অক্সিজেনের অভাবে তবে কি ছটফট করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

অবৈধ দখলঃ

পশু-পাখী, কীটপতঙ্গ নয়, মানুষের তাণ্ডবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি!
‘অবৈধ দখল’ নামক দুটো শব্দের সাথে আমাদের সবারই বেশ পরিচয় আছে।

আর এই দুই শব্দের বাক্যের মধ্যে থাকা ভাবার্থ কি?
এও আমরা জানি বেশ ভালো।

উন্নয়নের নেশা, মুনাফা, ভোগ-বিলাসিতা ও প্রতিযোগিতায় বুঁদ হয়ে,
আমরা আজ নিজেদের পায়ের তলা থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি প্রকৃতি,
ইনফ্যাক্ট ফেলেছিও অনেকটা।

২০০ বছর পর কেমন হবে পৃথিবী?

মানুষ প্রজাতি টিকে থাকলে-
এভাবেই আরও ২০০ বছর পর তাঁরা হয়তো বাঁঁচবে হাতে গোনা গোটাকতক গাছ-গাছালি, পানীয় জলের ক্রাইসিস ও একপ্রকার পশু-পাখিবিহীন হয়ে।

কিন্তু চতুর্দিকের আকাশ-বাতাস জুড়ে থাকবে বিজ্ঞান-প্রযুক্তির দৌরাত্ম,
চারিদিকে দোকান জুড়ে বিক্রি হবে অক্সিজেন সিলিন্ডার,
আর বাজার থেকে ৫০ টাকায় পাবে একটা পটল কিংবা আলু।

এক কেজি নিম্ন মানের চালের দাম তখন হবে ১০০০ টাকা কিলো।

বনভূমি হারানোর ভয়াবহ চিত্রঃ

আমরা আজ বিশ্বজুড়ে হারিয়েছি এক তৃতীয়াংশ বনভূমি।
অর্ধেকের বেশি হারিয়েছি ‘গ্লোবাল ট্রপিক্যাল ফরেস্ট’ বা খণ্ডিত হয়ে গেছে।
আর যেটুকু বেঁচে আছে- তারও বহু অংশ হয়ে গেছে অবনমিত।

অর্থাৎ নির্বিচারে, নির্দ্বিধায় গাছ কাটার ফলে, সেখানে আর আগের মতন ঘন জঙ্গল,
প্রাণী, জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, কিছুই নেই।
এর উল্লেখযোগ্য এক উদাহরণ হল- “অ্যামাজন রেইন ফরেস্ট।”(Click)

আর এই ধরণের ফরেস্টেই কিন্তু থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি জীববৈচিত্র্য।
কিন্তু এসবের ভবিষ্যৎ পরিণাম নিয়ে ভাবার অবকাশ আমরা হয়তো পাইনি,
আদতে গুরুত্বও তেমন দিতে চাই না আমরা।

পৃথিবীর ধারণ ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাঃ

আসুন-
একটা ছোট্ট উদাহরণের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে আমরা বুঝে নিই।

একটা বেলুনের বায়ু ধারণ ক্ষমতা ঠিক যতটুকু, এর বেশি হলে যেমন বেলুনটা ফেটে যায়।
ঠিক তেমনই, আমাদের পৃথিবীর ধারণা ক্ষমতার একটা সীমাবদ্ধতা আছে,
এর বেশি হলেই বিপদ অনিবার্য, আর তা সবার জন্যে।

জনসংখ্যা বাড়লে খাদ্য ও জলের চাহিদা বেড়ে, প্রাকৃতিক জলসম্পদ ও কৃষিজমিতে চাপ পড়বে।

প্রাকৃতিক সম্পদের উপরে চাপঃ

চাহিদা মেটাতে কৃষি বিস্তার ঘটাতে হবে, ফলে দরকার হবে চাষযোগ্য জমি।
চাষযোগ্য আরও জমি পেতে গেলে প্রয়োজন হবে বন ধ্বংস, ফলে নষ্ট হবে জীববৈচিত্র্য।

পৃথিবী থেকে আমরা যত বেশি পাথর, ধাতু, তেল, গ্যাস, কাঠ ইত্যাদি কাঁচামাল তুলছি,
ততই প্রকৃতি ক্রমশঃ হয়ে পড়ছে দুর্বল।

এভাবে জনসংখ্যা যত বাড়বে, প্রয়োজনও বাড়বে ততই-
ফলে প্রকৃতির ক্ষত একসময়ে ছাড়িয়ে যাবে এর মাত্রা।

আর এর প্রভাব-
দূষণও বাড়াবে এর মাত্রা, তীব্র হবে জলবায়ু পরিবর্তন, বনভূমি ধ্বংসের পরিমাণ বাড়বে, এবং নদী, জলাশয় ও স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রে এর প্রভাব পড়বে আরও বেশি।

আর প্রকৃতি এর প্রতিক্রিয়া যে অলরেডি শুরু করে দিয়েছে,
তা নিশ্চই আমরা কম-বেশি বুঝতে পারি।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির বিশ্লেষণ অনুযায়ী-
পড়ুন– (United Nations Environment Programme)
অতিরিক্ত কাঁচামাল উত্তোলন ও ব্যবহার, ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দেবে।

( ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ দীর্ঘ ৪ বছর, পাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনা তাঁর কোনো মিনিমাম সন্ধান।

এরপর কি হল?
আদৌ কি তাঁকে পাওয়া গেছিল?
জীবিত না কি মৃত?
কি অবস্থাতে ছিলেন তিনি?
পড়ুন– Click: বিষ্ময়কর গণিতবিদের শেষ ঠিকানা- রাস্তার আবর্জনায়! )

শহরের দাদাগিরিতে হারাচ্ছে গ্রামঃ

শহরের দখলে ধীরে ধীরে কমছে গ্রাম, বাড়ছে কৃত্রিম সৌন্দর্য,
কমছে প্রকৃতি।

আজকের পৃথিবীতে ‘উন্নয়ন’ কথাটাই যেন একমাত্র লক্ষ্য।

প্রতিদিন নতুন শহর, নতুন রাস্তা, নতুন বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে।
আর এই উন্নয়নের সাথেই আমরা হারিয়ে ফেলছি কিছু অমূল্য সম্পদ,

গাছপালা, চাষযোগ্য জমি, উন্মুক্ত জলাভূমি ও প্রাণবৈচিত্র।

শহর যত বাড়ছে, যত উঁচু হচ্ছে কংক্রিটের দালান, ততই কমে আসছে সবুজ প্রকৃতি।

একদিকে জনসংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে সংকুচিত হচ্ছে কৃষিজমি।
ফলে বিশেষত আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে আমরা রেখে যাচ্ছি এক ভয়াবহ পরিবেশ।

নগরায়ণের চিত্রঃ

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে নগরায়নের হার দ্রুত বেড়ে চলেছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী-
২০০৭ সালে প্রথমবারের মত পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ শহরে বসবাস শুরু করে।

২০৫০ সালের মধ্যে এই সংখ্যাটা প্রায় ৭০% ছুঁতে পারে।
ভারতের ক্ষেত্রেও ছবিটা একই-
১৯০১ সালে মাত্র ১১% মানুষ শহরে থাকত, আজ তা ৩৫% ছুঁইছুঁই।

বিশাল জনসংখ্যা বাড়তি জমি, বাসস্থান, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামোর চাহিদা তৈরি করছে, অতিরিক্ত হারে।

আর এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে গ্রামীণ জমি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের উপরে।

কৃষিজমির সংকটঃ

গবেষণা বলছে-

  • প্রতি ১% জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে গড়ে ০.৪৫ হেক্টর কৃষিজমি হারিয়ে যাচ্ছে।
  • পাশাপাশি নগরায়ণ আবার আলাদাভাবে এই জমি সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।
  • মানে কৃষিজমির ক্ষেত্রে এটা কাজ করছে, ‘মড়ার উপরে খাঁড়ার ঘা’-এর মতন।
  • এর ফলে খাদ্য উৎপাদন ঝুঁকিতে পড়ছে।
  • ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে ‘সোনার ফসল’-এর জমি রূপ নিচ্ছে,
    আবাসিক এলাকা ও শিল্পাঞ্চলে।
  • এতে শুধু কৃষিজ পণ্যের ঘাটতিই নয়, গ্রামীণ জীবিকা, কৃষকের আয়,
    এবং খাদ্য নিরাপত্তাও পড়ছে যথারীতি হুমকির মুখে।

বন উজাড় ও জীববৈচত্রের ক্ষয়ঃ

শহর ও চাষযোগ্য জমির বিস্তারের কারণে বনভূমি কমছে ভয়াবহ হারে।
হিমালয় ও পশ্চিমঘাটের মত জীববৈচিত্রে ভরা অঞ্চল ইতিমধ্যেই ধাক্কা খেয়েছে বড়সড়।

বন কেটে রাস্তা, আবাসন, খনি ও শিল্প গড়ে তোলা হচ্ছে।
ফলে প্রাণী ও পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে।
পরিণাম- জীববৈচিত্র্য কমে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে প্রকৃতির ভারসাম্য।

বনের গাছপালা কার্বন শোষণ করে পৃথিবীর তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
বন কমলে, জলবায়ু পরিবর্তন আরও দ্রুত হবে।

প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর প্রভাবঃ

১. নগর তাপদ্বীপ (Urban Heat Island)

কংক্রিট ও ডামার-
(ডামার- কালো, চিপচিপে এক ধরণের পদার্থ, এর তাপধারণ ক্ষমতা চরম।
রাস্তা পাকা করার জন্যে এই পদার্থ ব্যবহার করা হয়।)
এর শহর, দিনে রাতে প্রচুর পরিমাণে তাপ জমিয়ে রাখে,
ফলে শহরের গড় তাপমাত্রা আশেপাশের গ্রামীণ এলাকার তুলনায় কয়েক ডিগ্রি বেশি হয়।

এতে অসহ্য গরমে মানুষের কষ্ট বেড়ে যায়, বেড়ে যায় বিদ্যুতের ব্যবহার,
ফলে বাড়ে তাপজনিত অসুখও।

২. জলবাহী চক্রের পরিবর্তন

প্রকৃতিতে গাছপালা, মাটিকে আঁকড়ে ধরে রাখে, জল শোষণ করে।
কিন্তু শহরের কংক্রিটের কারণে, জল মাটিতে সেভাবে প্রবেশ করতে পারে না-
ফলে একদিকে যেমন কমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর,
অন্যদিকে বাড়ছে হঠাৎ বন্যার প্রবল ঝুঁকি।

৩. মাটির উর্বরতা হ্রাস

অতিরিক্ত চাষ, রাসয়নিক সার এবং জমির উপরে চাপের কারণে,
মাটির উর্বরতা কমছে প্রমাণ হারে।

UNESCO-এর এক তথ্য অনুযায়ী-
বিশ্বের প্রায় ৭৫% মাটি ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্নভাবে।
এর মানে- ভবিষ্যতে একই জমি থেকে আগের মতন আর ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে না।

ভবিষ্যতের ভয়াবহ সংকটঃ

১. খাদ্য নিরাপত্তার হুমকি

যদি এভাবেই কমতে থাকে কৃষিজমির পরিমাণ,
তবে অদূর ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদনে দেখা দেবে ভয়াবহ ঘাটতি।
২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীতে প্রায় ৯.৭ বিলিয়ন মানুষ বাস করবে-
কিন্তু জমি কমে গেলে খাদ্য পাবে তো?

২. জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতা বাড়া

গাছপালা কমে গেলে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ কমবে,
ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও দ্রুত বাড়বে।

ফল- ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, অনিয়মিত বর্ষা বাড়বে।
পাশাপাশি জমে থাকা বরফের গলন বেড়ে যাবে, ফলে বাড়বে সমুদ্রপৃষ্ঠের জলের উচ্চতা।

আর এর শেষ পরিণাম- জলের তলায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া।

৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগ

পাহাড়ি অঞ্চলে গাছ কমে গেলে ভূমিধ্বস, মাটি ভাঙন, নদী ভরাট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি দুর্যোগ বাড়বে।
জলাধার না থাকায় খরা ও বন্যা দুই’ই ঘুরে ফিরে আসবে বারে বারে।

৪. সামাজিক অস্থিরতা

খাদ্য ঘাটতি জমির অভাব ও জল সংকট ভবিষ্যতে তৈরি করবে,
এক ব্যাপক অস্থিরতা ও অভিবাসনের ঢেউ।
শহরের বস্তি বাড়বে দারিদ্র বাড়বে, সাথে বাড়তে পারে অপরাধের মাত্রা।

( NASA- এর GRACE-FO স্যাটেলাইট মিশনের তথ্য অনুযায়ী-
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ স্বচ্ছ জলের স্তর ক্রমশই কমছে আশঙ্কাজনকভাবে…
পড়ুন বিস্তারিতঃ মহাশূন্যে ভাসমান এ নীল গ্রহে একটা মহাপ্রলয় আজ বড় প্রয়োজন! )

তবে সমাধানের পথ কি?

১. সবুজ ও স্মার্ট নগর পরিকল্পনা

  • শহরকে উচ্চতায় বাড়ানো।
  • জমি কম দখল করে আবাসন তৈরি।
  • শহরের মধ্যে সবুজ বেল্ট, পার্ক, ছাদবাগান ও উন্মুক্ত জায়গা রাখা।
  • জলাধার, খাল ও পুকুর সংরক্ষণ করে শহরে জল ব্যবস্থাপনা উন্নত করা।

২. কৃষি উন্নয়ন

  • আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সীমিত জমিতে বেশি ফসল ফলানো।
  • বহুমুখী চাষ, জৈব কৃষি এবং জলসাশ্রয়ী পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
  • কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর আইন-
    যেখানে চাষযোগ্য জমি সহজে আবাসিক বা শিল্প কাজে রূপান্তর করা যাবে না।

৩. বন সংরক্ষণ ও পুনর্বন

  • উজাড় হওয়া বনাঞ্চল পুনর্গঠন করতে হবে।
  • নদী ও পাহাড়ি এলাকায় তৈরি করতে হবে বনসৃজন প্রকল্প।
  • স্থায়ী জনগণকে উৎসাহী ও নিযুক্ত করতে হবে বন রক্ষায়।

৪. জনসচেতনতা

  • স্কুল-কলেজে পরিবেশ শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
  • সাধারণ মানুষকে গাছ লাগানো, জল সংরক্ষণ ও রিসাইক্লিংয়ে অভ্যস্ত করতে হবে।
  • মিডিয়া ও স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

সবশেষেঃ

শহর, কংক্রিট, উন্নয়ন-
এসব আমাদের জীবনে চাহিদার অংশ, একে এড়ানো বেশ কষ্টদায়ক।

কিন্তু উন্নয়নের নামে যদি উন্মত্ত ও অন্ধ হয়ে নির্বিচারে, নির্দ্বিধায়,
স্বার্থ চরিতার্থের উদ্দেশ্যে ক্রমাগত একটু একটু করে প্রতিদিন নিশ্চিন্তে,
ও পরম তৃপ্তি সহকারে, খুবলে খুবলে খেতে থাকি প্রকৃতির মাংস।

তবে প্রকৃতি কিন্তু একসময়ে বাধ্য হবে ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ নিতে।
সে সময়ে সুযোগটুকুও হয়তো পাব না আফসোস করার।

সেই উপনিবেশ আমল থেকে শুরু করে-
আজ পর্যন্ত কিন্তু প্রকৃতি সহ্য করে আসছে এর উপরে অত্যাচার, অবিচার, অন্যায়, অপমান, অবৈধ দখলদারি।

তাই বিশেষত পরবর্তী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে আমাদের উচিৎ,
এ বিষয়ে সচেতন হওয়া ও করা।

তাই লেখাটা যদি মনে হয়, শেয়ার করা উচিৎ,
তবে যথাসম্ভব শেয়ার করুন আর সচেতন করুন যতজনকে সম্ভব।
এমনকি নেতা-মন্ত্রী পর্যন্ত।

(Articlesবাংলা – আমাদের, আপনাদের পরিবার।
ইমেল আইডি দিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত হন।
ফলে যখনই এই ব্লগে কোনো নতুন লেখা পোস্ট করা হবে,

সবার আগে আপনিই পাবেন নোটিফিকেশন। 

লেখাটা ভালো লাগলে,
শেয়ার করে বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।
মূল্যবান মন্তব্যে জানান কেমন লাগলো।)

ইমেইল আইডি দিয়ে যুক্ত হন

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.

About Articlesবাংলা

Welcome to Articlesবাংলা – a vibrant hub of words, ideas, and creativity. This website is the personal archive and creative expression of Tanmoy Sinha Roy, a passionate writer who has been exploring the art of writing for more than seven years. Every article, prose-poem, and quotation you find here reflects his journey, experiences, and dedication to the written word. Articlesবাংলা aims to inspire readers by offering thought-provoking insights, celebrating the richness of Bengali language and literature, and creating a space where ideas, imagination, and culture connect. Whether you are seeking literary reflections, prose-poems, diverse articles, or meaningful quotations, you are invited to explore, reflect, and be inspired.

Check Also

আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ১৮৯৭ সালে রয়্যাল ইনস্টিটিউশনে দেওয়াল ভেদ করে রেডিও তরঙ্গ পাঠানোর ঐতিহাসিক প্রদর্শনী করছেন।

জগদীশ চন্দ্র বসু: ১৯ শতকের সেই ল্যাবরেটরি, যেখানে জন্ম হয়েছিল আজকের Wi-Fi আর 5G-র ফিজিক্স!

ভবিষ্যতের বিজ্ঞান, জন্ম হয়েছিল এক শতাব্দী আগেই: জগদীশ চন্দ্র বসুর অবদান আধুনিক প্রযুক্তির এক বিস্ময়কর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *