Articlesবাংলায় আপনাকে স্বাগত! এই ওয়েবসাইট আধুনিকতার আলোয় মুড়ে, আপনাদের জন্য একটু ভিন্ন ভাবনায়, একটু নতুন ধাঁচে সাজানো চিন্তার এক নতুন সৃষ্ট দ্বীপ। এই একই ওয়েবসাইটে আপনি খুঁজে পাবেন নানান বিষয়ের উপর দুর্দান্ত, ব্যতিক্রমী ও প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া সব লেখা—যেখানে প্রতিটা শব্দ কেবল পড়ে ফেলার জন্য নয়, বরং ভাবনার গভীরে নেমে যাওয়ার এক নীরব আহ্বান। এখানে রহস্য-রোমাঞ্চ যেমন হাত ধরাধরি করে হাঁটে, তেমনই প্রেম আর বিরহ মিশে যায় দর্শন ও বিজ্ঞানের এক অপূর্ব মেলবন্ধনে। আইন, সমাজ, রাজনীতি ও প্রযুক্তির কঠিন প্রশ্নগুলো এখানে মুখোশ পরে না— সংযত গভীরতায়, বাস্তবতার ভাষায় নিজেকে প্রকাশ করে। গদ্য কবিতা আর কোটেশনের শেষে লুকিয়ে থাকে অজানা অনুভূতি, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া মনস্তত্ত্ব আর নীরব উপলব্ধির ছায়া। একজন প্রকৃত বাঙালি হয়ে, যদি বাংলা শব্দের সেই অনন্ত শক্তিকে জানতে চান, চিনতে চান তার গভীরতা, আর মন-প্রাণ দিয়ে অনুভব করতে চান বাংলা ভাষার আত্মাকে— তাহলে আপনি একদম ঠিক জায়গাতেই এসেছেন। তাই পাশে থাকুন, সাথে থাকুন— আমাদের সঙ্গে জুড়ে ‘বাঙালির পরিবার’ হয়ে এক আত্মায়, এক চেতনায়। ইমেইল আইডি দিয়ে Articlesবাংলায় বাঙালির পরিবারের ঘরের মানুষ হয়ে উঠুন। চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে বারবার তুলে ধরি— চিন্তা, চেতনা আর শব্দের শক্তিতে— একসাথে, সবাই মিলে। বিশ্ব জানুক— আমাদের ভারত কি? বাঙালি কি? 🙏 🙋‍♂️ 🙏
Breaking News

মঙ্গল গ্রহ: আলিশা কার্সন– তবে কি তাঁর স্বপ্ন এবার সত্যি হতে চলেছে?

মঙ্গল গ্রহ: আলিশা কার্সন

পৃথিবীর মাটিতে দাঁড়িয়ে যখন আমরা আকাশের দিকে তাকাই,
আমরা দেখি দূর আকাশের তারা।

কিন্তু লুইজিয়ানার এক ছোট্ট মেয়ে— মঙ্গল গ্রহ: আলিশা কার্সন
আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের ঘর দেখতে পেত।

সেই ঘরটা আমাদের চেনা পৃথিবী নয়,
সেটা হল বহু দূরের রহস্যময় লাল গ্রহ— মঙ্গল

মানুষের ইতিহাসে কিছু মানুষ থাকে, যারা নিজেদের সময়ে বেমানান।

তাঁরা জন্মায় পৃথিবীতে, কিন্তু মানসিকভাবে বসবাস করে ভবিষ্যতে।
(পড়ুন) আলিশা কার্সন সেই বিরল শ্রেণীর মানুষ।

সে কোনো রকেট নয়, কোনো মিশনও নয়—
একখানা প্রশ্ন:
মানুষ কি শুধু পৃথিবীর জন্য তৈরি?

স্বপ্নের শুরু: একটা ছোট্ট জেদ

তিন বছর বয়সে কোন শিশু খেলনা চায়।
আলিশা চেয়েছিল গ্রহ।

টেলিভিশনের পর্দায় মঙ্গল গ্রহের উপর একটা কার্টুন দেখে সে তাঁর বাবাকে বলেছিল—
বাবা, আমি একদিন ওখানে যেতে চাই।”

সেই বয়সে একটা বাচ্চার কথা ভেবে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিল সবাই।
তখনো আলিশা জানতো না—

  • ‘অ্যাস্ট্রোবায়োলজি’ নামে কোনো শব্দ আছে।
  • জানতো না নাসা কি?
  • জানতো না এটা একটা অনেক দূরের গ্রহ,
    সেখানে গেলে মানুষের ফিরে আসাটা অসম্ভব না হলেও অনেকাংশেই অনিশ্চিত।

কারণ:

১. ফেরার জন্য জ্বালানি:

মঙ্গল গ্রহে আগে থেকে রকেট আর জ্বালানি না থাকলে ফেরা প্রায় অসম্ভব।

নাসা তাই বর্তমানে ভাবছে:
মঙ্গলের CO2 থেকে জ্বালানি তৈরি করবে (ISRU প্রযুক্তি)
কিন্তু এটা মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা এখনও বাকি।

তবে ২০২১ সালে নাসার Perseverance Rover-এ থাকা MOXIE যন্ত্রটা সফলভাবে
মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন তৈরি করে দেখিয়েছে।

এটাই প্রথমবার অন্য গ্রহে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের সফল পরীক্ষা।

২. শরীর ভেঙে পড়ে:

মঙ্গল গ্রহে:

মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর মাত্র ৩৮%.
২-৩ বছর সেখানে থাকলে:

  • হাড় ক্ষয়।
  • পেশি দুর্বল।
  • হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা কমে যায়।

ফেরার পর পৃথিবীর ১g-এর সাথে শরীরের আচমকা মানিয়ে নিতে সময় লাগে।
(১g মানে পৃথিবীর স্বাভাবিক গ্র‍্যাভিটি, যা মঙ্গলে ০.৩৮g).

৩. রেডিয়েশন:

মঙ্গলের:

  • কোনো শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র নেই।
  • বায়ুমণ্ডল খুব পাতলা।

মানে:

সূর্য ও মহাজাগতিক রেডিয়েশন সরাসরি শরীরে আঘাত করে,
যার ফলে ক্যান্সার, স্নায়ু ক্ষতি ও জিনগত পরিবর্তনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৪. মানসিক ভাঙন:

এই অংশটা সবচেয়ে কম বলা হয়

মঙ্গল গ্রহ মানে:

  • চারিদিক জনমানবশূন্য, নিস্তব্ধ, শুনশান।
  • বছরের পর বছর একই মুখ।
  • পৃথিবী থেকে ২০ মিনিট দেরিতে কথা।
  • কোনো উদ্ধার নেই, ন্যূনতম স্বস্তিও নেই।
  • অনেকে ফেরার আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে পারে।

আলিশা শুধু এটুকুই জানত—
আকাশের ওই লাল গ্রহটা তাকে ডাকছে।
আর এই জানাটাই তাঁর জন্য বিপজ্জনক।

কারণ সভ্যতা সবসময় বিপজ্জনক জানাগুলোর কারণেই এগিয়েছে।

কিন্তু আলিশা থামেনি।
সেই ছোট্ট জেদটাই আজ তাকে নিয়ে এসেছে ইতিহাসের দুয়ারে।

শিক্ষা নয়, প্রস্তুতি:

অনেকে পড়াশোনা করে চাকরির জন্য।
আলিশাও পড়ালেখা করেছে, করছে, তবে তা একটা গ্রহের জন্য।

Physics, Chemistry, Astrobiology—
এই বিষয়গুলো তাঁর কাছে সিলেবাস ছিলো না, ছিলো মানসিক অস্ত্র।

কারণ মঙ্গল গ্রহ কোনো রোমান্টিক জায়গা নয়।
ওখানে—

  • নেই বাতাস।
  • তরলরূপে জল প্রায় নেই বলা যায়।
  • নেই কোনো ক্ষমা।

ওখানে—

মানুষ গেলে বেঁচে থাকার অধিকার পায় না—
প্রমাণ করতে হয়।

পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে:

আলিশা কার্সন কেবল একজন তরুণী নয়, সে মহাকাশ জয়ের এক জীবন্ত প্রতীক।
তাঁর অর্জনগুলো সাধারণ মানুষের কাছে রূপকথার মত মনে হয়।

সবচেয়ে কম বয়সী রেকর্ড:

সে নাসা– সংক্রান্ত স্পেস ক্যাম্পের সব স্তর সম্পন্ন করা সবচেয়ে কমবয়সী
অংশগ্রহণকারীদের একজন।

ট্রেনিংয়ের কঠোর পরিশ্রম:

যখন তাঁর বয়সী অন্য মেয়েরা তাদের স্বাভাবিক জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকত,
আলিশা তখন নিজেকে তৈরি করেছিল শূন্য মাধ্যাকর্ষণে ভারসাম্য বজায় রাখা
কিংবা জলের গভীরে মহাকাশযানের মহড়া দেওয়ার কাজে।

প্রজেক্ট পসাম (Project poSSUM):

(দেখুন) Project poSSUM-এর Citizen Scientist Program-এ অংশ নিয়ে সে
খুব কম বয়সেই Suborbital Training সম্পন্ন করে নিজেকে প্রমাণ করেছে যে,
লক্ষ্য স্থির থাকলে বয়স কোনো বাধা নয়।


( মানুষ একসময় প্লাস্টিককে বলেছিল ‘সভ্যতার অলৌকিক আবিষ্কার।’
কারণ- এটা হালকা, সস্তা, টেকসই এবং বহুমুখী ব্যবহারের উপযোগী,
যা আমাদের জীবনযাপনকে সহজ করে তুলবে।

কিন্তু বিজ্ঞানের এই আশীর্বাদই,
আজ সমগ্র পৃথিবীর মানুষের কাছে এসে দাঁড়িয়েছে,
এক ভয়ঙ্কর অভিশাপ হয়ে।

আর প্রকৃতির শরীর জুড়ে তা ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত ক্ষত হয়ে।

প্লাস্টিকের ব্যবহার কি যত শীঘ্র সম্ভব তবে বন্ধ করা উচিৎ?

কি সাংঘাতিক ক্ষতি হচ্ছে এর ব্যবহারে মানব সভ্যতার?

কেন সরকার এসব জেনেও তা বন্ধ করতে পারছেনা?

জানুন বিস্তারিত সেই ভয়াবহ বাস্তবতা 
Click: প্লাস্টিকের আবিষ্কার আজ কিভাবে হল পৃথিবীর ভয়ঙ্কর অভিশাপ? )

নাসা, কিন্তু কিংবদন্তি নয়:

একটা সত্য এখানে খুব জরুরী।

আলিশা কার্সন এখনো নাসার মহাকাশচারী নয়।
হয়তো কখনো হবে, হয়তো হবে না।

কিন্তু ইতিহাসে বড় মানুষেরা কখনোই পদবির কারণে বড় হয়নি।
পদবি এসেছে তাদের পিছনে হাঁপাতে হাঁপাতে।

Space Camp-এর Advanced Academy, Robotics Academy—
এসব তাঁর সার্টিফিকেট নয়, প্রস্তুতির ধাপ, যা একপ্রকার মানসিক ফিল্টার।

এখানেই বোঝা গেছিল—
এই মেয়েটা মহাকাশ দেখতে যায়নি, মহাকাশের জন্য নিজেকে যাচাই করতে গিয়েছিল।

Mars One:

স্বপ্ন, ব্যর্থতা এবং শিক্ষা:

এক সময় আলিশা কার্সনের নাম জড়িয়ে গিয়েছিল Mars One নামে
একটা বেসরকারি প্রকল্পের সঙ্গে।

এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিলো মানুষের প্রথম মঙ্গল যাত্রা—
একটা একমুখী অভিযান, যেখান থেকে ফেরার কোনো পরিকল্পনা ছিলো না।

শুনতে যেন ভবিষ্যতের কোনো উপন্যাসের গল্প।
কিন্তু বাস্তব পৃথিবীতে স্বপ্নেরও হিসেব থাকে— অর্থের, প্রযুক্তির, সময়ের।

Mars One শেষ পর্যন্ত সেই পরীক্ষায় টিকতে পারেনি।

আর্থিক সমস্যা আর প্রযুক্তিগত অনিশ্চয়তার কারণে প্রকল্পটা থেমে যায়।
মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর পরিকল্পনাটা কাগজের মধ্যেই থেকে যায়।

আলিশা সেখান থেকে সরে আসে।

কারণ সে বুঝেছিলো—
মঙ্গল গ্রহে যেতে হলে শুধু সাহস নয়, বাস্তবতার মাটিতেও পা রাখতে হয়।

এই ব্যর্থতা তাকে থামায় নি,
বরং স্বপ্নকে আরও নির্ভুল করে দিয়েছে।

বাস্তবতা: স্বপ্ন আছে,

কিন্তু মিশন এখনও নেই

আলিশা কার্সনের নাম প্রায়ই ‘ভবিষ্যতের মঙ্গল নভোচারী’ হিসেবে আলোচনায় আসে।
কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি একটু আলাদা।

এই মুহূর্তে নাসার কোনো মানব মঙ্গল অভিযানে তাঁর নাম নেই।

সে এখনও নাসার নির্বাচিত মহাকাশচারী নয়,
এবং ভবিষ্যতের কোনো মঙ্গল মিশনের জন্য এভাবে তাকে
এখনও বেছে নেওয়া হয়নি।

নাসার পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে—
স্পেস ক্যাম্প, প্রশিক্ষণ বা অনুপ্রেরণামূলক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মানেই
ভবিষ্যতের মঙ্গল অভিযানের সদস্য হওয়া নয়।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ সত্য হল—
নাসার মানব মঙ্গল অভিযান এখনও পরিকল্পনার স্তরে।

কবে সেই অভিযান হবে, কারা যাবেন, প্রথম দলটি কেমন হবে,
এসব কিছুই এখনও নির্ধারিত হয়নি।

একসময় আলিশা নিজেও সাক্ষাৎকারে বলেছিল,
সে মঙ্গল গ্রহে গিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরতে চায়।
কিন্তু সেটা তাঁর ব্যক্তিগত স্বপ্ন, ঘোষণা নয়।

২০১৮ সালে ‘টিন ভোগ’ পত্রিকার সাথে এক সাক্ষাৎকারে আলিশা নিজেই
স্পষ্ট করেছিল যে, একমুখী যাত্রার পুরনো ধারণা থেকে সরে এসে সে এখন
মঙ্গল গ্রহে গিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসার লক্ষ্য নিয়েই
নিজেকে প্রস্তুত করছে।

তাঁর পরিবার এবং সমর্থকদের এক দৃঢ় বিশ্বাস—
আজ না হলেও কোনো এক দিনে সে হয়তো সত্যিই মহাকাশ অভিযানের অংশ হবে।

কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁর মঙ্গল যাত্রা
স্বপ্ন আর প্রস্তুতির মধ্যেই দাঁড়িয়ে আছে।

দর্শনের জায়গাটা এখানেই:

আলিশা কার্সনের গল্প আসলে রকেটের গল্প নয়।
এটা মানুষের দিগন্ত ছুঁতে চাওয়ার গল্প।

সে জানে—
হয়তো সে-ই প্রথম মানুষ হবে না, যে মঙ্গল গ্রহে পা রাখবে।

কিন্তু সে এটাও জানে—
প্রথম মানুষ হওয়ার চেয়ে জরুরী হল প্রথম স্বপ্নটা দেখা আর পূরণ করা।

কারণ স্বপ্ন না থাকলে যাত্রা শুরুই হয় না।

মঙ্গল গ্রহ তাই তাঁর কাছে কোনো গন্তব্য নয়, এটা একটা পরীক্ষা—
মানুষ কি নিজের সীমা মেনে নিতে রাজি, নাকি সীমা ভাঙতে চায়?

নারী, বিজ্ঞান এবং ভবিষ্যৎ:

আলিশা কার্সন নারী—
কিন্তু তাঁর গল্প নারী বা পুরুষের গল্প নয়।

মহাকাশে কোনো লিঙ্গ নেই।
ওখানে সবাই শুধু মানুষ।
আর মানুষ মানেই— ঝুঁকি, কৌতুহল আর অজানার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস।

আজকের দিনে সে হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর কাছে STEM স্বপ্নের এক জীবন্ত প্রতীক।

সে যেন নিরবে বলে যাচ্ছে— “তুমি শুধু পৃথিবীর জন্য জন্মাওনি।”

মঙ্গল গ্রহ: আলিশা কার্সন,

ধুলোকণা থেকে নক্ষত্র পর্যন্ত

আলিশা কার্সন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা সবাই আসলে মহাকাশের পর্যটক।
পার্থক্য শুধু এই— আমরা পৃথিবীর মাটিতে শিকড় খুঁজি,
আর সে নক্ষত্রের মাঝে ডানা খোঁজে।

মঙ্গলের লাল ধূলোকণা হয়তো একদিন আলিশার পায়ের ছাপের স্পর্শে ধন্য হবে,
আর সেদিন পৃথিবীর মানুষ বুঝবে— সীমানা কেবল মনে থাকে, স্বপ্নে নয়।

মঙ্গলের বিষন্ন লাল আকাশে যখন পৃথিবীর প্রথম আলো পড়বে,
তখন সেই আলোর নিচে কে দাঁড়িয়ে থাকবে—
আলিশা না অন্য কোনো সরকারি নভোচারী— তা সময় বলে দেবে।

কিন্তু মানুষের অজেয় সংকল্পের ইতিহাসে আলিশার নাম ইতিমধ্যে খোদাই হয়ে গেছে।
কারণ পৃথিবীটা তাঁর জন্য যথেষ্ট বড় ছিলো না,

আর আকাশটাও তাঁর জন্য খুব একটা দূরে নয়।

————————–

( ইতিহাসের অন্ধকার ঘরে পড়ে থাকে এমন কিছু সত্য—
যেখানে বিভৎস সেই …..ব্যবসা-এর মতো ঘটনাগুলো জানলে
বিজয়ীদের মুখোশ খুলে যায়।

মাটির নিচে এবং গঙ্গার পাড়ে এমন এক পৈশাচিক ব্যবসার দানা বেঁধেছিল,
যার খবর ইতিহাসের বইয়ে আপনি খুঁজে পাবেন না।

কোন সেই ভয়ঙ্কর ব্যবসা?

কিভাবে নিস্তব্ধ রাতের অন্ধকারে চলত সেই কারবার?

পড়ুন হাড়হিম করা সেই সত্য–
Click: .…রাজধানী কোলকাতা: ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে… ও লাশের বিভীষিকা! )

 

এ বিষয়ে আপনি কি মনে করেন?

আলিশা কি নাসার মঙ্গল অভিযানে ভবিষ্যতে
অংশগ্রহণ করতে আদৌ পারবে?

সে-ই কি মঙ্গলের মাটিতে পা রাখা প্রথম মানুষ হবে?

অবশ্যই জানাবেন আপনার মূল্যবান মন্তব্যে।

[লেখাটা প্রয়োজনীয় মনে হলে অবশ্যই শেয়ার করে
সমাজের অন্যদেরও পড়তে, জানতে সুযোগ করে দেবেন।

ইমেইল আইডি দিয়ে আমাদের বাঙালির পরিবারের একজন
প্রিয় মানুষ হয়ে উঠুন।

চলুন বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে বারবার তুলে ধরি—
চিন্তা, চেতনা আর শব্দের শক্তিতে— একসাথে, সবাই মিলে।

বিশ্ব জানুক—
আমাদের ভারত কি?
বাঙালি কি?
বাংলা শব্দের ক্ষমতাই বা কি?]

 

 

ইমেইল আইডি দিয়ে যুক্ত হন

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.

About Articlesবাংলা

Articlesবাংলা
Welcome to Articlesবাংলা – a vibrant hub of words, ideas, and creativity. This website is the personal archive and creative expression of Tanmoy Sinha Roy, a passionate writer who has been exploring the art of writing for more than seven years. Every article, prose-poem, and quotation you find here reflects his journey, experiences, and dedication to the written word. Articlesবাংলা aims to inspire readers by offering thought-provoking insights, celebrating the richness of Bengali language and literature, and creating a space where ideas, imagination, and culture connect. Whether you are seeking literary reflections, prose-poems, diverse articles, or meaningful quotations, you are invited to explore, reflect, and be inspired.

Check Also

সুভাষচন্দ্র বসু এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের লুণ্ঠিত রাজকোষ ও ঐতিহাসিক ষড়যন্ত্রের প্রতীকী চিত্র।

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু: আজাদ হিন্দ ফৌজের সম্পত্তি লুটের ভয়ঙ্কর সত্য!

সুভাষচন্দ্র বসু প্রতিষ্ঠিত আজাদ হিন্দ ফৌজ থেকে লুট করা জনগণের সম্পদ ঠিক কি হয়েছিলো শেষ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *