আজকের আলোচনায় আমরা বিস্তারিত জানবো– MOF কি?
এটা এমন এক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, যা পৃথিবীর ভাগ্য বদলে দেওয়ার
সক্ষমতা রাখে, যদি শেষ পর্যন্ত রাজনীতির মারপ্যাঁচে তা আটকে না যায়।
এই আবিষ্কার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে দেখুন।
নোবেল কখনও হঠাৎ আসে না
নোবেল পুরস্কার কখনও হঠাৎ দেওয়া হয় না।
এটা কোনো ট্রেন্ড, সস্তা প্রচার বা আবেগের ফল নয়।
নোবেল আসে তখনই, যখন কোনো আবিষ্কার মানুষের জীবনযাত্রা,
সভ্যতা এবং ভবিষ্যৎকে স্থায়ীভাবে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
ইতিহাসের দিকে তাকালেই দেখা যাবে–
পেনিসিলিন, ডিএনএ-র গঠন, এক্স-রে, সেমিকন্ডাক্টর–
সবকিছুই প্রথমে নিঃশব্দে এসেছে, পরে সভ্যতার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।
সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংকটের সমাধান হিসেবে আজ আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক নতুন সম্ভাবনা।

ঠিক সেই কারণেই নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে–
সুসুমু কিটাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াঘি–
এই তিন বিজ্ঞানীকে।
তাঁদের আবিষ্কার MOF (Metal-Organic Framework) আজকের
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দুই সংকট–
- কার্বন দূষণ।
- জল সংকট।
এই দুটোর বিরুদ্ধে একসঙ্গে দাঁড়াতে পারে এমন এক বাস্তব,
কার্যকর ও বৈজ্ঞানিক সমাধান।
কারা এই তিন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী?
এই আবিষ্কার কোনো একক প্রতিভার ফল নয়।
এটা তিন মহাদেশ, তিন গবেষণা সংস্কৃতি এবং তিন ভিন্ন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির মিলন।
সুসুমু কিটাগাওয়া:
কিয়োটো ইউনিভার্সিটি, জাপান
তিনি MOF-এর মৌলিক ধারণা ও গঠনগত ভিত্তি নির্মাণ করেন।
কিভাবে ধাতু ও অর্গানিক যৌগ একসঙ্গে স্থিতিশীল কাঠামো গড়তে পারে– সেই মৌলিক পথ তিনি খুলে দেন।

রিচার্ড রবসন
মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া
তিনি MOF-এর স্ট্রাকচারাল কেমিস্ট্রি এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করেন।
ল্যাবের কাগজ থেকে বেরিয়ে বাস্তব কাজ করার মতো শক্ত কাঠামো
তৈরি হয় তাঁর কাজের মাধ্যমে।
ওমর এম. ইয়াঘি
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, USA
তিনি MOF-কে ব্যবহারযোগ্য করে তোলেন।
ডিজাইন, কার্যকারিতা, স্কেল-আপ– শিল্প ও বাস্তব জীবনে প্রয়োগের
দরজা খুলে দেন তিনি।
তিনজন মিলে তৈরি করেছেন এমন এক ম্যাটেরিয়াল, যা শুধু তত্ত্ব নয়–
বাস্তব সমাধান।
MOF কি?
সহজ করে বোঝা যাক
MOF কি?
সহজ ভাষায় উত্তর হলো MOF এক ধরনের অত্যন্ত
ছিদ্রযুক্ত (Porous) ম্যাটেরিয়াল।
এর ভিতরের গঠন এতটাই সূক্ষ্ম যে–
- এক গ্রাম MOF-এর ভিতরের পৃষ্ঠতল,
একটা ফুটবল মাঠের থেকেও বেশি। - লক্ষ লক্ষ ন্যানো-ছিদ্র।
- নির্দিষ্ট অণুকে বেছে নিয়ে আটকে রাখার ক্ষমতা।
সহজ ভাষায়–
MOF হলো এক ধরনের সুপার-স্পঞ্জ, যা দরকারি গ্যাস বা বাষ্প ধরে রাখে,
আর বাকিটা বেরিয়ে যেতে দেয়।
এই “বেছে নেওয়ার ক্ষমতা”-ই MOF-কে অন্য সব ম্যাটেরিয়াল থেকে আলাদা করে।
কার্বন দূষণ: সভা হয়েছে,
সমাধান হয়নি
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গত কয়েক দশকে–
- আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়েছে।
- চুক্তি হয়েছে।
- আন্দোলন হয়েছে।
- প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু বাস্তবে একটাই সত্যি রয়ে গেছে–
কারখানার চিমনি দিয়ে কালো ধোঁয়া বেরোনো থামেনি।
কারন খুব স্পষ্ট–
কার্বন কমানোর কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কার্বন ধরার কার্যকর প্রযুক্তি ছিল না।
MOF সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে।
(অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ফিরোজপুর সীমান্ত এলাকা
ছিল চরম উত্তেজনায় ভরা।
গোলাগুলির আশঙ্কা, বিস্ফোরণের ভয়, অজানা বিপদের ছায়া—
সব মিলিয়ে বড় বড় মানুষও যখন আতঙ্কে ঘরবন্দী,
তখন মাত্র দশ বছরের এক ছেলেকে…
পড়ুন– Click: অপারেশন সিঁদুর: যখন বড়রা ভয়ে থমকে যায়,
তখন ১০ বছরের এক সাহস ইতিহাসে নাম লেখায়!)
MOF কিভাবে কার্বন শোষণ করে?
MOF-এর ন্যানো-ছিদ্র এমনভাবে ডিজাইন করা–
যাতে CO2 অণু আটকে যায়,
কিন্তু নাইট্রোজেন বা অন্য গ্যাস বেরিয়ে যেতে পারে।
ফলাফল–
- পাওয়ার প্ল্যান্টের ধোঁয়া থেকে কার্বন আলাদা করা যায়।
- বাতাস থেকেই সরাসরি কার্বন শোষণ সম্ভব।
- ধরা কার্বন ভবিষ্যতে জ্বালানি বা শিল্পকাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।

এই প্রযুক্তিকেই বলা হয়–
Direct Air Capture
যা এতদিন ছিল ভবিষ্যতের ধারণা,
MOF সেটাকে বর্তমানের বাস্তবতায় এনেছে।
“এক টুকরো প্লাস্টিক,
একশো ফ্যাক্টরির ধোঁয়া”–
অতিরঞ্জন নয়
MOF কি?
জানার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, তা দেখতে কেমন?
MOF দেখতে অনেকটা সাধারণ প্লাস্টিকের টুকরোর মতো।
কিন্তু তার ক্ষমতা ভয় ধরানোর মতো–
- অল্প পরিমাণ MOF বিপুল পরিমাণ কার্বন শোষণ করতে পারে।
- স্কেল-আপ করলে একসঙ্গে বহু শিল্প এলাকার দূষণ ধরা সম্ভব।
- শক্তি খরচ তুলনামূলকভাবে কম।

এই কারনেই বিজ্ঞানীরা বলছেন–
এটা জলবায়ু যুদ্ধের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্রগুলোর একটা।
শুধু কার্বন নয়–
জল সংকটেও MOF
MOF-এর আরেকটা বিপ্লবী দিক হলো–
জল শোষণ করার ক্ষমতা।
শুষ্ক বাতাস থেকেও MOF জলীয় বাষ্প টেনে নিতে পারে।
তারপর সেই জল সংগ্রহ করে ব্যবহারযোগ্য করা যায়।
এর মানে–
- মরুভূমি অঞ্চলে পানীয় জল।
- খরা-প্রবণ এলাকায় কৃষি
- জলসংকটে থাকা মানুষের বেঁচে থাকার নতুন পথ।

একই ম্যাটেরিয়াল–
একদিকে কার্বন আটকায়,
অন্যদিকে জীবনদায়ী জল যোগায়।
এত কথা আগেও বলা হয়েছিল,
পার্থক্যটা কোথায়?
আগেও বলা হয়েছিল–
- কার্বন ধরতে হবে।
- বাতাস থেকে জল বের করা সম্ভব।
কিন্তু সেগুলো ছিল–
- কনসেপ্ট।
- থিওরি।
- গবেষণাপত্র।
MOF প্রথম দেখাল–
বাস্তবে এটা করা যায়।
এই জায়গাটাই একে নোবেল-লেভেল করে তুলেছে।
কেন নোবেল কমিটি
এই আবিষ্কারকে বেছে নিল?
নোবেল কমিটির মানদণ্ড খুব পরিষ্কার–
- আবিষ্কারটা মৌলিক কি না।
- মানবসভ্যতার দীর্ঘমেয়াদি উপকার আছে কি না।
- বাস্তব দুনিয়ায় কাজ করে কি না।
MOF তিনটেই পূরণ করেছে।
এটা শুধু আজকের সমস্যা নয়–
আগামী শতাব্দীর সমস্যার সমাধান।
তিনজন না থাকলে MOF হতো না
- কিটাগাওয়া না থাকলে– গঠন হতো না।
- রবসন না থাকলে– স্থিতিশীল হতো না।
- ইয়াঘি না থাকলে– ব্যবহারযোগ্য হতো না।
এই কারণেই নোবেল দেওয়া হয়েছে তিনজনকে একসঙ্গে।
নীরব আবিষ্কার, উচ্চস্বরে প্রভাব
এই আবিষ্কারের সঙ্গে–
- কোনো রাজনৈতিক প্রচার ছিল না।
- কোনো স্লোগান ছিল না।
- কোনো শোরগোল ছিল না।
শুধু ছিল–
- কঠিন বিজ্ঞান।
- দীর্ঘ গবেষণা।
- মানবজাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে দায়বদ্ধতা।
নোবেল এখানেই ন্যায়সঙ্গত।
কেন এই নোবেল ইতিহাসে থাকবে
এই নোবেল মনে রাখা হবে কারণ–
- এটা পরিবেশের নোবেল।
- এটা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নোবেল।
- এটা “কথা নয়, কাজ”-এর নোবেল।
MOF শুধু একটা ম্যাটেরিয়াল নয়।
এটা প্রমাণ–
মানুষ চাইলে নিজের তৈরি বিপর্যয় নিজেই সামলাতে পারে।
আর সেই কারণেই–
সুসুমু কিটাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াঘি
রসায়নে (দেখুন) নোবেল পুরস্কার-এর যোগ্যই ছিলেন।
(AI Generated ছবি, ভুল থাকতে পারে)
বিজ্ঞানের দ্বিমুখী পথ:
আশীর্বাদ বনাম অভিশাপ
মানুষের ইতিহাসে এমন বহু আবিষ্কার হয়েছে,
যেগুলো মানবতার কল্যাণে জন্মেছিল–
কিন্তু পরে ক্ষমতার লোভে বিকৃত হয়েছে।
পরমাণু শক্তি তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, গবেষণা– সব কিছুর জন্য যে শক্তি আশীর্বাদ হতে পারত,
তা পরিণত হয়েছিল ধ্বংসের অস্ত্রে।
MOF যেন সেই পথে না হাঁটে।
কারণ এই আবিষ্কার যুদ্ধের জন্য নয়,
এই আবিষ্কার বাঁচার জন্য।
সীমান্তের ঊর্ধ্বে জলবায়ু সংকট
কার্বন দূষণ কোনো দেশের সমস্যা নয়।
জল সংকট কোনো সীমান্ত মানে না।
বায়ু, জল, তাপমাত্রা–
এসবের উপর কোনো জাতীয় পতাকা ওড়ে না।
আজ যে কারখানার ধোঁয়া এক দেশে উঠছে,
আগামী দশকে তার প্রভাব পড়বে অন্য মহাদেশে।
আজ যে দেশে জল নেই,
আগামী দিনে তার অভিঘাত পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।

প্রযুক্তির সমবণ্টন ও
নতুন ঔপনিবেশিকতা
এই বাস্তবতায় MOF কোনো বিলাসী প্রযুক্তি নয়–
এটা প্রয়োজন।
কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা উঠে আসে–
এই প্রযুক্তির মালিক কে হবে?
যদি MOF কয়েকটা ধনী দেশের হাতে বন্দি থাকে।
যদি এটা পেটেন্ট, লাইসেন্স আর কর্পোরেট লাভের বেড়াজালে আটকে যায়,
তাহলে পৃথিবীর সমস্যার সমাধান হবে না–
শুধু সমস্যার উপর ব্যবসা হবে।
এই আবিষ্কার যদি শুধু সেই দেশগুলোই ব্যবহার করতে পারে
যারা ইতিমধ্যেই শিল্পায়নের মাধ্যমে পৃথিবীকে দূষিত করেছে,
আর যেসব দেশ তার ফল ভোগ করছে তারা বঞ্চিত থাকে–
তাহলে সেটা ন্যায় নয়, সেটা নতুন রকমের ঔপনিবেশিকতা।
জলবায়ু রাজনীতির নিষ্ঠুর
বাস্তবতা ও নৈতিকতা
জলবায়ু সংকটের রাজনীতি সবচেয়ে নিষ্ঠুর রাজনীতি।
কারণ এখানে ভুক্তভোগীরা সবচেয়ে কম দায়ী।

একজন কৃষক,
যার কোনো কারখানা নেই,
যার কোনো বিমানের কার্বন ফুটপ্রিন্ট নেই–
আজ সে খরায় সর্বস্ব হারাচ্ছে।
একটা শিশু,
যে কোনো শিল্পনীতির সিদ্ধান্ত নেয়নি–
আজ সে দূষিত বাতাসে শ্বাস নিচ্ছে।
MOF-এর মতো আবিষ্কার তাই কেবল প্রযুক্তি নয়,
এটা নৈতিকতার পরীক্ষা।
এই প্রযুক্তি যদি সত্যিই মানবতার জন্য হয়,
তাহলে–
- এটা যেন উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছেও পৌঁছায়।
- এটা যেন রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার না হয়।
- এটা যেন যুদ্ধের কূটনীতি না হয়ে ওঠে।
- এটা যেন “কে আগে পাবে”-এর দৌড়ে আটকে না যায়।
বিজ্ঞান তখনই মহান হয়,
যখন সে ক্ষমতার কাছে মাথা নত করে না।

যৌথ দায়বদ্ধতা:
আমাদের করণীয়
নোবেল কমিটি এই আবিষ্কারকে স্বীকৃতি দিয়েছে,
কারণ তারা দেখেছে–
এটা মানবসভ্যতার দীর্ঘমেয়াদি বাঁচার প্রশ্ন।
এখন দায়িত্ব বিশ্বের।
- সরকারগুলোর দায়িত্ব–
এই প্রযুক্তিকে অস্ত্র বানানো নয়, সেতু বানানো। - কর্পোরেটদের দায়িত্ব–
লাভের সঙ্গে দায়িত্বকে এক পাল্লায় রাখা। - বিজ্ঞানীদের দায়িত্ব–
জ্ঞানকে গোপন না করে ছড়িয়ে দেওয়া। - আর আমাদের দায়িত্ব–
এই প্রশ্নটা বারবার তোলা:
এই আবিষ্কার কাদের জন্য?
যদি উত্তর হয়–
“সব মানুষের জন্য।”
তবেই MOF সত্যিকার অর্থে ইতিহাস বদলাবে।
নইলে এটা আরেকটা দারুণ আবিষ্কার হয়ে থাকবে,
যার সুযোগ পাবে অল্প কয়েকজন,
আর মূল্য দেবে সবাই।
এই আবিষ্কার যেন মানুষের থাকে,
ক্ষমতার নয়
পৃথিবীর সামনে আজ খুব স্পষ্ট একটা রাস্তা–
- একদিকে আছে
রাজনীতি, মুনাফা, ক্ষমতার দখল। - অন্যদিকে আছে
সহযোগিতা, বিজ্ঞান, যৌথ ভবিষ্যৎ।
এখন MOF কি? এর ভবিষ্যৎ প্রয়োগ ঠিক কিভাবে হবে?
MOF কোন পথে যাবে, তা ঠিক করবে মানুষই।
এই আবিষ্কার যেন আমাদের শেখায়–
সভ্যতা শুধু আবিষ্কার দিয়ে বাঁচে না,
বাঁচে সেগুলো কিভাবে ব্যবহার করা হয় তার উপর।

এই কারণেই আজ সবচেয়ে জরুরি প্রার্থনাটা বিজ্ঞানী,
রাজনীতিক বা কর্পোরেটের কাছে নয়–
মানবতার কাছে।
MOF কি? কেন?
জানার পর–
যেন এই আবিষ্কার মানুষের হয়,
মানুষের জন্য হয়,
আর মানুষের বিরুদ্ধেই না দাঁড়ায়।
(পৃথিবীর সবচেয়ে পরিষ্কার, সবচেয়ে নিঃশব্দ, সবচেয়ে সুন্দর
জায়গায়গুলোর একটা– সুইজারল্যান্ডের (দেখুন) ডাভোস।
কিন্তু কোনো এক কারণে আজ World Economic Forum Davos hypocrisy
বলতে মানুষ বাধ্য হচ্ছে, কেন?
বরফে মোড়া পাহাড়, নিঃশ্বাস নিলে মনে হয় অক্সিজেনও VIP.
এই জায়গাতেই বসে প্রতিবছর পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী
মানুষেরা বলেন–
পড়ুন– Click: পৃথিবী বাঁচাবে বলে যারা এসেছিল, তারাই পৃথিবী পুড়িয়ে গেল!)
(Articlesবাংলা – আমাদের, আপনাদের পরিবার।
ইমেল আইডি দিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত হন।
ফলে যখনই এই ব্লগে কোনো নতুন লেখা পোস্ট করা হবে,
সবার আগে আপনিই পাবেন নোটিফিকেশন।
লেখাটা ভালো লাগলে,
শেয়ার করে বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।
মূল্যবান মন্তব্যে জানান কেমন লাগলো।)
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।





