আত্মসম্মান, মনুষ্যত্ব– এসব শব্দ আজ বড় অপ্রয়োজনীয়। মানুষ একটু-আধটু গাল-মন্দ করবে, করবে চেঁচামেচি, তারপর ধীরে ধীরে ক্লান্ত হবে। কারণ মানুষ (পড়ুন) প্রতিবাদে নয়, অভ্যাসে বাঁচতে বেশি স্বচ্ছন্দ। আর ভুলে যাওয়া– এটাই তো মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মনস্তাত্ত্বিক আশ্রয়। টাকার পাহাড়ের মালিক আমি। এই একটিমাত্র সত্য সব অস্বস্তিকে ঢেকে দেয়। দুদিন নির্লজ্জ …
Read More »ধনীদের শহর, দরিদ্রের জীবন– একই রাস্তা, আলাদা পৃথিবী!
ক্ষুধার ঘড়ি ধনীর সকাল শুরু হয় যন্ত্রের নির্দেশে, একটা রুটিন মাফিক জাঁকজমক। দরিদ্রের সকাল শুরু হয় পাকস্থলীর আর্তনাদে– যা সময়ের চেয়েও বেশি সত্য। সূর্য এখানে আলো দেয় না, কেবল একজনের জন্য আরামদায়ক উষ্ণতা হয়ে আসে। আর অন্যজনের জন্য তা– শ্রমের ঘাম ঝরানোর সংকেতবাহী এক জ্বলন্ত ঘণ্টা। দৃষ্টিভঙ্গি: পুঁজি বনাম অস্তিত্ব …
Read More »যে ঠিকানাটা আর জানা হলো না!
যে ঠিকানাটা আর জানা হলো না! মায়ের অজানা ঠিকানা জানিনা মা, তুমি কোন ঠিকানায় গেছো। মৃত্যুরও কি কোনো পোস্টাল কোড থাকে? কোনো গলি, কোনো দরজা, কোনো নামফলক– যেখানে লেখা থাকে, “এখানে একজন মা থাকেন?” মৃত মায়েদের ডাকে ফেরা হয় না জানলে যেতাম। একবার হলেও। হাত খালি নিয়ে– কারণ মায়েরা তো …
Read More »অন্য মাটির আমন্ত্রণ!
শৈশব ছেড়ে অন্য মাটির আমন্ত্রণে ও বাবা– তোমার সেই ছোট্ট পুতুল, যে আঙুল ধরে প্রথম হাঁটা শিখেছিল, আজ তার পায়ের নিচে অন্য মাটির আমন্ত্রণ। এ ঘর, এই উঠোন, এই ধুলোর গন্ধ– এ মাটিতে আর সেভাবে ফেরা হবে না। যেখানে বিদায় শব্দ হেরে যায় এই যে সিঁদুর-দানের মুহূর্ত– আমি হঠাৎ বুঝলাম, …
Read More »দশ বছর!
সময়ের ভার দশ বছর– সময় কি সত্যিই এত দীর্ঘ? অথবা অপেক্ষার ভিতরে ঢুকলেই– (Click:) ঘড়ির কাঁটা ধীর হয়ে পড়ে? একটা বাক্যের ওজন তুমি বলেছিলেঃ “ফিরে আসবো”– শব্দ মাত্র দুটো, কিন্তু, এত ওজন মানুষের বুক ধারণ করতে পারে, আসলে ভাবিনি কখনও। স্মৃতির ঘর আমি সেই বাক্যটাকেই একটা ঘর বানিয়ে রেখেছি। যদিও …
Read More »প্রেমের দ্বৈত নীতি– এক মহাজাগতিক পরিহাস!
প্রেমের দ্বৈত নীতি প্রেম মানুষকে পরিপূর্ণ করে, আবার ভেঙেও দেয়; এটাই– প্রেমের দ্বৈত নীতি– এক মহাজাগতিক পরিহাস! সব (Click:) প্রেম তোমার জীবনের জন্য তৈরি নয়, কিছু প্রেম, শুধু শেখাতে আসে। পরিচিত যখন অচেনা হয় একসময় যার কণ্ঠস্বর ছিল তোমার প্রিয় সকালের প্রথম আলো; আজ সেই মানুষটাই হয়ে দাঁড়ায় তোমার নীরবতার …
Read More »অভয়া নয়, মারা গেছে রাষ্ট্রের বিবেক!
অভয়ার মৃত্যু নয়, বিবেকের অন্ত্যেষ্টি অভয়া কি মারা গেছে? না, যায় নি, মারা গেছে রাষ্ট্রের বিবেক। আর আমরা একে নাম দিয়েছি– “দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।” ফুলে ঢাকা অপরাধ যারা খুন করেছে, তাঁদের মুখে এখন শোকের ছায়া, হাতে পুষ্পস্তবক; কিন্তু চোখে ঘুরে বেড়াচ্ছে পরিকল্পনার ধুলো। যেন অপরাধের উপর ফুল দিলেই ন্যায় ফিরে আসে। …
Read More »জুবিন গার্গ হওয়া কঠিন, সেলিব্রিটি সোজা!
আজ দেশ জুড়ে কান্নার বন্যা। শব্দ, সুর আর শ্রদ্ধার ঢেউ আছড়ে ভাঙছে আকাশ-মাটি। হঠাৎ সব মহীরুহ জেগে উঠেছেন যেন, নিথর দেহে লেগেছে তাঁদের উষ্ণ নিঃশ্বাস। কোথায় ছিলেন হে মহানুভব, যখন জ্বলন্ত সূর্য মেঘে ঢাকা ছিল? যে দিন সে শিল্পী একা হেঁটেছেন আগুনপথে? সেদিন সে পথে ছিল শুধুই মানুষ। তাঁর কণ্ঠস্বর …
Read More »যাদের পাপেই পৃথিবী পবিত্র থাকে!
গলির নারী (বিস্তারিত পড়ুন) শহরের এক গলিতে, যেখানে আলোরও লজ্জা লাগে ঢুকতে, বসে থাকে কিছু নারী– যেন ইতিহাসের মুখে পাউডার ঢাকা এক দাগ। যেন ভদ্রলোকের পৃথিবীর গোপন বৈধতা। এদের মুখে লিপস্টিক নয়, সময়ের কালি লেগে আছে। চোখে আলো নেই, আছে ক্লান্ত অপেক্ষা, আছে বেঁচে থাকার অভিশাপ! সমাজের বিচিত্র সমীকরণ মানুষ …
Read More »দুই নেকড়ে!
নেকড়ের যুগে হারানো মানবতা দুজন যেন দুই নেকড়ে, একই থালায় রক্ত খায়। একজন বলে, “বিশ্বাসে বাঁচো।” অন্যজন বলে, “আমায় মানো।” তারপর তারা মিলেমিশে, মানুষকে ভাগ করে নেয়। মন্দির-মসজিদ, পতাকা, আর মৃতদেহের ওপর দাঁড়িয়ে, উৎসব করে সভ্যতার নামে। থমকে থাকা পৃথিবী আজ পৃথিবীর মুখে বারোটা বাজে, সময় থেমে যায় সভ্যতার কানে, …
Read More »
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।