দেশ্যে–
এয়ারবেস, এয়ারক্রাফট ও আকাশপথকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করা,
এবং সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশনে আকাশ-সহায়ক শক্তি তৈরি করা। 

Garud- এর কাজ শুধু রক্ষাই নয়–

  • সন্ত্রাস দমন।
  • হেলিকপ্টার-ভিত্তিক উদ্ধার অভিযান।
  • উচ্চ-ঝুঁকির গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ অভিযান।

(বর্তমান পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম ইন্ডিয়ান আর্মির প্রসঙ্গ উঠবে,
আর সেখানে উল্লেখ থাকবেনা গোর্খা রেজিমেন্ট-এর কথা-
এও আবার কি সম্ভব?

যে ব্যক্তি বলে সে মৃত্যুভয়ে ভীত নয় ,
সে হয় মিথ্যেবাদী, নয় এক গোর্খা!

পড়ুন– Click:
৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় আর্মির সেই অপরিশোধ্য অবদান কি মনে আছে বাংলাদেশের?)

সব ক্ষেত্রেই অসাধারণ।
শ্রীনগর এয়ারবেস থেকে সংগঠিত অপারেশনগুলোতে গরুড়ের অবদান বিশ্বমানের।
লাদাখ ও উত্তর-পূর্বেও এরা সক্রিয়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ আকাশ যুদ্ধের ভিত্তি যেখান থেকে শুরু– সেই বেসগুলো রক্ষা করে গরুড়রাই।

৫. COBRA–

জঙ্গলের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা মৃত্যুছায়া

COBRA (Commando Battalion for Resolute action) হলো,
CRPF- এর সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ইউনিট, যা তৈরিই হয়েছে একটা উদ্দেশ্যে–

  • মাওবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর জঙ্গলে গেরিলা যুদ্ধ। 
  • এই বাহিনী সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঘন জঙ্গলে ক্যাম্প করে।
  • মাওবাদী লুকানো মাইন ও অ্যামবুশ ভেঙে এগোয়। 
  • গেরিলাদের মতই দ্রুত আক্রমণ করে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।

কেন আলাদা?
কারণ ভারতের সবচেয়ে বিপজ্জনক ভূখণ্ড– বস্তার, দণ্ডকারণ্য, গড়চিরোল–
এগুলো COBRA ছাড়া কল্পনাও করা যায় না।

৬. Ghatak–

যুদ্ধক্ষেত্রের প্রথম মারণ ঢেউ

হাজার হাজার ইনফ্যান্ট্রি (পদাতিক) ব্যাটালিয়নের মাঝে মাত্র কয়েকটা “ঘাতক প্লাটুন”–
এরা শক ট্রুপস (Shock Troops– আঘাতের প্রথম ঢেউ,
যারা শত্রুর প্রতিরক্ষা ভেঙে পথ তৈরি করে অন্য বাহিনীর জন্য।)

তাদের কাজ?
যে জায়গায় শত্রুর সবচেয়ে শক্তি, সেখানে প্রথমে ঝাঁপিয়ে পড়া।

তাদের প্রশিক্ষণ–

Room Intervention

ঘরে ঢুকে সশস্ত্র হস্তক্ষেপ।

Trench Assault

খাত খুঁজে সরাসরি আক্রমণ।

High-Risk Reconnaissance

উচ্চ-ঝুঁকির গোয়েন্দা নজরদারি।

Hand-to-Hand Combat

হাতাহাতি যুদ্ধ।

কার্গিলসহ বহু যুদ্ধক্ষেত্রে ঘাতকদের কাজ উজ্জ্বল হয়ে আছে।

কেন ভয়ানক শক্তিশালী?
কারণ মাঠে যুদ্ধ শুরু হলে শত্রুর মুখোমুখি যে প্রথম দাঁড়ায়– সে ঘাতক। 

৭. SPG–

দেশের সবচেয়ে সুরক্ষিত মানব ঢাল

SPG (Special Protection Group) হলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও নির্দিষ্ট পরিবারের,
একমাত্র প্রিমিয়াম নিরাপত্তা বলয়।
২০১৯ সালের আইন সংশোধনের পরে এই নিরাপত্তা শুধু প্রধানমন্ত্রীই পাবেন।
এদের কাজ শুধু নিরাপত্তা নয়–

Threat Prediction

সম্ভাব্য বিপদের আগাম পূর্ব অনুমান।

Surveillance

নজরদারি।

Attack Neutralization

আক্রমণ নিস্ক্রিয়করণ।

Zero-Failure Protection Grid

ব্যর্থতাহীন প্রতিরক্ষা জাল।

এসব তৈরি করা।
SPG সদস্যদের মানসিক বিশ্লেষণ, শ্যুটিং স্কিল, কনভয় সিকিউরিটি– সব বিশ্বমানের।

কেন অনন্য?
কারণ যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন– তাদের নিরাপত্তার শেষ ভরসা– SPG.

৮. Greyhounds–

নকশাল দমনে

ভারতের সবচেয়ে সফল কমান্ডো

আঞ্চলিক পুলিশ বাহিনী হলেও দক্ষতায় বিশ্বসেরা Anti-Naxal Unit.
তাদের শক্তি–

  • দ্রুত গতি।
  • কম সরঞ্জামে গভীর জঙ্গলে ঢুকে ঘন্টার পর ঘন্টা অভিযান।
  • জঙ্গলে নিখুঁতভাবে পরিকল্পিত ও কার্যকর অ্যাম্বুশ কৌশল।

তাদের কারণে অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানায় নকশাল দমন আনুমানিক প্রায় ৮০% সফল হয়েছে।

কেন অতুলনীয়?
কারণ তারা গেরিলা বনাম গেরিলার লড়াইয়ে সবচেয়ে ধারালো।

৯. Force One–

মুম্বাইয়ের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধক ঢাল

(Click:) ২৬/১১-এর পর মুম্বাইয়ের মতো শহরে দ্রুত সন্ত্রাস-দমন বাহিনীর প্রয়োজন ছিল।
Force One সেই প্রয়োজন থেকেই জন্ম।

মুম্বাইয়ের হাই-ভ্যালু জায়গা, হোটেল, বিচ্ছিন্ন হাব–
সব জায়গায় এই বাহিনীর রেসপন্স টাইম অত্যন্ত দ্রুত।
শহুরে গুলির লড়াইয়ে তাদের দক্ষতা, RT Training (দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রশিক্ষণ),
CQB (সংকীর্ণ স্থানে মুখোমুখি লড়াই)– সবই অসাধারণ।

কেন দরকার?
কারণ ভারতে ব্যবসায়িক রাজধানী সবসময়ই উচ্চ ঝুঁকির টার্গেট।

১০. SFF– ভারতের

সবচেয়ে রহস্যময় বিশেষ বাহিনী

Special Frontier Force বা SFF– ভারতের সবচেয়ে গোপন কমান্ডো ইউনিটগুলোর একটা।
এদের জন্ম হয়েছিল ১৯৬২– এর পরে, তিব্বতি যোদ্ধাদের সহযোগিতায়।
ইদানিং এরা Vikas Battalion ডাকনামেও প্রচলিত।

তাদের প্রধান কাজ–

High-Altitude Warfare

উচ্চভূমি যুদ্ধ।

Covert Operations

গোপন অভিযান।

Strategic Asset Protection

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ রক্ষা
(বেস, রাডার, ভিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার)।

Border Intelligence

সীমান্ত গোয়েন্দা নজরদারি।

লাদাখের সাম্প্রতিক সংঘর্ষেও SSF- এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

কেন কিংবদন্তি?
কারণ এদের বহু অপারেশন কখনই প্রকাশ করা হয় না–
কিন্তু দেশের নিরাপত্তায় প্রভাব অসীম।

কেন এদের বলা হয়–

ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী?

  • এরা দেশের সবচেয়ে কঠিন ও দীর্ঘ প্রশিক্ষণ পায়।
  • শারীরিক শক্তির পাশাপাশি মানসিক সাহস– দুটোই সর্বোচ্চ মানের।
  • ব্যর্থতার কোনো জায়গা নেই– ব্যর্থতা মানেই রাষ্ট্রের ক্ষতি।
  • এরা দেশের সবচেয়ে কঠিন ভূখণ্ডে কাজ করে– সমুদ্র, পাহাড়, মরুভূমি, জঙ্গল।
  • সবচেয়ে বড়– যুদ্ধ শেষ হোক না হোক– ভারত যখন ঘুমায়, ওরা তখন পাহারা দেয়।

এই ১০ বাহিনী শুধু ভারতের শক্তি নয়–
ভারতকে অপ্রবেশ্য করে তোলার এক ভয়ঙ্কর ও দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষা বর্ম।
আর ঠিক এই কারণেই এদের বলা হয়– ভারতের Top 10 কমান্ডো বাহিনী।


(খাদ্যের ভেজাল আমরা কোনোভাবে বুঝতে পারি–

রঙ, গন্ধ বা স্বাদের ভুল থেকে।
কিন্তু পেট্রোল বা ডিজেল, যা আমরা চোখে দেখেও বুঝিনা, মুখেও দিই না।
এর গুণগত মান যাচাই সে কারণেই আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
পড়ুন– Click: ভেজাল– এক নিঃশব্দ ঘাতক!)


(Articlesবাংলা – আমাদের, আপনাদের পরিবার।
ইমেল আইডি দিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত হন।

লেখাটা ভালো লাগলে,
শেয়ার করে বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।
মন্তব্যে জানান কেমন লাগলো।)

ইমেইল আইডি দিয়ে যুক্ত হন

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.

About Articlesবাংলা

Welcome to Articlesবাংলা – a vibrant hub of words, ideas, and creativity. This website is the personal archive and creative expression of Tanmoy Sinha Roy, a passionate writer who has been exploring the art of writing for more than seven years. Every article, prose-poem, and quotation you find here reflects his journey, experiences, and dedication to the written word. Articlesবাংলা aims to inspire readers by offering thought-provoking insights, celebrating the richness of Bengali language and literature, and creating a space where ideas, imagination, and culture connect. Whether you are seeking literary reflections, prose-poems, diverse articles, or meaningful quotations, you are invited to explore, reflect, and be inspired.

Check Also

জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রযুক্তির বিভ্রম এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কাল্পনিক দৃশ্য।

জলবায়ু সংকট চরমে: গাছ লাগালেও কি শেষ রক্ষা পাবো আমরা?

গত এক দশকে— “জলবায়ু পরিবর্তন ও বৃক্ষরোপণ” বা “গাছ লাগান পৃথিবী বাঁচান”— এই বাক্যটা প্রায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *