বন ধ্বংসের ফলাফল:
প্রগতির জোয়ার,
না কি ধ্বংসের পদধ্বনি?
বন ধ্বংসের ফলাফল হিসেবে তবে কি কোভিডের মত আর একটা মহামারী
খুব শিগগিরই দেখতে চলেছে মানব সভ্যতা, বিশেষত ভারত?
আবার সেই আতঙ্ক, হাহাকার, মৃত্যু, লক ডাউন, কোয়ারেন্টাইন।
( দেখুন সেই দৃশ্য: Inside India’s COVID Hell. )
এর জন্য আমরা প্রস্তুত আছি তো?
কেন এই প্রশ্ন?

২০১৫ থেকে ২০২০—
মাত্র এই কয়েক বছরে ভারতের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে বিশাল এক সবুজ আবরণ।
ভারতে ২০১৯ সালের আগের সরকারি তথ্য অনুযায়ী,
কয়েক বছরে বিভিন্ন অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য প্রায় ১ কোটিরও বেশি গাছ কাটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
এর মধ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি গাছ কাটা পরে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী,
প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে আনুমানিক প্রায় ১৫ বিলিয়ন গাছ কাটা হয়, যা বৈশ্বিক বন ধ্বংসের একটা উদ্বেগজনক ও ভয়াবহ চিত্র।
যদিও বাস্তবে সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে।
অর্থাৎ উন্নয়নের প্রবল ক্ষুধা মেটাতে গিয়ে আমরা অবিরত কুড়াল চালাচ্ছি নিজেদের ফুসফুসের ওপর।
- এই উন্নয়নের নেশায় বুঁদ হয়ে আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি এর ভবিষ্যৎ পরিণাম?
- কখনও কি ভেবে দেখেছি যে গাছটা আজ ভূপতিত হল, সেটা আসলে কী ছিল?
- সেটা কি কেবল কাঠ আর পাতা?
- নাকি এক অদৃশ্য জাদুকর, যা বিষ শুষে নিয়ে আমাদের অন্ন আর অক্সিজেন জোগাত?
আজ যখন সেই জাদুকরকে আমরা খুন করছি একের পর এক,
তখন প্রকৃতির এক অন্ধকার গহ্বর থেকে বেরিয়ে আসছে এমন এক বিষাক্ত,
শক্তিশালী ও ভয়াল-ভয়ঙ্কর শত্রু, যার মোকাবিলা করার ক্ষমতা আধুনিক বিজ্ঞানেরও হয়ত নেই।
বন বিনাশ মানে কেবল পরিবেশগত বিপর্যয় নয়, এটা হল পরবর্তী হাজারো মহামারীর আমন্ত্রণপত্র।
এ এক ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের ইঙ্গিত—
যেখানে অপেক্ষা করছে অজানা বিপদ, অচেনা রোগ আর একের পর এক মহামারী।
গিল্ট-বাই-অ্যাসোসিয়েশন:
(Yeon-jwa-je)
সরকারিভাবে প্রকাশ্যে স্বীকার করা না হলেও—
উত্তর কোরিয়ায় এমন একটা আইনি নীতি বাস্তবে আছে বলে বহু গবেষণা ও
মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, যাকে বলা হয় ‘গিল্ট-বাই-অ্যাসোসিয়েশন।’
অর্থাৎ যদি একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রবিরোধী বা গুরুতর অপরাধ করে,
তাহলে শুধু সেই ব্যক্তি নয়—
তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও কঠিন শাস্তি পেতে হবে, এমনকি কখনও তা একাধিক প্রজন্ম পর্যন্ত।
অর্থাৎ, অপরাধ করবে একজন,
আর এর ভয়াবহ পরিণাম ভোগ করতে হয় সেই পরিবারের অন্যান্য নিরপরাধ আত্মীয়-পরিজন ও পরবর্তী বংশধরদের।
বর্তমানে সাধারণ মানুষের অবস্থাটা অনেকটা এমনই।
মুষ্টিমেয় কিছু অতি-ক্ষমতাবান শিল্পপতি,
বড় বড় ব্যবসায়ী আর সরকারের ভ্রান্ত নীতি ও উন্নয়নের লাগামছাড়া নেশার ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত বিপর্যয়ের সাংঘাতিক মাশুল গুণতে হচ্ছে কোটি কোটি সাধারন মানুষকে।
যারা এই ধ্বংসের সাথে যুক্ত নয়,
সেই সাধারণ মানুষ আর তাঁদের নিষ্পাপ আগামী প্রজন্মকেই আজ মহামারি,
অকাল মৃত্যু আর প্রকৃতির প্রতিশোধের মুখে অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় বিড়ম্বনা হল,
এই উন্নয়নের ফলে যখন কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় ধরার বুকে নেমে আসে,
তখন সেই সরকারই আবার ত্রাতারূপে আবির্ভূত হয়ে সাধারণ মানুষের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেয়।
যেন মারত্মক জখমের ওপরে সামান্য প্রলেপ লাগানো হল।
কিন্তু কয়েক হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বা গ্যালন গ্যালন পানিয় জল কী কখনও
সেই হারানো সবুজ সতেজতা আর সুস্থ পৃথিবীর বিকল্প হতে পারে?
গাছের জাদুকরী রূপান্তর:
বিষ থেকে অমৃত
আমরা ছোটবেলা থেকেই জানি— গাছ কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে।
কিন্তু বিষয়টা এতটা সাধারণ নয়।
কার্বন-ডাই-অক্সাইড এমন একটা গ্যাস,
যা অতিরিক্ত পরিমাণে বায়ুমন্ডলে থাকলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
জলবায়ু পরিবর্তন ঘটায় এবং জীবজগতের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।
এক আশ্চর্য প্রক্রিয়ায় এই ঘাতক গ্যাসকে গাছ নিজের মধ্যে টেনে নিয়ে রূপান্তরিত করে
তার নিজের শরীর, অর্থাৎ কাণ্ড, শাখা, ফল, ফুল আর সবজিতে।
অর্থাৎ, একটা গাছ যেন প্রকৃতির একটা জীবন্ত কারখানা— যেখানে বিষ থেকে তৈরি হয় অমৃত।

কিন্তু ট্রাজেডি শুরু হয় তখন, যখন সেই গাছটা ফুৎকারে কেটে ফেলা হয়।
যে কার্বন সে সারাজীবন ধরে নিজের ভেতরে বন্দী করে রেখেছিল,
গাছটা মারা যাওয়ার সাথে সাথে সেই কার্বন-ডাই-অক্সাইড পুনরায় বায়ুমণ্ডলে মিশতে শুরু করে।
ফলে আমরা কেবল একটা অক্সিজেন দাতা হারাচ্ছি না, বরং একটা কার্বন-বোমা ফাটিয়ে দিচ্ছি।
বন ধ্বংসের ফলাফল:
বনায়নের ফাঁকি,
সংখ্যা বনাম বাস্তুসংস্থান
বন সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী—
সরকার নিজের প্রয়োজনে বা অন্য কোনো উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য
প্রাকৃতিক বন ধ্বংসের অনুমতি দেওয়ার বদলে বা সেই বনভূমি ব্যবহারের পরিবর্তে
অন্য কোথাও নতুন চারাগাছ লাগিয়ে সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে।
এই নীতিকে ‘ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন’ (Compensatory Afforestation) বলা হয়।
কিন্তু বাস্তবতা হল,
একটা শতবর্ষী বিশাল গাছ যে পরিমাণ অক্সিজেন দেয় এবং কার্বন ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে,
একটা নতুন লাগানো চারাগাছ তার সমতুল্য হতে কয়েক দশক সময় নেয়।
এরপরেও একটা প্রাকৃতিক বনের নিজস্ব এক জটিল বাস্তুসংস্থান বা ইকোসিস্টেম থাকে,
যা কৃত্রিমভাবে লাগানো সারিবদ্ধ গাছ দিয়ে কখনও পূরণ করা সম্ভব নয়।
ফলে খাতা-কলমে গাছের সংখ্যা বাড়ালেও, প্রকৃতির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে,
তা এই নতুন চারাগাছগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সামাল দিতে পারে না।
এটা অনেকটা একটা সুস্থ ফুসফুস কেটে ফেলে সেখানে একটা ছোট প্লাস্টিকের নল বসানোর চেষ্টার মত।
বন ধ্বংসের ফলাফল:
জীববৈচিত্র্যের আর্তনাদ
ও আশ্রয়হীন প্রাণ
জঙ্গল মানেই প্রাণের স্পন্দন।
যখন একটা জঙ্গল ধ্বংস করা হয়, তখন তা কেবল গাছ কাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না;
সেটা হয় একটা গোটা জনপদের উচ্ছেদ।
বাস্তবতা হল, অধিকাংশ প্রাণী এই বাস্তুসংস্থান ধ্বংসের ধকল সইতে পারে না,
তারা পালিয়ে বিকল্প আশ্রয় পায় না, ফলে ধুঁকে ধুঁকে মারা যায়।
আমরা যখন তাদের আবাসস্থল ধ্বংস করছি,
তখন আমরা আসলে প্রকৃতির ভারসাম্যকে চিরতরে নষ্ট করে দিচ্ছি।
কিন্তু সবাই মরে না…
এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু সত্তা আছে যারা বেঁচে থাকে,
এবং এর ফলে দারুণ সুযোগ খুঁজে পায়।
যেন দীর্ঘদিন ধরে এমনই সুবর্ণ সুযোগের অপেক্ষায় এরা ছিল।
যখন মানুষ কুড়াল বা গাছ কাটার মেশিন নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করে, এরা উল্লাসে মেতে ওঠে।
এরা খুঁজে পায় এদের নতুন লোভনীয় শিকার— মানুষ।
এরা হল ভাইরাস।
আগে যে ভাইরাসগুলো দীর্ঘদিন ধরে মূলত বন্যপ্রাণীদের দেহে সীমাবদ্ধ ছিল,
আজ (দেখুন) জঙ্গল উজাড় করার ফলে তা সরাসরি মানুষের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা প্রবল বাড়ছে।
আর এরাও পেয়ে যায় নতুন হোস্ট।
অপ্রস্তুত ভবিষ্যৎ:
হাজারো কোভিডের হাতছানি
সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হল—
এই ভাইরাসগুলো সম্পর্কে আধুনিক বিজ্ঞান আজও প্রায় অপ্রস্তুত অবস্থাতে রয়েছে।
আমরা এই ভাইরাসগুলোর সম্পর্কে তেমন বিশেষ কিছুই জানিনা বা পরিচয় নেই।
না আমাদের শরীরে এদের বিরুদ্ধে কোনো প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) আছে।
না এদের জন্য তৈরি কোনো উপযুক্ত ভ্যাকসিন, না কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ।
অর্থাৎ আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুতিহীন, এক ভয়ঙ্কর বিপদের গ্রাসে ঝুলে আছি।
বন ধ্বংসের ফলাফল:
ভবিষ্যতের সতর্কবার্তা
একটা কোভিড মহামারী, গোটা পৃথিবীতে থামিয়ে দিয়েছিল।
ওলটপালট করে দিয়েছিল কোটি কোটি মানুষের জীবন।
কিন্তু দিনের পর দিন ধরে বন ধ্বংসের ফলে আমরা সাধারণ মানুষ যে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে যাচ্ছি,
তা হয়ত এখন ঠিক ততটা বোঝা যাবে না।
তখন হয়ত এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হবে, যা হয়ত এখন আমাদের কল্পনা করাও কঠিন।
আমরা হয়ত এমন এক যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যেখানে লড়ার আগেই আমরা পরাজিত।
ভাইরাস ছাড়াও
যে বিপদ আসার
সম্ভাবনা বেশি:
নির্বিচারে জঙ্গল ধ্বংসের ফলে কেবল মহামারী নয়,
সাধারণ মানুষের জন্য আরও কিছু ভয়াবহ পরিণতি হয়ত অপেক্ষা করছে:
১. বিশ্ব উষ্ণায়ন ও ফল:
(Global Warming)
গাছ ক্রমশ কমে আসায় বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাড়ছে।
যা সাংঘাতিক বিপর্যয়ের অগ্রিম সংকেত।

অসহ্য গরমে ‘হিটস্ট্রোক’ এখন ঘরে ঘরে হানা দিচ্ছে।
( দীর্ঘদিনের এই অভ্যাস আজ আমাদের সমাজে এক মর্যাদাপূর্ণ প্রথায় পরিণত হয়েছে,
যাকে নির্দ্বিধায় এক ‘কুসংস্কার’ বলা যেতে পারে।
এবং শুধু তাই নয়, অনেকেই আজও এটাকে কুসংস্কার বলেই মানে।
ভাবতে পারেন?
প্রায় ২,৫০০-৩০০০ বছর ধরে এই নিয়ম আমাদের রক্তে মিশে আছে।
এমনকি পূর্বপুরুষ থেকে চলে আসা এই প্রথার প্রতি আমাদের আস্থা ও আবেগ এতটাই অন্ধ যে,
এর বিপক্ষে কেউ যুক্তি দিলে তাঁকে আমার-আপনার ‘বদ্ধ উন্মাদ’, ‘ভণ্ড’ বা ‘হিন্দু-বিরোধী’ মনে হতেই পারে।
কিন্তু না, এবারে আর নয়, আপনাকে, আমাকে এগিয়ে আসতে হবে।
তাই সামাজিক সচেতনতার উদ্দেশ্যে অন্তত এই তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটা সবাইকে শেয়ার করে জানতে, বুঝতে সাহায্য করুন।
এখুনি পড়ুন: … লোক খাওয়ানো: প্রথা নাকি ৩০০০ বছরের এক সামাজিক শোষণ? )
২. সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি:
বিশ্ব উষ্ণায়নে মেরু অঞ্চলের বরফ অবিশ্বাস্য হারে গলছে।
ফলে (দেখুন) সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে কলকাতা বা মুম্বাইয়ের মত উপকূলীয় শহর
আগে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
৩. অকাল বন্যা ও খাদ্যসংকট:
শিকড় না থাকায় মাটি আলগা হয়ে বন্যা ও ধস বাড়ছে।
এর ফলে চাষাবাদ ধ্বংস হয়ে ভবিষ্যতে চরম খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে।
৪. সুরক্ষাকবচ হারানো:
সুন্দরবনের মত ম্যানগ্রোভ ধ্বংস হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় এখন সরাসরিভাবে জনবসতিতে আঘাত করছে,
যা আগে জঙ্গল আটকে দিত।
উন্নয়ন হোক,
কিন্তু বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে:
উন্নয়ন প্রয়োজন— তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
কিন্তু সেই উন্নয়ন যদি আমাদের (দেখুন) অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ফেলে, তবে তা কি সত্যিই উন্নয়ন?
প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে মানুষ কখনও জেতেনি, আর তা সম্ভব নয়।
বরং প্রতিবারই প্রকৃতির নিজের মত করে প্রতিশোধ নিয়েছে।
ভবিষ্যতে সীমা যদি আমরা আরও অতিক্রম করে যাই,
এবারে প্রকৃতির প্রতিশোধের মাত্রাটাও হবে সেইরকম।
এখনও সময় আছে— গাছকে শুধু সম্পদ নয়, সহযোদ্ধা হিসেবে দেখতে শেখার।

কারণ একটা গাছ কাটা মানে শুধু একটা গাছের মৃত্যু নয়—
তা হতে পারে ভবিষ্যতের এক অদৃশ্য বিপর্যয়ের সূচনা।
ভারতের মত উন্নয়নশীল দেশে যখন দ্রুত অগ্রগতির দাবি ওঠে, তখন ভুলে গেলে চলবে না যে—
প্রকৃতিকে পিষ্ট করে যে অট্টালিকা গড়া হয়, তার ভিত্তি হয় খুবই ভঙ্গুর।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ:
( প্রকৃতি প্রতিশোধ নেয় না ক্রোধে, নেয় ভারসাম্যে।
- ধীরে ধীরে দানব আকৃতি নিচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা–
ফলে কংক্রিটের শহরের অস্তিত্ব চিরতরে শেষ হয়ে যেতে পারে। - ক্রমশঃ ফুরিয়ে আসছে পানযোগ্য জলের উৎস–
ফল, কোটি কোটি মানুষ এক ফোঁটা জলের জন্যে ছটফট করবে। - তাপমাত্রা বাড়ছে–
ফল, সোনার ফসল রূপান্তরিত হবে আগুনে, হবে নষ্ট। - সৃষ্টি হবে আরও নিত্যনতুন রোগ, ভেঙে পড়বে সভ্যতার অহঙ্কার।
প্রকৃতির প্রতিশোধ আসলে ন্যায়ের প্রয়োগ–
মানুষের অবহেলা, উদাসীনতা, অপরাধের বিপরীতে এ প্রকৃতির এক অন্য হিসেব।
জানেন ঠিক কতটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির বুকে আমরা নিশ্চিন্তে দিন যাপন করে চলেছি?
কী হতে পারে এর ভয়াবহ পরিণাম?
জেনে নিন, আর সবাইকে জানিয়ে রাখুন।
পড়ুন এখুনি– Click: Degradation of Environment: বিশ্ব উষ্ণায়ন কারণ, প্রভাব– কি হবে পরিণতি? )
[ আরও এমনই বিভিন্ন দুর্দান্ত টপিকের ওপরে এরকমই সব
বিশ্লেষণধর্মী লেখা পেতে নিয়মিত আমাদের পেজে চোখ রাখুন।
এবং তা আপনার, আপনার প্রতিবেশি, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় তথা সমাজের জন্য।
এ বিষয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানার অপেক্ষায় রইলাম।
লেখাটা অবশ্যই শেয়ার করে সমাজের অন্যদেরও পড়তে, জানতে সুযোগ করে দেবেন।
ইমেইল আইডি দিয়ে আমাদের বাঙালির পরিবারের একজন
প্রিয় মানুষ হয়ে উঠুন।
চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে সবাই মিলে একসাথে বারবার তুলে ধরি
চিন্তা, চেতনা আর শব্দের শক্তিতে—
একসাথে, সবাই মিলে।
বিশ্ব জানুক—
আমাদের ভারত কি?
বাঙালি কি?
বাংলা শব্দের ক্ষমতাই বা কি? ]
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।



