Recent Posts

সেন বাড়ির ছেলেটা আজ “মানুষ” হয়েছে !

সবুজ, দামী শাড়ি ও অলঙ্কার পরে, রাজকীয় ভাইফোঁটার আয়োজন। টেবিলে সাজানো ১১ রকমের মিষ্টি, কচি পাঁঠা , বাগদা ইত্যাদি। বোন বড়লোক দাদার আসার অপেক্ষায় মিষ্টি মুখের হাসিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষারত। ছবিটা প্রাচুর্য ও আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের প্রতীক।

মানুষ হিসেবে রেজিস্ট্রেশন বাবা-মা গর্বে কাঁপেন, প্রতিবেশী চিৎকার, তোয়াজে মত্ত। সমাজ হাততালি দেয় লম্বা করে, যেন এই মুহূর্তে জন্মেছে এক মহামানব। আসলে জন্মেছিল ৩৭ বছর আগে, কিন্তু ইদানিং তাঁকে রেজিস্টার করা হল “মানুষ” হিসেবে। মানুষঃ যখন সুবর্ণযুগ রাস্তা দিয়ে হাঁটলে মনে হয়, কোনও ফেরারি ধুলো তুলছে। অথবা গুটি গুটি পায়ে …

Read More »

আমাদের পায়ের তলায় আগুন: জ্বলছে এক রহস্যঘন পৃথিবী!

বরফ ঢাকা স্থানে কোলা সুপারডিপ বোরহোল ড্রিলিং রিগ থেকে উত্তপ্ত, গলিত লাভা নির্গত হচ্ছে, যা এই ড্রিলিং মেশিনের, পৃথিবীর গভীরে ঢোকানো নিচের অংশ গলে যাওয়ার নিদর্শন। সামনে দুই কর্মী।

পৃথিবী: আমরা যার উপরে নয়, ভিতরে বাস করি আমরা ভাবি আমরা “পৃথিবীর উপরে” বাস করি। কিন্তু সত্যিটা হল– আমরা আসলে পৃথিবীর এক পাতলা খোসার ভিতরে, একটা জীবন্ত গোলকের সামান্য উপরের স্তরে ভেসে আছি। আমাদের পায়ের নিচে এমন এক জগৎ আছে, যেখানে আলো প্রবেশের অনুমতি নেই। সময়ের হিসেব হারিয়ে যায়, আর …

Read More »

হিরোশিমা ও নাগাসাকির ভয়াবহ শিক্ষা: নরকের সেই সকাল!

হিরোশিমা-নাগাসাকির ধ্বংসের আবহে বিজ্ঞানী যে রবার্ট ওপেনহাইমারকে দেখা যাচ্ছে। পিছনে পারমাণবিক বিস্ফোরণের মাশরুম ক্লাউড, যার মধ্যে শ্রী কৃষ্ণের বিশ্বরূপ এর প্রতিকৃতি ও গীতার শ্লোক, যা সাধারণত জ্ঞান ও ধ্বংসের দ্বৈততাকে তুলে ধরে।

হিরোশিমা ও নাগাসাকি– দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এক ভয়াবহ দিন, যখন পারমাণবিক বোমা চোখের নিমেষে দুটো জীবন্ত, প্রাণবন্ত শহর ধ্বংস করে দিল। ১৯৪৫ সালের এই বিস্ফোরণ শুধু নগরকে নয়, মানবতার ইতিহাসকেও ছাপিয়ে গেছে। আজকের এই লেখায় আমরা হিরোশিমা নাগাসাকি হামলার সেই ঘটনার ভয়াবহতা, বিকিরণের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব, এবং বিজ্ঞানী ওপেনহাইমারের উল্লেখিত গীতার ধারণা নিয়ে …

Read More »

ইমেইল আইডি দিয়ে যুক্ত হন

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.