এমারজেন্সিতে সরকারি বা বেসরকারি কোনো হাসপাতাল আপনাকে বা
আপনার পরিবারের কাউকে চিকিৎসা বা জরুরী পরিষেবা দিতে যদি
অস্বীকার করে, তখন মুহূর্তের মধ্যে জীবন বিপন্ন হয়ে উঠতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে আইন কি বলে?
আইন কিভাবে আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে?
জানুন বিস্তারিত…
কেন এই তথ্য জানা সবার জন্য জরুরি?
জীবনের ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা আর অজানা আশঙ্কার ভিড়ে
আমরা অনেক সময় এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধিকার ভুলে যাই,
যেগুলোর সুবিধা আমাদের হাতের কাছেই থাকে।
সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা ভাবি– “এগুলো হয়তো আমাদের জন্য নয়,”
বা “এত ঝামেলায় না যাওয়াই ভালো।”
আর ঠিক এই মানসিকতাকেই কাজে লাগিয়ে অনেক সময়
আমরা প্রতারিত হই, ঠকে যাই।

ফলে, এর মূল্য দিতে হয় শুধু টাকায় নয়–
মানসিক শান্তি নষ্ট হয়,
কখনও কখনও শারীরিক ক্ষয়-ক্ষতিও হয়ে যায়।
বিশেষ করে (দেখুন) জরুরী চিকিৎসার ক্ষেত্রে
এই না-জানাটাই সবচেয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
হঠাৎ অসুস্থতা, দুর্ঘটনা বা প্রাণসংকটের মুহূর্তে
আমরা আতঙ্কে অনেক সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিই।
অনেক সময় হাসপাতালের কথাই চূড়ান্ত মেনে নিয়ে নীরবে সব সহ্য করি–
কারণ রোগীই তখন আমাদের দুর্বলতা।
অথচ আইন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ আগেই দিয়ে রেখেছে–
শুধু জানাটাই দরকার।

এই কারণেই এসব তথ্য
শুধু শিক্ষিত বা সচেতন মানুষের জন্য নয়,
বরং রিকশাচালক, শ্রমিক, গৃহবধূ, ছাত্র–
সব বিশেষত সাধারণ মানুষের জন্য জানা অত্যন্ত জরুরি।
নিজের জন্য না হলেও,
পরিবারের কারও জন্য,
প্রতিবেশীর জন্য বা রাস্তায় পড়ে থাকা অচেনা, অসহায় মানুষের
জীবন বাঁচানোর জন্য–
এই জ্ঞান একদিন ভীষণ কাজে লাগতে পারে।
- জানলে আপনি ঠকবেন না।
- জানলে আপনি ভয় পাবেন না।
- প্রয়োজনের সময় আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
এমারজেন্সি চিকিৎসা:
আপনার মৌলিক অধিকার
ভারতে কোনো ব্যক্তি যদি জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন নিয়ে
কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে যান,
তাহলে সেই রোগী বা তার পরিবারের লোকজনের কাছে টাকা আছে কি না–
এই প্রশ্ন একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী–
হাসপাতাল ও দায়িত্বরত ডাক্তারদের
প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব হলো রোগীর জীবন বাঁচানো।
এমারজেন্সি অবস্থায়–
- রোগী ভর্তি হবে কি না।
- কোন বেড খালি আছে কি না।
- পরে বিল কিভাবে মেটানো হবে।

এই প্রশ্নগুলোর কারণে
কোনো হাসপাতাল বা ডাক্তার
চিকিৎসা দিতে অস্বীকার বা দেরি করতে পারেন না।
এটা শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়–
বরং আইনগত বাধ্যবাধকতা।
জরুরি চিকিৎসা না দেওয়া মানে–
ভারতীয় সংবিধানের (দেখুন) Article 21 (Right to Life) লঙ্ঘন করা।
এই নিয়ম সরকারি ও বেসরকারি– সব ধরনের হাসপাতালের ক্ষেত্রেই
সমানভাবে প্রযোজ্য।

(যেন ইউরোপ বা আমেরিকার মাটিতে জন্মালেই মানুষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভদ্র, সংবেদনশীল ও নৈতিক হয়ে যায়।
আর এদিকে খাঁচার ভিতর ভারত– বাইরে সভ্যতার সার্টিফিকেট।
পড়ুন– Click: খাঁচার ভিতর ভারত, বাইরে সভ্যতার সার্টিফিকেট!)
অর্থাৎ দুর্ঘটনা, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, গুরুতর রক্তক্ষরণ
বা প্রাণসংকটজনক যে কোনো অবস্থায়–
আগে চিকিৎসা দিতে হবে,
তারপর কাগজপত্র ও অর্থনৈতিক বিষয় দেখা হবে।
এই অধিকার জানলে–
- আপনি আতঙ্কিত কিংবা হতভম্ব হবেন না।
- হাসপাতালের অযৌক্তিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।
- প্রয়োজনের মুহূর্তে নিজের বা প্রিয়জনের জীবনের পক্ষে
দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারবেন।
এমারজেন্সি চিকিৎসার পর:
বিল সংক্রান্ত বাস্তবতা
জরুরি অবস্থায় চিকিৎসা আগে দিতে হবে–
এটা হাসপাতালের আইনগত দায়িত্ব।
চিকিৎসা দেওয়ার পর বিল আসবে–
এটাই বাস্তব সত্য, বিশেষ করে বেসরকারি হাসপাতালে।
আইন অনুযায়ী,
চিকিৎসার সময় বা তার আগে নয়,
বরং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরে
খরচ নিয়ে আলোচনা করা বৈধ।

তবে টাকা না থাকার অজুহাতে–
- চিকিৎসা বন্ধ করা যাবে না।
- চিকিৎসা অস্বীকার বা বিলম্বিত করা যাবে না।
সব ক্ষেত্রে চিকিৎসা ফ্রি হবে–
এমন বাধ্যবাধকতা না থাকলেও,
জীবন বাঁচানোটা বাধ্যতামূলক।
যদি কোনো হাসপাতাল বা ডাক্তার
জরুরি অবস্থায় চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করে,
তাহলে তা Medical Negligence হিসেবে গণ্য হবে।
এই ক্ষেত্রে
Consumer Protection Act
ও (দেখুন) National Medical Commission (NMC) Act অনুযায়ী
সংশ্লিষ্ট ডাক্তার বা হাসপাতালের বিরুদ্ধে
কঠোর আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।
(ছবিতে– NMC হবে।)
বিল মেটাতে না পারলে
হাসপাতাল কি করতে পারে
বেসরকারি হাসপাতাল আইনসম্মতভাবে–
- রোগীর পরিবারকে নিয়ে বসে পেমেন্ট প্ল্যান বা ছাড় নিয়ে
আলোচনা করতে পারে। - আংশিক টাকা গ্রহণ করতে পারে।
- বিল আদায়ের জন্য আইনগত নোটিস পাঠাতে পারে (Civil Process).
কিন্তু হাসপাতাল কখনই যা করতে পারবে না–
- রোগিকে জোর করে আটকে রাখা (Illegal Detention).
- মৃতদেহ বা রোগীর দেহ আটকে রাখা।
- ভয় দেখিয়ে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া।
- পুলিশ ডেকে অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করা।

এই কাজগুলোর যে কোনো একটা করলে
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেরাই আইনি অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।
ডিসচার্জ আটকে রাখলে কি করবেন
চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর যদি হাসপাতাল বলে–
“বিল না দিলে ছাড়ব না।”
তাহলে মনে রাখবেন–
এটা অবৈধ আটক (Illegal Confinement).
এক্ষেত্রে–
- জেলা প্রশাসন বা স্থানীয় পুলিশে অভিযোগ করা যায়।
- CMOH বা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর-কে লিখিতভাবে জানানো যায়।
অনেক ক্ষেত্রেই
দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়।
হাসপাতাল, রোগী ও আইন: অদেখা বাস্তবতা
অনেক মানুষ আজও মনে করেন–
হাসপাতাল মানেই ডাক্তার যা বলবে, সেটাই শেষ কথা।
- প্রশ্ন করার অধিকার নেই।
- বিকল্প জানার সুযোগ নেই।
- আপত্তি তোলার সাহস নেই।
এই ভয়টা তৈরি হয়েছে বছরের পর বছর ধরে।
কারণ অসুস্থ মানুষ মানেই দুর্বল মানুষ।
আর অসহয়তার সুযোগ নিয়েই সবচেয়ে বেশি শোষণ হয়।
হাসপাতালের পরিবেশ এমনভাবে তৈরি করা হয়–
যেখানে রোগী বা তার পরিবার
নিজেদের অপরাধী মনে করতে শুরু করে।

“আপনারা বুঝবেন না।”
“আমরাই জানি।”
“সময় নষ্ট করবেন না।”
এই কথাগুলো খুব পরিচিত, তাই না?
কিন্তু আইন একেবারে ভিন্ন কথা বলে।
আইন বলে–
- রোগী ভিক্ষুক নয়।
- সে করুণার পাত্র নয়।
- রোগী একজন অধিকারসম্পন্ন নাগরিক।
চিকিৎসা মানে অনুগ্রহ নয়
অনেক সময় বলা হয়–
“ডাক্তার তো চাইলেই চিকিৎসা না-ও করতে পারেন।”
এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
যখন একজন ডাক্তার
নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে রেজিস্টার করেন,
তখন তিনি কিছু আইনগত দায়িত্বও গ্রহণ করেন।
বিশেষ করে এমারজেন্সি কেয়ার-এর ক্ষেত্রে
এই দায়িত্ব অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

সুপ্রিম কোর্ট বহুবার স্পষ্ট করেছে–
জরুরি চিকিৎসা দেওয়া
ডাক্তারের ঐচ্ছিক বিষয় নয়,
বরং আইনগত কর্তব্য।
সরকারি না বেসরকারি– ভেদাভেদ নেই
অনেকে ভাবেন–
“এই নিয়ম শুধু সরকারি হাসপাতালে।”
না।
এই ধারণাও ভুল।
আইনের চোখে–
- বড় কর্পোরেট হাসপাতাল।
- ছোট নার্সিংহোম।
- একক প্র্যাকটিস করা ডাক্তার।
সবাই সমানভাবে দায়বদ্ধ।
রোগী যদি জরুরি অবস্থায় আসে,
তাহলে “আমাদের সেটআপ নেই।”
এই অজুহাত দেখিয়ে
দায় ঝেড়ে ফেলা যাবে না।

যদি কোনো হাসপাতাল
চিকিৎসা দিতে অক্ষম হয়,
তাহলে তাদের দায়িত্ব–
- প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া।
- রোগীকে স্থিতিশীল করা।
- উপযুক্ত হাসপাতালে রেফার করা।
চিকিৎসা না দিয়ে
সরাসরি অন্যত্র পাঠানো আইনসম্মত নয়।
রেফার শব্দের অপব্যবহার
বাস্তবে দেখা যায়–
অনেক হাসপাতাল “রেফার” শব্দটাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
রোগী ঢুকল,
একবার ভালো করে না দেখেই বলা হলো,
বা ভালো করে দেখার নিখুঁত অভিনয় করে জানানো হলো–
“এখানে হবে না, অন্য জায়গায় নিয়ে যান।”
আইনের চোখে এটা চিকিৎসা প্রত্যাখ্যান।
রেফার মানে দায়িত্ব শেষ নয়।
রেফার মানে দায়িত্বের পরবর্তী ধাপ।
চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই টাকা চাওয়া
এটা সবচেয়ে সাধারণ প্রতারণা।
“আগে ডিপোজিট দিন।”
“এডভান্স না দিলে ভর্তি করা যাবে না।”
এমারজেন্সির ক্ষেত্রে
এই কথাগুলো বলা সম্পূর্ণ বেআইনি।
হাসপাতাল চাইলে
চিকিৎসা শুরুর পরে
আনুমানিক খরচ জানাতে পারে।
কিন্তু চিকিৎসা আটকে রেখে
টাকা আদায় করা যাবে না।
কাগজে সই করানো– কতটা বৈধ?
অনেক সময় রোগীর পরিবারকে বলা হয়–
“এখানে সই করুন।”
“এটা নিয়ম।”
কিন্তু কিসে সই করছেন–
তা না জানিয়ে সই করানো
আইনসম্মত সম্মতি নয়।
বিশেষ করে–
- ফাঁকা কাগজ।
- অসম্পূর্ণ ফর্ম।
- চাপ দিয়ে নেওয়া সম্মতি।
আইনের চোখে এগুলো
বৈধ সম্মতি হিসেবে গণ্য হয় না।
ICU, ভেন্টিলেটর ও ভয়
এই শব্দগুলো শুনলেই
মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
আর এই আতঙ্কের সুযোগ নিয়েই
অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা চাপিয়ে দেওয়া হয়।
আইন বলে–
- রোগীর অবস্থা।
- বিকল্প চিকিৎসা।
- ঝুঁকি ও সম্ভাবনা।
সবকিছু সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলা
ডাক্তারের দায়িত্ব।
আপনার জানার, বোঝার অবশ্যই অধিকার আছে।
প্রশ্ন করার অধিকার আছে।
দ্বিতীয় মতামত নেওয়ার অধিকার আছে।
(পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়গুলো অনেক সময় নীরবে আসে।
কোনো বিস্ফোরণ নেই, কোনো যুদ্ধঘোষণা নেই–
শুধু ধীরে ধীরে একটা…
পড়ুন– Click: মরুভূমি গ্রাস করছে সভ্যতাকে:
চীনের সেই গোপন সবুজ দেওয়াল ও খরগোশের রহস্য!)
দ্বিতীয় মতামত (Second Opinion)
এটা কোনো অবিশ্বাস নয়।
এটা আপনার অধিকার।
কোনো হাসপাতাল বা ডাক্তার
দ্বিতীয় মতামত নিতে বাধা দিতে পারেন না।
রিপোর্ট, স্ক্যান, প্রেসক্রিপশন–
সবকিছুর কপি পাওয়ার অধিকার রোগীর আছে।
রিপোর্ট আটকে রাখা
অনেক হাসপাতাল বলে–
“বিল না দিলে রিপোর্ট দেব না।”
এটা অবৈধ।
রিপোর্ট রোগীর সম্পত্তি।
বিলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
আইন আপনাকে অসহায় করে রাখার জন্য নয়–
প্রয়োজনের মুহূর্তে আপনার পাশে দাঁড়ানোর জন্যই।
এই অধিকার জানলে আপনি নীরব থাকবেন না,
আর নীরব না থাকলেই জীবন বাঁচে।
অধিকার না জানার মূল্য:
পরিসংখ্যানের আলোকে
- বিশ্বব্যাংক ও WHO-এর হিসেব অনুযায়ী–
প্রতি বছর প্রায় ৫-৬ কোটি ভারতীয় শুধু চিকিৎসা খরচের কারণেই
দারিদ্রসীমার নিচে নেমে যায়।

- ভারতে মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের প্রায় ৫৫-৬০% মানুষকে নিজের পকেট
থেকেই দিতে হয়, যা জরুরি চিকিৎসায় ভয়াবহ চাপ তৈরি করে। - এখনও দেশের প্রায় ৪০% মানুষের কোনো স্বাস্থ্যবীমা নেই, ফলে দুর্ঘটনা
বা এমারজেন্সি তাদের জন্য সরাসরি আর্থিক বিপর্যয় ডেকে আনে। - সরকারি সমীক্ষা দেখায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পরিবারগুলোর বড় অংশ
ঋণ নেয় বা সম্পদ বিক্রি করতে বাধ্য হয় চিকিৎসা চালাতে। - জরুরি চিকিৎসা দেরি হওয়া বা অস্বীকারের কারণে দুর্ঘটনা, হার্ট অ্যাটাক
ও স্ট্রোকে মৃত্যু ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়, যা বহু ক্ষেত্রে প্রতিরোধযোগ্য ছিল। - অর্থাৎ, অধিকার না জানা শুধু আইনগত অজ্ঞতা নয়–
এটা সরাসরি জীবন ও জীবিকার ঝুঁকি।
(Articlesবাংলা – আমাদের, আপনাদের পরিবার।
ইমেল আইডি দিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত হন।
ফলে যখনই এই ব্লগে কোনো নতুন লেখা পোস্ট করা হবে,
সবার আগে আপনিই পাবেন নোটিফিকেশন।
লেখাটা ভালো লাগলে,
শেয়ার করে বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।
মূল্যবান মন্তব্যে জানান কেমন লাগলো।)
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।





