সমাজ কি অন্ধকারের দিকে?
রাজনৈতিক প্রভাব থাকলে দাগি অপরাধীরাও কিভাবে সহজেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে, তার বহু উদাহরণ আজও ছড়িয়ে রয়েছে।
প্রশ্ন একটাই— আর ঠিক কতদিন এই ধরনের অপরাধীরা এভাবেই পার পেয়ে যাবে?
নাকি এটা এক্ষেত্রে কোনোদিনও আর সম্ভব হবে না?
সমাজের আকাশে কি তবে ধীরে ধীরে এমন কালো মেঘ জমছে,
যা একদিন আমাদের মানবিকতার আলোই ঢেকে দেবে?
সমাজটা ধীরে ধীরে ঠিক কোথায় গিয়ে পৌঁছাচ্ছে—
নিদারুণ কর্মব্যস্ততা আর জীবনের চাপে আমরা কি কখনও থেমে গভীরভাবে সেটা
ভেবে দেখেছি?
কেন বললাম?
কারণ বিষয়গুলোকে হালকাভাবে নেওয়ার সময় ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে।
আমরা সেই মানুষ, যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো বড় বিপদ আমাদের নিজেদের পরিবারে এসে না দাঁড়ায়,
ততক্ষণ এসব বিষয়কে আমরা খুব একটা গায়ে মাখি না, গুরুত্ব দিই না।
ভাবি—
“ওসব নিয়ে ভাবার সময় নেই, ওসব অন্য কেউ ভাববে।”
আর এখানেই আমরা সবচেয়ে বড় ভুল করে ফেলি।
কারণ দিনের পর দিন ধরে এই উদাসীনতার আড়ালেই সমাজের অন্ধকার দিকগুলো ধীরে ধীরে আরও সংগঠিত,
আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
এ কোন অন্ধকার নেমে আসছে?
কখনও ভেবে দেখেছেন—
মানসিকতা, শিক্ষা, বিচারবুদ্ধি, এবং স্পর্ধা
কোন স্তরে পৌঁছালে মা-সন্তান মিলে এমন এক ঘৃণ্য কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারে?
যদিও কাহিনীটা প্রায় বছরখানেক আগের।
তবুও এই ঘটনা আজও সমাজের সামনে এক অস্বস্তিকর এবং বিপজ্জনক বাস্তবতা তুলে ধরে।
ভাবুন, একদিন এই অপরাধের শাস্তি পেতে হতে পারে, সমাজে মুখ দেখানো দুষ্কর হতে পারে—
সেটা জানার পরেও কতটা বুকে সাহস থাকলে, আত্মবিশ্বাস থাকলে,
বছরের পর বছর ধরে একজন মা তাঁর নিজের ছেলেকে নিয়ে এমন কাজে জড়িয়ে থাকতে পারে।
এর কারণ একটাই—
আজ অধিকাংশ অপরাধীদের মনে এক বদ্ধমূল ধারণা তৈরি হয়ে গেছে যে,
রাজনৈতিক প্রভাব বা ক্ষমতার ছায়া মাথার ওপর থাকলে, যত বড় অপরাধই করা হোক না কেন,
শেষ পর্যন্ত পার পেয়ে যাওয়া সম্ভব।
আর অপরাধীদের এই দৃঢ় বিশ্বাসটাই বর্তমান ও ভবিষ্যতের সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে ভয়ংকর এক বিপদ।
সেই ভয়ংকর অভিযোগের কেন্দ্রেই উঠে এসেছিল হাওড়ার বাঁকড়া এলাকার ফকিরপাড়ার বাসিন্দারূপে মা-ছেলের জুটি—
শ্বেতা খান ও আরিয়ান খান।
শুধু তাই নয়, জানা গিয়েছে— গোটা পরিবারই যুক্ত ছিল পর্নব্যবসায়।

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের আড়ালে নরক:
একটা রাজ্যে যখন অপরাধ, ভয় আর প্রভাবশালীদের ছায়া একসঙ্গে মিশে যায়,
তখন সবচেয়ে অনিরাপদ হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষের জীবন।
অভিযোগ উঠেছিল,
কাজের টোপ দিয়ে, কম বয়সী মেয়েদের ডেকে এনে জোর করে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির কাজে বাধ্য করা হতো।
শুধু তাই নয়,
মারধর, হুমকি, মানসিক নির্যাতন এমনকি দেহব্যবসায় ঠেলে দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে এই মা-ছেলের জুটির বিরুদ্ধে।
একটা তথাকথিত “প্রোডাকশন” বা “ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট” সংস্থার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এই নারকীয় চক্র।
তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত শ্বেতা খান নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বা ‘ফুলটুসি’ নামে পরিচয় দিতেন।
সোদপুরের এক তরুণীকে কাজের টোপ দিয়ে বাঁকড়ার একটা ফ্ল্যাটে এনে আটকে রাখা হয়েছিল।
(AI Generated ছবি, ভুল থাকতে পারে।)
প্রলোভন ও ভয়াবহ বাস্তব:
তদন্তে উঠে আসে,
সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করত ছেলে আরিয়ান।
আর মূলত ভেতরের কাজ সামলাত মা, কখনও আবার মা-ছেলে মিলে।
তারপর পরিকল্পিতভাবে তাদের আটকে রেখে চালানো হতো অকথ্য নির্যাতন।
নির্যাতিত এক তরুণীর পরিবার জানিয়েছে,
দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার পর তরুণীটা কোনোরকমে পালিয়ে বাড়ি ফিরে আসে।
তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে,
পরিবার তাঁকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যেতে বাধ্য হয় এবং পুলিশের দ্বারস্থ হয়।
আর ঠিক এরপরেই একে একে বেরিয়ে আসে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য।
নির্যাতিত তরুণীর বয়ান অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফি ভিডিও তৈরিতে রাজি না হলে চলত মধ্যযুগীয় বর্বরতা— লোহার রড দিয়ে পেটানো থেকে শুরু করে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া, কিছুই বাদ যেত না।
এমনকি তাঁকে বার ড্যান্সার হিসেবে কাজ করতেও বাধ্য করা হতো।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হল—
বাইরে থেকে গোটা বিষয়টাকে স্বাভাবিক এবং পেশাদার কাজের মতো দেখানোর চেষ্টা করা হতো বলে অভিযোগ।
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়
অপরাধের আস্ফালন:
অভিযুক্তদের সামাজিক ও রাজনৈতিক মঞ্চে সক্রিয় উপস্থিতির একাধিক ছবি সামনে আসে।
বিভিন্ন মিছিল, প্রচার ও প্রভাবশালী নেতাদের পাশে সেই মাকে দেখা গিয়েছে।
আর এখানেই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্নটা আরও গভীর হয়ে ওঠে—
এতদিন ধরে যদি এই চক্র চলেই থাকে, তবে কি ক্ষমতার অলিন্দে থাকা কেউ কিছু জানতেন না?
এটা কীভাবে সম্ভব?
কিন্তু প্রতিবারের মতো এবারেও কিছু চেনা উত্তর শোনা গেছে—
“চিনি না, জানি না, ছবি তো অনেকেই তোলে, ছবি তুললেই কি কাউকে চেনা যায়?”
কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আরও সহজ এবং বাস্তব—
যারা মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাঁরা কাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন,
কাদের সঙ্গে চলাফেরা করছেন, সেটা জানার দায়িত্ব কি তাঁদের নয়?
কারণ অপরাধীরা কখনও নিজেদের কপালে “অপরাধী” লিখে সমাজে ঘোরে না।
তারা সাধারণত (দেখুন) প্রভাব, পরিচিতি আর ক্ষমতার কাছাকাছি থেকেই নিজেদের নিরাপদ বলয় তৈরি করার চেষ্টা করে।
তদন্ত যত এগোয়,
তত ঘনীভূত হয় রহস্য:
তদন্ত যত এগোতে শুরু করে,
ততই সামনে বেরিয়ে আসতে থাকে আরও হাড়হিম করা সব তথ্য।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,
নির্যাতিত এক তরুণীকে মাস কয়েক আগে উত্তর ভারতের এক নির্জন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
সেটা নিছক ব্যক্তিগত ভ্রমণ না হলেও,
ওপর ওপর একে ভ্রমণ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলে, কিন্তু তদন্তকারীদের মনে দানা বাঁধে গভীর সন্দেহের।
সেটা কি শুধুই ঘোরাঘুরি ছিল নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে ছিল নারী পাচারের কোনো আন্তর্জাতিক যোগসূত্র?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই উঠে আসে আরও প্রভাবশালী কিছু নাম।
অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকে এলাকার বেশ কিছু পরিচিত মুখ হঠাৎ করে বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিল।
কেউ আবার প্রকাশ্যে মুখ দেখানো বন্ধ করেছিল বলেও খবর সামনে এসেছিল।
প্রশ্ন উঠেছিল, এই আকস্মিক গা ঢাকা দেওয়ার ঘটনা কি তবে বৃহত্তর কোনো অশুভ আঁতাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে?
ক্ষমতার আড়াল
ও রহস্যময় নীরবতা:
আজ সময় এসেছে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কয়েকটা রুঢ় কিন্তু জরুরি প্রশ্ন করার—
- এত বড় একটা নারকীয় চক্র প্রশাসনের চোখের সামনে দিনের পর দিন চলল কীভাবে?
- কারা সেই অদৃশ্য শক্তি, যারা এই অপরাধীদের মাথার ওপর অভয়হস্ত আর সুরক্ষার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল?
- কেন ভয়াবহ অভিযোগ সামনে আসার আগে পর্যন্ত কেউ কোনো টুঁ শব্দটুকু করল না?
- এটা কি শুধুই কয়েকজন ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন অপরাধ,
নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো সংগঠিত নেটওয়ার্ক কাজ করছিল?
কারণ বাস্তবটা হলো, অপরাধ শুধু অপরাধীদের শক্তিতে টিকে থাকে না।
বরং অপরাধ তখনই ডালপালা মেলে, যখন ভয় মানুষকে চুপ করিয়ে দেয়, রাজনৈতিক প্রভাব তদন্তকে দুর্বল করে দেয়,
আর সমাজের একাংশ সব দেখেও নীরব থাকে।
পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি:
ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্ত দুজন গা ঢাকা দেয়।
বারবার লোকেশন বদলে, অন্যের মোবাইল ব্যবহার করে তদন্ত এড়ানোর সব রকম চেষ্টা করা হয়েছিল।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়ে এই জুটি।
১১ জুন ২০২৫-এ প্রথমে কলকাতা সংলগ্ন (দেখুন) গলফ গ্রিন এলাকা থেকে আরিয়ান খানকে এবং পরে আলিপুর এলাকা থেকে (দেখুন) গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত মা শ্বেতা খানকে।
এমনকি এই ঘটনায় শ্বেতার নাবালিকা মেয়েকেও আটক করা হয়েছিল।
(AI Generated ছবি, ভুল থাকতে পারে।)
বর্তমান স্থিতি:
এক রহস্যময় নীরবতা
সাধারণত কোনো বড় অপরাধের ঘটনায় প্রথমদিকে সংবাদমাধ্যমে একের পর এক আপডেট সামনে আসে।
কে গ্রেপ্তার হল, কোথা থেকে ধরা পড়ল, কোন জেলে রাখা হয়েছে—
এসব বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছুদিন পর হঠাৎ করেই যেন সবকিছু স্তব্ধ হয়ে যায়।
মামলা কতদূর এগোল, চার্জশিট জমা পড়ল কি না, অভিযুক্তরা এখনও জেলে আছে, নাকি জামিনে মুক্ত—
সেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট উত্তর সাধারণ মানুষের সামনে আর আসে না।
ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাও ধীরে ধীরে জনস্মৃতি থেকে মুছে যেতে থাকে।
আর ঠিক সেই জায়গাতেই তৈরি হয় সবচেয়ে বড় উদ্বেগ।
কারণ অপরাধের বিরুদ্ধে শুধু গ্রেফতারই শেষ কথা নয়।
আসল বিষয় হল—
বিচার কতটা দ্রুত, স্বচ্ছ এবং অপরাধের ধরন অনুযায়ী কতটা কঠোর হল।
যদি ভয়ংকর অভিযোগের পরেও অপরাধীরা সহজেই,
রাজনৈতিক প্রভাব বা আর্থিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আইনকে অপমান করে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারে, তাহলে সমাজের কাছে ঠিক কী বার্তা দিনের পর দিন ধরে পৌঁছায়?
আইনের এই শিথিলতা বা ধামাচাপা দেওয়া, রহস্যময় নীরবতা কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব আগামীর অপরাধীদের জন্য
এক অদ্ভুত ‘অনুপ্রেরণা’ হিসেবে কাজ করে।
তাদের মনে এই বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয় যে—
“প্রভাব” আর “অর্থ” থাকলে অপরাধ করেও বেমালুম জীবনের মূল স্রোতে ফিরে আসা যায়।
ফলে অপরাধীদের এই দুঃসাহসিক বিশ্বাসটাই বর্তমান ও ভবিষ্যতের সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ।
আর যখন কোনো সমাজে এই মানসিকতা ছড়িয়ে পড়ে, তখন অপরাধ শুধু বাড়ে না,
বরং আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

কারণ শাস্তি যদি অপরাধের তুলনায় লঘু হয়,
অথবা বিচার প্রক্রিয়া যদি বছরের পর বছর অনিশ্চয়তার অন্ধকারে আটকে থাকে,
তাহলে সেই শিথিলতাই পরোক্ষে অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়।
আর তখন সমাজ ধীরে ধীরে এমন এক জায়গায় পৌঁছে যায়,
যেখানে মানুষ আইনের ওপরে নয়, ভয়ের ওপর বিশ্বাস করতে শুরু করে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ:
( এরপর যা জানবেন, তা আরও ভয়ঙ্কর।
গণতন্ত্রে মেয়েদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে গেলেই,
আজ সবার আগে যে প্রশ্নটা সামনে আসে, তা হল—
মেয়েরা কি সত্যিই নিরাপদ, নাকি শুধু নিরাপত্তার এক ভ্রান্ত বিশ্বাসে তারা বেঁচে আছে?
রাজনীতি যখন জনকল্যাণের মহৎ আদর্শ ত্যাগ করে ক্ষমতার অলিন্দে অন্ধ হয়ে ঘুরতে শুরু করে,
তখন তার বিষবাষ্প কেবল সংসদের কক্ষেই সীমাবদ্ধ থাকে না;
তা ঢুকে পড়ে সাধারণ মানুষের অন্দরে—
নিভৃত শয়নকক্ষে, বিশ্বাসের ভেতরে, যা ছিঁড়ে ফেলে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পর্কের বুনন।
ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে শিক্ষা আর স্বাস্থ্যব্যবস্থার মতো পবিত্র আর ভরসার স্তম্ভগুলো যখন রাজনীতির দাবার ঘুঁটি হয়ে ওঠে, তখন বুঝতে হবে সে রাজনীতি নিজের আদর্শের অপমৃত্যু ঘটিয়ে,
সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারকে হাঁড়িকাঠে বলি দিচ্ছে।
এরপর জেনে নিন ভেতরের সেই সত্যিটা, যা আপনার জানাটা অত্যন্ত জরুরি।
কেন?
পড়লেই বুঝবেন।
পড়ুন: গণতন্ত্রে মেয়েরা কতটা সুরক্ষিত? জানেন আসল সত্যিটা? )
(চলুন এবারে অন্য এমন এক ঘটনার কথা জেনে নিই,
যা আপনার কল্পনাতেও হয়তো আসবে না, যে কেউ এমন করতে পারে।
পড়ুন সেই হাড়হিম করা ঘটনা।
দীর্ঘ ২ মাস অবহেলা আর অপমানের বোঝা বইতে বইতে অবশেষে …নিয়ে নেন এক চরম সিদ্ধান্ত।
জেনে নিন: … ওড়িশার কেউনঝরের সেই হাড় হিম করা ঘটনা আসলে কী ছিল? )
একটা বিশেষ নিবেদন:
[ আপনাদের অকুণ্ঠ ভালোবাসাই Articlesবাংলা-র পথ চলার আসল এবং একমাত্র পাথেয়।
কেন আমাদের সাথে পথ চলবেন?
আমাদের লক্ষ্য
যৌথ অগ্রযাত্রা
আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করে তাঁদেরও পড়তে, জানতে একটা সুযোগ করে দিন।
সরাসরি সবার আগে তা পৌঁছে যাবে আপনার ইনবক্সে।
আমাদের অঙ্গীকার
বাঙালি জাতি যুগে যুগে তাঁর দেশ তথা পৃথিবীকে কীভাবে ঋদ্ধ ও সমৃদ্ধ করেছে।
ধন্যবাদ! ]
Articlesবাংলা Bangla Articles, Quotes & Prose-Poetry / বাংলা প্রবন্ধ, উক্তি ও গদ্য-কবিতা।




